1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‎ইবিতে সায়েন্স ক্লাবের অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ক  কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ইবি প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের ল্যাবরেটরি ও অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত করতে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় ল্যাবরেটরি নিরাপত্তা, অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ, জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় এবং দুর্ঘটনা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে এই দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করে ইসলামী ইউনিভার্সিটি সায়েন্স ক্লাব। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

কর্মশালার প্রথম পর্বে ‘Laboratory and Fire Safety: Prevention, Preparedness and Emergency Response’ বিষয়ে আলোচনা করেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মামুন আল রশিদ। এ পর্বে ল্যাবরেটরিতে নিরাপদে কাজের পদ্ধতি, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং অগ্নিকাণ্ডের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক করণীয় বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক ধারণা দেওয়া হয়।

দ্বিতীয় পর্বে ‘Fire Safety, Emergency Response and Practical Demonstration’ শীর্ষক ব্যবহারিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ওয়াদুদ হোসাইন এ পর্ব পরিচালনা করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের অগ্নিকাণ্ডের সময় আগুন নেভানোর বিভিন্ন পদ্ধতি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে নিরাপদে করণীয় বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়।

ইসলামী ইউনিভার্সিটি সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি জুনায়দুল মুস্তাফার সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান আলী ও অধ্যাপক ড. মো. মামুন আল রশিদ। রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আহসানুল হক।

কর্মশালায় কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ওয়াদুদ হোসাইন বলেন, ফায়ার সার্ভিস শুধু একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান নয়; যেকোনো দুর্যোগ বা দুর্ঘটনায় জীবন ও সম্পদ রক্ষার মাধ্যমে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই এর অন্যতম লক্ষ্য। দুর্ঘটনা ঘটার পর উদ্ধারকাজের চেয়ে দুর্ঘটনা ও অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ল্যাবরেটরি বা কেমিক্যাল ফায়ার ফাইটিং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও বিশেষায়িত কাজ। সাধারণ আগুন নেভানোর তুলনায় এ ধরনের আগুন মোকাবিলায় ভিন্ন কৌশল, প্রশিক্ষণ ও সতর্কতার প্রয়োজন হয়। প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান পরিবার ও সমাজের অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার সময় সাধারণ মানুষ আন্তরিকভাবে উদ্ধারকাজে এগিয়ে এলেও প্রশিক্ষণের অভাবে অনেক ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাওয়া যায় না। পাশাপাশি জনবহুল এলাকায় যানজট ও অপরিকল্পিত সড়কব্যবস্থার কারণে দুর্ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের পৌঁছাতেও বিলম্ব হয়। তাই প্রশিক্ষিত শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে আরও কয়েকজনকে প্রশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে, যাতে দুর্যোগের সময় তারা উদ্ধারকাজে কার্যকরভাবে সহযোগিতা করতে পারে।

তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজনকে শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে কর্মশালা থেকে অর্জিত জ্ঞান বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি জনসেবামূলক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত থাকা শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বগুণ ও সামগ্রিক দক্ষতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা দুর্যোগের সময় সংশ্লিষ্ট উদ্ধারকারী সংস্থাগুলোকে সহযোগিতা করলে মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।”

আকিব হাসান
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১১:১৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

‎ইবিতে সায়েন্স ক্লাবের অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ক  কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ১১:১৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের ল্যাবরেটরি ও অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত করতে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় ল্যাবরেটরি নিরাপত্তা, অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ, জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় এবং দুর্ঘটনা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে এই দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করে ইসলামী ইউনিভার্সিটি সায়েন্স ক্লাব। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

কর্মশালার প্রথম পর্বে ‘Laboratory and Fire Safety: Prevention, Preparedness and Emergency Response’ বিষয়ে আলোচনা করেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মামুন আল রশিদ। এ পর্বে ল্যাবরেটরিতে নিরাপদে কাজের পদ্ধতি, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং অগ্নিকাণ্ডের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক করণীয় বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক ধারণা দেওয়া হয়।

দ্বিতীয় পর্বে ‘Fire Safety, Emergency Response and Practical Demonstration’ শীর্ষক ব্যবহারিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ওয়াদুদ হোসাইন এ পর্ব পরিচালনা করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের অগ্নিকাণ্ডের সময় আগুন নেভানোর বিভিন্ন পদ্ধতি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে নিরাপদে করণীয় বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়।

ইসলামী ইউনিভার্সিটি সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি জুনায়দুল মুস্তাফার সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান আলী ও অধ্যাপক ড. মো. মামুন আল রশিদ। রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আহসানুল হক।

কর্মশালায় কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ওয়াদুদ হোসাইন বলেন, ফায়ার সার্ভিস শুধু একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান নয়; যেকোনো দুর্যোগ বা দুর্ঘটনায় জীবন ও সম্পদ রক্ষার মাধ্যমে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই এর অন্যতম লক্ষ্য। দুর্ঘটনা ঘটার পর উদ্ধারকাজের চেয়ে দুর্ঘটনা ও অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ল্যাবরেটরি বা কেমিক্যাল ফায়ার ফাইটিং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও বিশেষায়িত কাজ। সাধারণ আগুন নেভানোর তুলনায় এ ধরনের আগুন মোকাবিলায় ভিন্ন কৌশল, প্রশিক্ষণ ও সতর্কতার প্রয়োজন হয়। প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান পরিবার ও সমাজের অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার সময় সাধারণ মানুষ আন্তরিকভাবে উদ্ধারকাজে এগিয়ে এলেও প্রশিক্ষণের অভাবে অনেক ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাওয়া যায় না। পাশাপাশি জনবহুল এলাকায় যানজট ও অপরিকল্পিত সড়কব্যবস্থার কারণে দুর্ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের পৌঁছাতেও বিলম্ব হয়। তাই প্রশিক্ষিত শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে আরও কয়েকজনকে প্রশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে, যাতে দুর্যোগের সময় তারা উদ্ধারকাজে কার্যকরভাবে সহযোগিতা করতে পারে।

তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজনকে শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে কর্মশালা থেকে অর্জিত জ্ঞান বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি জনসেবামূলক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত থাকা শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বগুণ ও সামগ্রিক দক্ষতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা দুর্যোগের সময় সংশ্লিষ্ট উদ্ধারকারী সংস্থাগুলোকে সহযোগিতা করলে মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।”

আকিব হাসান
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া