1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিন বদলেছে, মাঝি বদলেছে; থামেনি বর্ণি বাওড়ের খেয়া পারাপার

ছাইম খান গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৫১

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বর্ণি বাওড়ে সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু বদলালেও থেমে নেই খেয়া নৌকার পারাপার। আজও স্থানীয় মানুষের যাতায়াতের অন্যতম ভরসা এই খেয়া নৌকা।

বর্ণি ইউনিয়নের বাসিন্দা, বাকপ্রতিবন্ধী মো. রসুল খান দীর্ঘদিন ধরে খেয়া নৌকা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। প্রতিদিন যাত্রী পারাপার করে তার গড় আয় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। প্রতি যাত্রীর ভাড়া ১০ টাকা। সপ্তাহে দুই দিন কুশলী হাট বসায় ওই দিনগুলোতে যাত্রী বেশি হওয়ায় আয়ও কিছুটা বাড়ে।

স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এই পথে কালাম শেখ, হাশেম ও কায়সারসহ একাধিক মাঝি খেয়া চালিয়েছেন। বর্তমানে রসুল খান একাই নিয়মিত এই দায়িত্ব পালন করছেন।

মধুমতী নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে সৃষ্টি হওয়া বর্ণি বাওড় শুধু একটি জলাভূমি নয়, বরং বর্ণি ও কুশলী ইউনিয়নের মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। দেশীয় মাছের সমৃদ্ধ আবাসস্থল এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই বাওড় আজও এলাকার অন্যতম ঐতিহ্য বহন করে চলেছে।

প্রযুক্তির যুগেও বর্ণি বাওড়ের খেয়া নৌকা শতবর্ষের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। আর সেই ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে প্রতিদিন বৈঠা হাতে জীবিকার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন মাঝি মো. রসুল খান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০১:৪৫:১১ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ৭২ বার পড়া হয়েছে

দিন বদলেছে, মাঝি বদলেছে; থামেনি বর্ণি বাওড়ের খেয়া পারাপার

আপডেট সময় : ০১:৪৫:১১ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
৫১

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বর্ণি বাওড়ে সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু বদলালেও থেমে নেই খেয়া নৌকার পারাপার। আজও স্থানীয় মানুষের যাতায়াতের অন্যতম ভরসা এই খেয়া নৌকা।

বর্ণি ইউনিয়নের বাসিন্দা, বাকপ্রতিবন্ধী মো. রসুল খান দীর্ঘদিন ধরে খেয়া নৌকা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। প্রতিদিন যাত্রী পারাপার করে তার গড় আয় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। প্রতি যাত্রীর ভাড়া ১০ টাকা। সপ্তাহে দুই দিন কুশলী হাট বসায় ওই দিনগুলোতে যাত্রী বেশি হওয়ায় আয়ও কিছুটা বাড়ে।

স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এই পথে কালাম শেখ, হাশেম ও কায়সারসহ একাধিক মাঝি খেয়া চালিয়েছেন। বর্তমানে রসুল খান একাই নিয়মিত এই দায়িত্ব পালন করছেন।

মধুমতী নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে সৃষ্টি হওয়া বর্ণি বাওড় শুধু একটি জলাভূমি নয়, বরং বর্ণি ও কুশলী ইউনিয়নের মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। দেশীয় মাছের সমৃদ্ধ আবাসস্থল এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই বাওড় আজও এলাকার অন্যতম ঐতিহ্য বহন করে চলেছে।

প্রযুক্তির যুগেও বর্ণি বাওড়ের খেয়া নৌকা শতবর্ষের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। আর সেই ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে প্রতিদিন বৈঠা হাতে জীবিকার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন মাঝি মো. রসুল খান।