দুই বছর ধরে পায়ের যন্ত্রণায় কাতর উজ্জ্বল, চিকিৎসার জন্য বিক্রি করেছেন শেষ সম্বল
চিকিৎসায় প্রয়োজন প্রায় এক লাখ টাকা, সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহায়তার আকুতি।
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার বনগাঁও গ্রামের মুরহুম মজিবর মিস্ত্রির ছেলে উজ্জ্বল মিয়া। প্রায় দুই বছর ধরে গুরুতর পায়ের সমস্যায় অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন তিনি। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হাঁটুর ওপরের অংশের হাড় ভেঙে যায় এবং হাড় বের হয়ে গুরুতর আহত হন তিনি। এরপর কয়েক দফা চিকিৎসা করিয়েও তার পা স্বাভাবিক হয়নি।
চিকিৎসার একপর্যায়ে তার পায়ে রড লাগানো হয়। পরবর্তীতে রডের নাট খুলে গিয়ে উরুর অংশে সংক্রমণ দেখা দেয় বলে উজ্জ্বল জানান। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারেন না। দীর্ঘদিনের ব্যথা ও শারীরিক দুর্ভোগে তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
অর্থের অভাবে নিয়মিত চিকিৎসা করাতে না পেরে বিভিন্ন সময়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের কাছ থেকে সামান্য অর্থ সহায়তা নিয়ে ওষুধ কিনে চিকিৎসা চালিয়েছেন তিনি। কিন্তু তার পায়ের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও অপারেশনের জন্য আরও অর্থের প্রয়োজন।
উজ্জ্বল জানান, চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে ইতোমধ্যে তার সহায়-সম্পত্তি বিক্রি করেছেন। এমনকি মাথা গোঁজার ঘরটিও বিক্রি করে চিকিৎসার খরচ চালিয়েছেন। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ ভূমিহীন ও অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
তার ভাষ্য, দীর্ঘদিনের এই যন্ত্রণার কারণে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন না। চিকিৎসার অভাবে তার শারীরিক অবস্থাও দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। এখন উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে পায়ের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চান তিনি।
উজ্জ্বলের চিকিৎসার জন্য প্রায় এক লাখ টাকা প্রয়োজন বলে তিনি জানিয়েছেন। এই অর্থ জোগাড় করা তার একার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই সমাজের বিত্তবান, মানবিক মানুষ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
উজ্জ্বল মিয়া বলেন, মানুষের সহযোগিতা পেলে তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান। তার অসহায় অবস্থায় সমাজের সামর্থ্যবান মানুষগুলো এগিয়ে এলে হয়তো নতুন করে বাঁচার সুযোগ পাবেন তিনি।
চিকিৎসায় সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ:
উজ্জ্বল মিয়া
মোবাইল: ০১৭০৪৫৪০৯৫০
ঠিকানা: বনগাঁও, ঝিনাইগাতী, শেরপুর।























