1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধুনটের মথুরাপুর কৃষি ব্যাংকে বিদ্যুৎ গেলেই থেমে যায় সেবা

ধুনট প্রতিনিধি: মাহফুজ আহমেদ
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ধুনটের মথুরাপুর কৃষি ব্যাংকে বিদ্যুৎ গেলেই থেমে যায় সেবা
জেনারেটর থাকলেও ‘তেল সংকট’, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় গ্রাহক

বিদ্যুৎ চলে গেলেই থেমে যায় ব্যাংকিং কার্যক্রম। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় টাকা উত্তোলনসহ প্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এমন অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর শাখায়।
গত ৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে টাকা উত্তোলনের জন্য ওই শাখায় যান গ্রাহক নাজমুল হাসান। ব্যাংকে গিয়ে বিদ্যুৎ না থাকায় প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় তাকে। শাখায় জেনারেটর থাকা সত্ত্বেও সেটি চালু না করায় বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চান তিনি।
নাজমুল হাসানের অভিযোগ, জেনারেটর চালু না করার কারণ জানতে চাইলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাকে জানায়, জেনারেটরের তেল কেনার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ নেই।
ব্যাংক কর্মকর্তা মামুনুর বলেন, প্রতিদিনই প্রায় ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। দীর্ঘ সময় লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি গ্রাহকদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক মথুরাপুর শাখার ব্যবস্থাপক ইফতেখার মিয়া বলেন, জেনারেটরের তেল বাবদ প্রতি মাসে ২ হাজার ৯৯০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ অর্থ দিয়ে প্রায় সাত দিনের তেলের চাহিদা মেটানো সম্ভব হয়। এরপর মাসের বাকি দিনগুলোতে কখনো নিজের পকেটের টাকা দিয়ে, আবার কখনো অন্য খাত থেকে ভর্তুকি দিয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করতে হয়।
ব্যবস্থাপকের এমন বক্তব্যে প্রশ্ন উঠেছে, যেখানে প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকার কথা বলা হচ্ছে, সেখানে মাসে মাত্র ২ হাজার ৯৯০ টাকা জ্বালানি বরাদ্দ দিয়ে কীভাবে একটি ব্যাংক শাখার বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রাখা সম্ভব?
গ্রাহকদের অভিযোগ, একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ব্যাংকিং সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। তাদের দাবি, দ্রুত পর্যাপ্ত জ্বালানি বরাদ্দ নিশ্চিতের পাশাপাশি কার্যকর বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু রেখে গ্রাহক ভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:৩৪ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

ধুনটের মথুরাপুর কৃষি ব্যাংকে বিদ্যুৎ গেলেই থেমে যায় সেবা

আপডেট সময় : ০৩:২৪:৩৪ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ধুনটের মথুরাপুর কৃষি ব্যাংকে বিদ্যুৎ গেলেই থেমে যায় সেবা
জেনারেটর থাকলেও ‘তেল সংকট’, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় গ্রাহক

বিদ্যুৎ চলে গেলেই থেমে যায় ব্যাংকিং কার্যক্রম। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় টাকা উত্তোলনসহ প্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এমন অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের বগুড়ার ধুনট উপজেলার মথুরাপুর শাখায়।
গত ৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে টাকা উত্তোলনের জন্য ওই শাখায় যান গ্রাহক নাজমুল হাসান। ব্যাংকে গিয়ে বিদ্যুৎ না থাকায় প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় তাকে। শাখায় জেনারেটর থাকা সত্ত্বেও সেটি চালু না করায় বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চান তিনি।
নাজমুল হাসানের অভিযোগ, জেনারেটর চালু না করার কারণ জানতে চাইলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাকে জানায়, জেনারেটরের তেল কেনার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ নেই।
ব্যাংক কর্মকর্তা মামুনুর বলেন, প্রতিদিনই প্রায় ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। দীর্ঘ সময় লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি গ্রাহকদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক মথুরাপুর শাখার ব্যবস্থাপক ইফতেখার মিয়া বলেন, জেনারেটরের তেল বাবদ প্রতি মাসে ২ হাজার ৯৯০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ অর্থ দিয়ে প্রায় সাত দিনের তেলের চাহিদা মেটানো সম্ভব হয়। এরপর মাসের বাকি দিনগুলোতে কখনো নিজের পকেটের টাকা দিয়ে, আবার কখনো অন্য খাত থেকে ভর্তুকি দিয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করতে হয়।
ব্যবস্থাপকের এমন বক্তব্যে প্রশ্ন উঠেছে, যেখানে প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকার কথা বলা হচ্ছে, সেখানে মাসে মাত্র ২ হাজার ৯৯০ টাকা জ্বালানি বরাদ্দ দিয়ে কীভাবে একটি ব্যাংক শাখার বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রাখা সম্ভব?
গ্রাহকদের অভিযোগ, একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ব্যাংকিং সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। তাদের দাবি, দ্রুত পর্যাপ্ত জ্বালানি বরাদ্দ নিশ্চিতের পাশাপাশি কার্যকর বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু রেখে গ্রাহক ভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হোক।