1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মসজিদে কলেজ অধ্যক্ষকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের দাবি

ভোলা জেলা প্রতিনিধি: মোঃ সুলাইমান
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২০

ভোলার মনপুরায় নাজিউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মহিউদ্দিনের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে ভোলা জেলার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকসমাজ।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ভোলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা এ দাবি জানান। তারা বলেন, একজন শিক্ষকের ওপর হামলা শুধু তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয় নয়, এটি পুরো শিক্ষকসমাজের নিরাপত্তা ও মর্যাদার ওপর আঘাত।
শিক্ষক নেতাদের অভিযোগ, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটে মনপুরা উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এলাকায় এশার নামাজ ও তাবলিগের কার্যক্রম শেষে অধ্যক্ষ মোঃ মহিউদ্দিনের ওপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে রক্তাক্ত হন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
এ ঘটনায় ২১ সেপ্টেম্বর মনপুরা থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩/১১৪/৩৪১/৩২৬/৩০৭/৫০৬(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখ করে আরও ১৫ থেকে ২০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে বলে শিক্ষক নেতারা জানান।
চাকরিচ্যুতিকে কেন্দ্র করে বিরোধের অভিযোগ
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা দাবি করেন, হামলার ঘটনার সঙ্গে মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজ, মনপুরার সাবেক নৈশপ্রহরী মোঃ সেলিমের চাকরিচ্যুতির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট।
তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, মোঃ সেলিম ২০০২ সালের ২৭ জুলাই নৈশপ্রহরী পদে নিয়োগ পান এবং ১ আগস্ট চাকরিতে যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি ওই পদে এমপিওভুক্ত হন। ২০২২ সালের ১৮ জুলাই তিনি নিজেকে এমএলএসএস পদে দাবি করে নৈশপ্রহরীর দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
এরপর দায়িত্ব পালনে অনুপস্থিতি, কর্তব্যে অবহেলা ও অসদাচরণের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। শিক্ষক নেতারা দাবি করেন, মোঃ সেলিমকে অধ্যক্ষ মোঃ মহিউদ্দিন এককভাবে চাকরিচ্যুত করেননি; প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
তারা আরও জানান, এ বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক প্রক্রিয়াও ছিল। পরে অধ্যক্ষ মোঃ মহিউদ্দিন ২০২৪ সালের ২৪ জুন মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ পদ থেকে পদত্যাগ করেন। পরদিন ২৫ জুন তিনি নাজিউর রহমান কলেজ, ভোলা সদরে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন।
‘প্রতিহিংসা নয়, আইনের শাসন চাই’
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা বলেন, কোনো প্রশাসনিক বা প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত কারও পছন্দ না হলে আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু হামলা, ভয়ভীতি বা হুমকির মাধ্যমে কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে না।
তারা বলেন, “প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, আমরা আইনের শাসন চাই। ভয়ভীতি নয়, আমরা শিক্ষকদের নিরাপত্তা চাই। প্রভাব নয়, আমরা ন্যায়বিচার চাই।”
৭ দফা দাবি
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকসমাজের পক্ষ থেকে সাত দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—হামলার মামলায় দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, অভিযোগ ও প্রমাণের ভিত্তিতে জড়িতদের গ্রেপ্তার, দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল, প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্যসহ অন্যান্য আলামত যথাযথভাবে তদন্তে বিবেচনা এবং অধ্যক্ষ মোঃ মহিউদ্দিন ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
এ ছাড়া মোঃ সেলিমের চাকরিচ্যুতির বিষয়টি কোনো ব্যক্তির একক সিদ্ধান্ত ছিল না—তদন্তে বিষয়টি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা এবং ভবিষ্যতে শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
শিক্ষক নেতারা বলেন, একজন কলেজ অধ্যক্ষের ওপর হামলার ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনরত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যেও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হতে পারে।
প্রশাসনের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়া হলে ভোলার শিক্ষকসমাজ আইনানুগ ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে আরও কঠোর প্রতিবাদ জানাবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও দক্ষিণ আলীনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির ভোলা জেলা শাখার আহ্বায়ক পীয়ূষ কান্তি হালদার, বাংলাদেশ জামিয়াতুল মোদাররেছীনের ভোলা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও ভোলা দারুল হাদীস কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলহাজ মোহাম্মদ মোবাশ্বিরুল হকসহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নেতারা।
ভোলা জেলা প্রতিনিধি: মোঃ সুলাইমান

