1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশালের চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার টুঙ্গিপাড়ায়

ছাইম খান গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৬৭

বরিশাল থেকে চুরি হওয়া একটি ইয়ামাহা এফজেডএস ভি-৩ মোটরসাইকেল গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দিবাগত রাতের দিকে উপজেলার পাটগাতী এলাকার একটি নির্জন স্থান থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ জানায়, মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় বরিশালের বাসিন্দা মো. আরিফ (৪৮) গত ২৭ জুলাই বরিশাল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দায়ের করা মামলায় বরিশালের বন্দর থানার বাসিন্দা মো. রানা শরীফ (২৪) সহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি সিআর ১৩৭৩/২৭, কোতয়ালী থানা, বিএমপি হিসেবে নথিভুক্ত রয়েছে।
মামলার তদন্তের সূত্র ধরে চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারে টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশ অভিযান শুরু করে। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আইয়ুব আলীর নির্দেশনায় এসআই মো. নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল পাটগাতী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। পরে একটি নির্জন স্থান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ইয়ামাহা এফজেডএস ভি-৩ মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে এসআই নাজমুল ইসলামকে সহযোগিতা করেন এএসআই মো. জাবেদ হোসেন, এএসআই মো. সবুজ এবং কনস্টেবল জাহিদুল ইসলাম।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গত ২৪ জুলাই রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে বরিশাল থেকে মোটরসাইকেলটি চুরি হয়। চুরির পর সেটি কীভাবে টুঙ্গিপাড়ায় এলো, কারা সেখানে রেখে গেছে এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি মো. আইয়ুব আলী জানান, চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান সফল হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য তদন্ত চলছে।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলটি মালিক মো. আরিফের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর নিজের মোটরসাইকেল ফিরে পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। দ্রুত মোটরসাইকেলটি উদ্ধারের জন্য পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান।
এদিকে চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে মোটরসাইকেল চুরি ও ছিনতাই ঠেকাতে পুলিশের নজরদারি এবং নিয়মিত অভিযান আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৬:১৬ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬ ৫৭ বার পড়া হয়েছে

বরিশালের চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার টুঙ্গিপাড়ায়

আপডেট সময় : ০৮:৪৬:১৬ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
৬৭

বরিশাল থেকে চুরি হওয়া একটি ইয়ামাহা এফজেডএস ভি-৩ মোটরসাইকেল গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দিবাগত রাতের দিকে উপজেলার পাটগাতী এলাকার একটি নির্জন স্থান থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ জানায়, মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় বরিশালের বাসিন্দা মো. আরিফ (৪৮) গত ২৭ জুলাই বরিশাল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দায়ের করা মামলায় বরিশালের বন্দর থানার বাসিন্দা মো. রানা শরীফ (২৪) সহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি সিআর ১৩৭৩/২৭, কোতয়ালী থানা, বিএমপি হিসেবে নথিভুক্ত রয়েছে।
মামলার তদন্তের সূত্র ধরে চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারে টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশ অভিযান শুরু করে। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আইয়ুব আলীর নির্দেশনায় এসআই মো. নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল পাটগাতী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। পরে একটি নির্জন স্থান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ইয়ামাহা এফজেডএস ভি-৩ মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে এসআই নাজমুল ইসলামকে সহযোগিতা করেন এএসআই মো. জাবেদ হোসেন, এএসআই মো. সবুজ এবং কনস্টেবল জাহিদুল ইসলাম।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গত ২৪ জুলাই রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে বরিশাল থেকে মোটরসাইকেলটি চুরি হয়। চুরির পর সেটি কীভাবে টুঙ্গিপাড়ায় এলো, কারা সেখানে রেখে গেছে এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি মো. আইয়ুব আলী জানান, চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান সফল হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য তদন্ত চলছে।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলটি মালিক মো. আরিফের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর নিজের মোটরসাইকেল ফিরে পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। দ্রুত মোটরসাইকেলটি উদ্ধারের জন্য পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান।
এদিকে চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে মোটরসাইকেল চুরি ও ছিনতাই ঠেকাতে পুলিশের নজরদারি এবং নিয়মিত অভিযান আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।