1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের ডিসির বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

নাজিম উদ্দীন, ফটিকছড়ি প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৬২

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন আন্দোলনকে ঘিরে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ঘোষণা করেছেন আন্দোলনকারীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার করে জনসম্মুখে দুঃখ প্রকাশ না করা হলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও, বিক্ষোভ, অবরোধসহ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে ফটিকছড়ি উপজেলার হেয়াকো বাজারে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের ব্যানারে আয়োজিত বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবিকে খাটো করে দেখা কিংবা প্রশাসনিকভাবে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। তারা অভিযোগ করেন, জেলা প্রশাসকের সাম্প্রতিক বক্তব্যে আন্দোলনরত জনগণের অনুভূতির যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি। তাই আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই বক্তব্য প্রত্যাহার করে জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশের দাবি জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, দাবি পূরণে ব্যর্থ হলে পর্যায়ক্রমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও, বৃহত্তর বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধসহ কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। জনগণের মতামত উপেক্ষা করে কোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকেই বহন করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের অন্যতম কনভেনর একরামুল হক বাবুল, নুরুল আমীন আজাদ, আবু মুসা জীবন, আবু মেম্বার, ইদ্রিস মিয়া ইলিয়াস, জসিম উদ্দিন, নুরুল আলম, শাহাদাত হোসেন ও জাকির হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য, এর আগে শনিবার (১ আগস্ট) ফটিকছড়িতে এক অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, বাংলাদেশের মতো ছোট দেশে একটি উপজেলাকে বিভক্ত করে দুটি উপজেলা গঠন করা হয়েছে যাতে মানুষ আরও সহজে সরকারি সেবা পেতে পারে। বিশ্বের অনেক দেশেই সরকারি সেবা নিতে মানুষকে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হয়। সেই তুলনায় বাংলাদেশের দূরত্ব অনেক কম। তাই এ বিষয়টি কেন এত বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে, তা তাঁর কাছে পুরোপুরি বোধগম্য নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:৪১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬ ৫৮ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের ডিসির বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ০৬:০৮:৪১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬
৬২

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন আন্দোলনকে ঘিরে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ঘোষণা করেছেন আন্দোলনকারীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার করে জনসম্মুখে দুঃখ প্রকাশ না করা হলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও, বিক্ষোভ, অবরোধসহ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে ফটিকছড়ি উপজেলার হেয়াকো বাজারে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের ব্যানারে আয়োজিত বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবিকে খাটো করে দেখা কিংবা প্রশাসনিকভাবে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। তারা অভিযোগ করেন, জেলা প্রশাসকের সাম্প্রতিক বক্তব্যে আন্দোলনরত জনগণের অনুভূতির যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি। তাই আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওই বক্তব্য প্রত্যাহার করে জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশের দাবি জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, দাবি পূরণে ব্যর্থ হলে পর্যায়ক্রমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও, বৃহত্তর বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধসহ কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। জনগণের মতামত উপেক্ষা করে কোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকেই বহন করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের অন্যতম কনভেনর একরামুল হক বাবুল, নুরুল আমীন আজাদ, আবু মুসা জীবন, আবু মেম্বার, ইদ্রিস মিয়া ইলিয়াস, জসিম উদ্দিন, নুরুল আলম, শাহাদাত হোসেন ও জাকির হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য, এর আগে শনিবার (১ আগস্ট) ফটিকছড়িতে এক অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, বাংলাদেশের মতো ছোট দেশে একটি উপজেলাকে বিভক্ত করে দুটি উপজেলা গঠন করা হয়েছে যাতে মানুষ আরও সহজে সরকারি সেবা পেতে পারে। বিশ্বের অনেক দেশেই সরকারি সেবা নিতে মানুষকে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হয়। সেই তুলনায় বাংলাদেশের দূরত্ব অনেক কম। তাই এ বিষয়টি কেন এত বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে, তা তাঁর কাছে পুরোপুরি বোধগম্য নয়।