সন্দ্বীপে কাঠাঁখালি খালের উপরে ছোট বড় পাঁচটি বাঁধ, পানিবন্দী প্রায় ৬০ হাজার মানুষ
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার কাঠাঁখালি খালের ওপর ছোট-বড় পাঁচটি বাঁধ নির্মাণের ফলে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হয়ে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে উপজেলার মুছাপুর ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ড ও মগধরা ২,৩ নং ওয়ার্ড এলাকার প্রায় ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,দীর্ঘদিন ধরে খালের ওপর নির্মিত বাঁধগুলো অপসারণ না করায় বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। সাম্প্রতিক সাতদিনের ভারী বৃষ্টিপাতের পর পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় বসতবাড়ি, গ্রামীণ সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক পরিবার ঘরবন্দী হয়ে পড়েছে এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী জানান, খালের উপরে মাটি ভরাট করে দোকান নির্মাণ করা ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা দিন দিন বাড়ছে। কৃষিজমিতে জমে থাকা পানির কারণে মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অনেক মাছের ঘের ও পুকুরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।
মুছাপুর ৯ নং ওয়ার্ডবাসীর অভিযোগ, একাধিক ব্যক্তি নিজস্ব স্বার্থে খালের ওপর, বসতঘর,দোকানপাট,মাছ ধরার জন্য বাঁধ নির্মাণ করায় এ সংকট তৈরি হয়েছে। তারা দ্রুত দোকান, বাঁধগুলো অপসারণ করে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে খাল দখল বা অবৈধ বাঁধ নির্মাণ না হয়,সে জন্য উপজেলা প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান জানান তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন, ইউ.এন.ও. আমজাদ হোসেনকে ৩দিন আগে আবহিত করা হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকরি পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
এলাকাবাসীর আশা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে জলাবদ্ধতা কমবে এবং পানিবন্দী মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।






















