স্বীকৃতির পর আইসিসিতে নতুন দায়িত্বে তামিম
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) বার্ষিক সাধারণ সভায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বৈধ প্রতিনিধি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। একই সঙ্গে আইসিসির নবগঠিত ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট উপ-কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাকে।
আইসিসির এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিসিবির নির্বাচিত নেতৃত্বের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিশ্চিত হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচিত সভাপতিকে পূর্ণ সদস্য পরিচালক (ফুল মেম্বার ডিরেক্টর) হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নির্বাচনের পর বিসিবির প্রশাসনিক কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হলে বিষয়টি পর্যালোচনায় আইসিসি দুই পর্যবেক্ষক—ড. মোহাম্মদ মোসাজে ও তাভেঙ্গাওয়া মুকুলানিকে বাংলাদেশে পাঠায়। তারা জুন মাসে বাংলাদেশ সফর করে বর্তমান ও সাবেক বোর্ড কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই এডিনবার্গে অনুষ্ঠিত আইসিসির বার্ষিক সাধারণ সভায় বিসিবির নির্বাচিত পর্ষদকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
সভায় আইসিসি দুটি নতুন উপ-কমিটি গঠন করে। এর মধ্যে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট উপ-কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে তামিম ইকবালকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন ক্রিকেট নামিবিয়ার ড. রুডি ভ্যান বিউরেন, ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) দেবজিৎ সাইকিয়া, ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) রিচার্ড গৌল্ড এবং ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) টড গ্রিনবার্গ।
এদিকে, আইসিসির বার্ষিক সাধারণ সভায় ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় র্যাঙ্কিংয়ের ১২তম, ১৩তম ও ১৪তম দল প্রথমে একটি সুপার সিরিজে অংশ নেবে। সেখান থেকে একটি দল মূল পর্বে জায়গা করে নেবে। এরপর ১২টি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করে লিগ পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।দুই গ্রুপের শীর্ষ তিনটি করে মোট ছয়টি দল এবং দুই গ্রুপ মিলিয়ে সেরা চতুর্থ দলকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে ‘সুপার সেভেন’ পর্ব। এই পর্বে রাউন্ড-রবিন ভিত্তিতে খেলা শেষে শীর্ষ চারটি দল সেমিফাইনালে উঠবে।
আইসিসির মতে, নতুন এই কাঠামোয় ম্যাচের সংখ্যা ৫১ থেকে বেড়ে ৫৪ হলেও অর্থহীন বা ‘ডেড-রাবার’ ম্যাচ কমে যাবে এবং পুরো টুর্নামেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও বাড়বে।সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন বিশ্বকাপ কাঠামোর চূড়ান্ত সূচি ও অন্যান্য বিষয় সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত আইসিসির বৈঠকে অনুমোদন করা হবে। সেই বৈঠকেই ভবিষ্যৎ সফরসূচি (এফটিপি) চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
























