1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কারাভোগ শেষে ভারত থেকে দেশে ফিরলেন তরুণী

বেনাপোল প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হরিদাসপুর ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট (আইসিপি) দিয়ে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে এক বাংলাদেশি তরুণীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যায় ভারতের হরিদাসপুর ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
​হরিদাসপুর-বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের শূন্যরেখায় (নো-ম্যানস ল্যান্ড) এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এ সময় ভারত ও বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন পুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ এবং একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

​ফেরত আসা ওই তরুণীর নাম জারা ইসলাম ওরফে রানি ইসলাম (১৯)। তিনি দিনাজপুর জেলার কোতোয়ালি থানার সায়েদপুর এলাকার আশাদুল রহমানের মেয়ে।

​ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের হস্তান্তরপত্র অনুযায়ী জানা গেছে,গত ১০ জুন ২০২৬ তারিখে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন থেকে তার জন্য একটি ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করা হয়।
​পরবর্তীতে ২ জুলাই ২০২৬ তারিখে হায়দ্রাবাদের ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) তাকে একটি এক্সিট পারমিট প্রদান করে।
​এই দুই নথির ভিত্তিতেই তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়েছে।

যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের ভলান্টিয়ার শফিকুল ইসলাম জানান,২০২৪ সালে ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে দালালেরা ওই তরুণীকে ভারতে নিয়ে যায়। সেখানে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে তিনি ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হন। আদালতে সাজাভোগ শেষে আইনি প্রক্রিয়া ও ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে অবশেষে তিনি স্বদেশে ফিরলেন।

​বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি)সাইফুর রহমান জানান, ইমিগ্রেশনের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তরুণীকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন বলেন, ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে থানায় নেওয়া হবে। এরপর স্থানীয় এনজিও ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’-এর প্রতিনিধিদের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হবে, যাতে তারা তাকে পরিবারের কাছে নিরাপদে পৌঁছে দিতে পারেন।

জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পোর্ট থানার আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ামাত্রই তরুণীকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

জয়নাল আবেদীন
বেনাপোল প্রতিনিধি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

কারাভোগ শেষে ভারত থেকে দেশে ফিরলেন তরুণী

আপডেট সময় : ০৫:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হরিদাসপুর ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট (আইসিপি) দিয়ে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে এক বাংলাদেশি তরুণীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যায় ভারতের হরিদাসপুর ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
​হরিদাসপুর-বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের শূন্যরেখায় (নো-ম্যানস ল্যান্ড) এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এ সময় ভারত ও বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন পুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ এবং একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

​ফেরত আসা ওই তরুণীর নাম জারা ইসলাম ওরফে রানি ইসলাম (১৯)। তিনি দিনাজপুর জেলার কোতোয়ালি থানার সায়েদপুর এলাকার আশাদুল রহমানের মেয়ে।

​ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের হস্তান্তরপত্র অনুযায়ী জানা গেছে,গত ১০ জুন ২০২৬ তারিখে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন থেকে তার জন্য একটি ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করা হয়।
​পরবর্তীতে ২ জুলাই ২০২৬ তারিখে হায়দ্রাবাদের ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) তাকে একটি এক্সিট পারমিট প্রদান করে।
​এই দুই নথির ভিত্তিতেই তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়েছে।

যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের ভলান্টিয়ার শফিকুল ইসলাম জানান,২০২৪ সালে ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে দালালেরা ওই তরুণীকে ভারতে নিয়ে যায়। সেখানে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে তিনি ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হন। আদালতে সাজাভোগ শেষে আইনি প্রক্রিয়া ও ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে অবশেষে তিনি স্বদেশে ফিরলেন।

​বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি)সাইফুর রহমান জানান, ইমিগ্রেশনের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তরুণীকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন বলেন, ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে থানায় নেওয়া হবে। এরপর স্থানীয় এনজিও ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’-এর প্রতিনিধিদের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হবে, যাতে তারা তাকে পরিবারের কাছে নিরাপদে পৌঁছে দিতে পারেন।

জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পোর্ট থানার আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ামাত্রই তরুণীকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

জয়নাল আবেদীন
বেনাপোল প্রতিনিধি