সাঁথিয়ায় পে-ফিক্সেশনে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ
পে-ফিক্সেশন ২০২৬ উপলক্ষ্যে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৫০০ (পাঁচশত) টাকা করে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) জনাব আমিনুল ইসলাম ও একই অফিসের অডিটর জনাব আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। তবে বড় দপ্তরগুলোর ক্ষেত্রে ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসার (ডিডিও) কে বিনামূল্যে পে ফিক্সেশন করে দিয়ে তার অধস্তন কর্মকর্তা কর্মচারীদেরকে পে ফিক্সেশনে ঘুষ দিতে উৎসাহ দেওয়ার জন্য ঐসব ডিডিও দেরকে লেলিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে আরও জানা গেছে, পে-ফিক্সেশন-সংক্রান্ত কাজকে কেন্দ্র করে এ অর্থ আদায় করা হচ্ছে। কোন কোন দপ্তরের সৎ কর্মকর্তা বা কর্মচারী অর্থ না দিতে চাইলে তাদেরকে ইচ্ছে করে ঘোরানো হচ্ছে বা তাদের পে ফিক্সেশন ইচ্ছে করে দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে। যদিও তাদের বেতন নির্ধারণী বিবরণী দুই সপ্তাহ আগে দূর্গা পূজার ছুটি শুরু হওয়ার আগেই ডিডিও আইডি থেকে হিসাব রক্ষণ অফিসে প্রেরণ করা হয়েছে। একই অফিসের যারা ঘুষের টাকা দিয়ে দিয়েছে তাদের পে ফিক্সেশন অনুমোদন হয়ে গেছে, আর যারা ঘুষ দেয় নাই তাদের পে ফিক্সেশন এখনও আটকে আছে।
উল্লেখ্য, সাঁথিয়া উপজেলায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর, সরকারি হাসপাতাল, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, পোস্ট অফিস, ফায়ার সার্ভিস, সরকারি কলেজ, সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সব মিলিয়ে প্রায় ২০০০ (দুই হাজার) এরও বেশি কর্মকর্তা কর্মচারী কর্মরত রয়েছে। সবার কাছ থেকে ৫০০ (পাঁচশত) টাকা করে উত্তোলন করলে নগদ অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১০,০০,০০০ (দশ লক্ষ) টাকা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী বলেন, আমিনুল ইসলাম সাঁথিয়ায় দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ঘুষ ছাড়া কোন কাজই হয়না।আমরা বাধ্য হয়েই ঘুষ দিয়ে কাজ করি।পে-ফিক্সেশনেও আমরা বাধ্য হয়েই ঘুষ দিয়েছি।
উপজেলার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) আমিনুল ইসলাম বলেন, টাকা নিয়ে
পে-ফিক্সেশন করার অভিযোগ সত্যনা।
























