1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে ঋণের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে নাজমুল আলম পারভেজের বিরুদ্ধে মামলা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঋণের অর্থ পরিশোধ না করে আত্মসাতের অভিযোগে ফরিদপুরে সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে। তিনি ফরিদপুর শহরের রঘুনন্দন এলাকার বাসিন্দা ও মৃত সৈয়দ নজরুল আলমের ছেলে।

ফরিদপুর সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেডের পক্ষে ব্যাংকের সহকারী ব্যবস্থাপক আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে সোমবার ফরিদপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজ ফরিদপুর সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেড থেকে এক লাখ টাকা ঋণ নেন। পরে তিনি আরও ৩০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, আসল, সুদ ও বিলম্ব সার্ভিস চার্জসহ বর্তমানে তার কাছে মোট ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা পাওনা রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, ঋণ নেওয়ার পর ব্যাংকের নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ না করায় তিনি ঋণখেলাপিতে পরিণত হন। পাওনা অর্থ পরিশোধের জন্য ব্যাংকের কর্মকর্তারা একাধিকবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে তিনি বিভিন্ন সময়ে সময়ক্ষেপণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পাওনা অর্থ পরিশোধের জন্য ব্যাংকের পক্ষ থেকে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি তা গ্রহণ না করে ফেরত পাঠান। পরে ব্যাংকের কর্মকর্তারা সরাসরি যোগাযোগ করেও পাওনা অর্থ আদায় করতে পারেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলা দায়েরের পর অভিযোগটি তদন্তের জন্য সিআইডিতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত বলে আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে।

মামলার বাদী আব্দুল মান্নান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আসামি ঋণের অর্থ পরিশোধের আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করছিলেন। সর্বশেষ পাওনা অর্থ পরিশোধে অস্বীকৃতি জানানোর পর ব্যাংকের অর্থ আদায়ে আদালতের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।

তবে মামলার আসামি সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজ কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), ফরিদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।

এ ছাড়া, তার বিরুদ্ধে চেক সংক্রান্ত তিনটি মামলায় আদালতের রায়ে কারাদণ্ড হওয়ার এবং কয়েক মাস ফরিদপুর জেলা কারাগারে সাজা ভোগের পর বর্তমানে জামিনে থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। পাশাপাশি বাগেরহাট আদালতে চেক সংক্রান্ত আরও একটি মামলা চলমান রয়েছে বলেও জানা গেছে।

সম্প্রতি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার কাদিরদী বাজারে তার মালিকানাধীন ‘আজকের সারাদেশ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ নামের একটি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানে অনুমোদন না থাকার অভিযোগে উপজেলা প্রশাসনের পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয় বলে জানা গেছে।

এ ছাড়া, সম্প্রতি তার মালিকানাধীন একটি পত্রিকা হস্তান্তর ও বিক্রির বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে। তিনি ওই হস্তান্তর ও বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

তবে এসব অভিযোগ ও মামলার বিষয়ে সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৪:১৯:১২ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুরে ঋণের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে নাজমুল আলম পারভেজের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ০৪:১৯:১২ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঋণের অর্থ পরিশোধ না করে আত্মসাতের অভিযোগে ফরিদপুরে সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে। তিনি ফরিদপুর শহরের রঘুনন্দন এলাকার বাসিন্দা ও মৃত সৈয়দ নজরুল আলমের ছেলে।

ফরিদপুর সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেডের পক্ষে ব্যাংকের সহকারী ব্যবস্থাপক আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে সোমবার ফরিদপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজ ফরিদপুর সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেড থেকে এক লাখ টাকা ঋণ নেন। পরে তিনি আরও ৩০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, আসল, সুদ ও বিলম্ব সার্ভিস চার্জসহ বর্তমানে তার কাছে মোট ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা পাওনা রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, ঋণ নেওয়ার পর ব্যাংকের নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ না করায় তিনি ঋণখেলাপিতে পরিণত হন। পাওনা অর্থ পরিশোধের জন্য ব্যাংকের কর্মকর্তারা একাধিকবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে তিনি বিভিন্ন সময়ে সময়ক্ষেপণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পাওনা অর্থ পরিশোধের জন্য ব্যাংকের পক্ষ থেকে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি তা গ্রহণ না করে ফেরত পাঠান। পরে ব্যাংকের কর্মকর্তারা সরাসরি যোগাযোগ করেও পাওনা অর্থ আদায় করতে পারেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলা দায়েরের পর অভিযোগটি তদন্তের জন্য সিআইডিতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত বলে আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে।

মামলার বাদী আব্দুল মান্নান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আসামি ঋণের অর্থ পরিশোধের আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করছিলেন। সর্বশেষ পাওনা অর্থ পরিশোধে অস্বীকৃতি জানানোর পর ব্যাংকের অর্থ আদায়ে আদালতের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।

তবে মামলার আসামি সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজ কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), ফরিদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।

এ ছাড়া, তার বিরুদ্ধে চেক সংক্রান্ত তিনটি মামলায় আদালতের রায়ে কারাদণ্ড হওয়ার এবং কয়েক মাস ফরিদপুর জেলা কারাগারে সাজা ভোগের পর বর্তমানে জামিনে থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। পাশাপাশি বাগেরহাট আদালতে চেক সংক্রান্ত আরও একটি মামলা চলমান রয়েছে বলেও জানা গেছে।

সম্প্রতি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার কাদিরদী বাজারে তার মালিকানাধীন ‘আজকের সারাদেশ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ নামের একটি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানে অনুমোদন না থাকার অভিযোগে উপজেলা প্রশাসনের পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয় বলে জানা গেছে।

এ ছাড়া, সম্প্রতি তার মালিকানাধীন একটি পত্রিকা হস্তান্তর ও বিক্রির বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে। তিনি ওই হস্তান্তর ও বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

তবে এসব অভিযোগ ও মামলার বিষয়ে সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।