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১১:০৪:২৮ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

মসজিদে কলেজ অধ্যক্ষকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের দাবি

আপডেট সময় : ১১:০৪:২৮ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২০

ভোলার মনপুরায় নাজিউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মহিউদ্দিনের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে ভোলা জেলার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকসমাজ।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ভোলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা এ দাবি জানান। তারা বলেন, একজন শিক্ষকের ওপর হামলা শুধু তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয় নয়, এটি পুরো শিক্ষকসমাজের নিরাপত্তা ও মর্যাদার ওপর আঘাত।
শিক্ষক নেতাদের অভিযোগ, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটে মনপুরা উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এলাকায় এশার নামাজ ও তাবলিগের কার্যক্রম শেষে অধ্যক্ষ মোঃ মহিউদ্দিনের ওপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে রক্তাক্ত হন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
এ ঘটনায় ২১ সেপ্টেম্বর মনপুরা থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩/১১৪/৩৪১/৩২৬/৩০৭/৫০৬(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখ করে আরও ১৫ থেকে ২০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে বলে শিক্ষক নেতারা জানান।
চাকরিচ্যুতিকে কেন্দ্র করে বিরোধের অভিযোগ
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা দাবি করেন, হামলার ঘটনার সঙ্গে মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজ, মনপুরার সাবেক নৈশপ্রহরী মোঃ সেলিমের চাকরিচ্যুতির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট।
তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, মোঃ সেলিম ২০০২ সালের ২৭ জুলাই নৈশপ্রহরী পদে নিয়োগ পান এবং ১ আগস্ট চাকরিতে যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি ওই পদে এমপিওভুক্ত হন। ২০২২ সালের ১৮ জুলাই তিনি নিজেকে এমএলএসএস পদে দাবি করে নৈশপ্রহরীর দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
এরপর দায়িত্ব পালনে অনুপস্থিতি, কর্তব্যে অবহেলা ও অসদাচরণের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। শিক্ষক নেতারা দাবি করেন, মোঃ সেলিমকে অধ্যক্ষ মোঃ মহিউদ্দিন এককভাবে চাকরিচ্যুত করেননি; প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
তারা আরও জানান, এ বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক প্রক্রিয়াও ছিল। পরে অধ্যক্ষ মোঃ মহিউদ্দিন ২০২৪ সালের ২৪ জুন মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ পদ থেকে পদত্যাগ করেন। পরদিন ২৫ জুন তিনি নাজিউর রহমান কলেজ, ভোলা সদরে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন।
‘প্রতিহিংসা নয়, আইনের শাসন চাই’
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা বলেন, কোনো প্রশাসনিক বা প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত কারও পছন্দ না হলে আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু হামলা, ভয়ভীতি বা হুমকির মাধ্যমে কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে না।
তারা বলেন, “প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, আমরা আইনের শাসন চাই। ভয়ভীতি নয়, আমরা শিক্ষকদের নিরাপত্তা চাই। প্রভাব নয়, আমরা ন্যায়বিচার চাই।”
৭ দফা দাবি
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকসমাজের পক্ষ থেকে সাত দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—হামলার মামলায় দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, অভিযোগ ও প্রমাণের ভিত্তিতে জড়িতদের গ্রেপ্তার, দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল, প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্যসহ অন্যান্য আলামত যথাযথভাবে তদন্তে বিবেচনা এবং অধ্যক্ষ মোঃ মহিউদ্দিন ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
এ ছাড়া মোঃ সেলিমের চাকরিচ্যুতির বিষয়টি কোনো ব্যক্তির একক সিদ্ধান্ত ছিল না—তদন্তে বিষয়টি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা এবং ভবিষ্যতে শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
শিক্ষক নেতারা বলেন, একজন কলেজ অধ্যক্ষের ওপর হামলার ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনরত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যেও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হতে পারে।
প্রশাসনের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়া হলে ভোলার শিক্ষকসমাজ আইনানুগ ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে আরও কঠোর প্রতিবাদ জানাবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও দক্ষিণ আলীনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির ভোলা জেলা শাখার আহ্বায়ক পীয়ূষ কান্তি হালদার, বাংলাদেশ জামিয়াতুল মোদাররেছীনের ভোলা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও ভোলা দারুল হাদীস কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলহাজ মোহাম্মদ মোবাশ্বিরুল হকসহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নেতারা।
ভোলা জেলা প্রতিনিধি: মোঃ সুলাইমান