ইরানে ফের বড় হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের, অপেক্ষা ট্রাম্পের নির্দেশের
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সম্ভাব্য এ অভিযান স্বল্পমেয়াদি হলেও হামলার তীব্রতা ব্যাপক হতে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
পেন্টাগনের কর্মকর্তা ও সামরিক নেতাদের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা শুরুর জন্য দুই দেশের সামরিক বাহিনী ইতোমধ্যে সম্ভাব্য অভিযানগুলোর পরিকল্পনা তৈরি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ পাওয়া মাত্রই বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ও নৌবাহিনীর হাজার হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ১২টির বেশি যুদ্ধজাহাজে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি জোরদার করা হয়েছে। এই সামরিক সমাবেশকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য নতুন অভিযানের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের অস্ত্রভান্ডার। ফলে নতুন করে অভিযান শুরু হলে ইরানের সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও জ্বালানি অবকাঠামোও হামলার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের যেসব সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে, সেগুলোর কয়েকটি পুনর্নির্মাণের সম্ভাবনা কম। এতে অঞ্চলটিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির অবকাঠামোগত বিন্যাসেও পরিবর্তন আসতে পারে।
তবে নতুন করে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা তৈরি করা হলেও হামলা শুরুর বিষয়ে এখনো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক প্রস্তুতি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে। সম্ভাব্য এই অভিযান বাস্তবায়িত হলে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।
সূত্র: আল-জাজিরা ও দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
























