1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশু নির্যাতন রোধে জাতীয় শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে

প্রতিনিধির নাম
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৮

শনিবার (৬ জুন) শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারের কনফারেন্স রুমে নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেল আয়োজিত “বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান শিশু নির্যাতন মোকাবিলা : প্রতিবন্ধকতা, দায়িত্ব ও করণীয়” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, শিশু নির্যাতন একটি গুরুতর সামাজিক ব্যাধি, যা কেবল আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নির্মূল করা সম্ভব নয়। এ সমস্যা মোকাবিলায় পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং রাষ্ট্রের সকল অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। ডেপুটি স্পিকার বলেন, শিশু নির্যাতনের মূল কারণসমূহ চিহ্নিত করে বিদ্যমান আইন, নীতি ও সুরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতিগুলো মূল্যায়ন করা জরুরি।

তিনি শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক ও সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে কার্যকর ও টেকসই কৌশল প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কায়সার কামাল বলেন, শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।রামিসা হত্যার বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী হতে হবে।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বর্তমান সময়ে শিশুদের প্রতি শারীরিক, মানসিক এবং অনলাইনভিত্তিক নির্যাতনের ঝুঁকি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার, প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং শিশুদের অধিকার সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের আইনি, চিকিৎসা ও মানসিক সহায়তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানবিক দায়িত্ব পালন করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নির্যাতিতদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন, এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী, অভিনেতা আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, রামিসার বাবা, নারী ও শিশু অধিকার বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, উন্নয়নকর্মী, মানবাধিকার কর্মী, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৪:০৯ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬ ৭৬ বার পড়া হয়েছে

শিশু নির্যাতন রোধে জাতীয় শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে

আপডেট সময় : ০৬:৫৪:০৯ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
১৮

শনিবার (৬ জুন) শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারের কনফারেন্স রুমে নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেল আয়োজিত “বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান শিশু নির্যাতন মোকাবিলা : প্রতিবন্ধকতা, দায়িত্ব ও করণীয়” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, শিশু নির্যাতন একটি গুরুতর সামাজিক ব্যাধি, যা কেবল আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নির্মূল করা সম্ভব নয়। এ সমস্যা মোকাবিলায় পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং রাষ্ট্রের সকল অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। ডেপুটি স্পিকার বলেন, শিশু নির্যাতনের মূল কারণসমূহ চিহ্নিত করে বিদ্যমান আইন, নীতি ও সুরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতিগুলো মূল্যায়ন করা জরুরি।

তিনি শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক ও সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে কার্যকর ও টেকসই কৌশল প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কায়সার কামাল বলেন, শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।রামিসা হত্যার বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী হতে হবে।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বর্তমান সময়ে শিশুদের প্রতি শারীরিক, মানসিক এবং অনলাইনভিত্তিক নির্যাতনের ঝুঁকি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার, প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং শিশুদের অধিকার সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের আইনি, চিকিৎসা ও মানসিক সহায়তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানবিক দায়িত্ব পালন করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নির্যাতিতদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন, এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী, অভিনেতা আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, রামিসার বাবা, নারী ও শিশু অধিকার বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, উন্নয়নকর্মী, মানবাধিকার কর্মী, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।