1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আন্তঃজেলা সাইকো অপরাধী ও কিলার গ্রেপ্তারে নওগাঁর পুলিশ সুপারকে আইজিপির বিশেষ পুরস্কার

নওগাঁ প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১২

আন্তঃজেলা সাইকো সিরিয়াল অপরাধী ও কিলার গোলাম মোর্শেদ ওরফে মোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখায় নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকার আয়োজনে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক কনফারেন্সে গতকাল ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ মো. আলী হোসেন ফকির নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মে ও জুন মাসে নওগাঁর ধামইরহাট, বদলগাছী ও পত্নীতলা থানা এলাকায় অজ্ঞাতপরিচয় এক সাইকো অপরাধী একাধিক নারীর ওপর হামলা চালায়। এসব ঘটনায় বাঁশ ও ধাতব অস্ত্র দিয়ে হামলা করে ৮ থেকে ৯ জন নারীকে গুরুতর আহত এবং একজনকে হত্যা করা হয়। এ সময় ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে টাকা-পয়সাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও ওঠে।

অজ্ঞাত ওই অপরাধীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করে। তদন্তে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বিশ্লেষণ, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারসহ বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগানো হয়।

তদন্তে আরও জানা যায়, একই ধরনের অপরাধ দিনাজপুর ও জয়পুরহাট জেলাতেও সংঘটিত হয়েছে। সেখানে বেশ কয়েকজন নারী গুরুতর আহত হওয়ার পাশাপাশি দুই নারী হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

দীর্ঘ তদন্ত ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের পর নওগাঁ জেলা পুলিশ আন্তঃজেলা সাইকো অপরাধী ও কিলার গোলাম মোর্শেদ ওরফে মোরশেদ আলমকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। পরে গত ১১ জুন ২০২৬ গাজীপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে গোলাম মোর্শেদ তার অপরাধের কথা স্বীকার করে। পরবর্তীতে আদালতেও সে জবানবন্দি দিয়েছে।

এদিকে আন্তঃজেলা সিরিয়াল অপরাধী ও কিলার গ্রেপ্তারে নওগাঁ জেলা পুলিশের ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পক্ষ থেকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান এবং আইজিপির এই স্বীকৃতি জেলা পুলিশের সদস্যদের মনোবল আরও বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নওগাঁ জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা, সড়কে ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধ এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে জেলা পুলিশের তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১১:২৪:০৪ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

আন্তঃজেলা সাইকো অপরাধী ও কিলার গ্রেপ্তারে নওগাঁর পুলিশ সুপারকে আইজিপির বিশেষ পুরস্কার

আপডেট সময় : ১১:২৪:০৪ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
১২

আন্তঃজেলা সাইকো সিরিয়াল অপরাধী ও কিলার গোলাম মোর্শেদ ওরফে মোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখায় নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকার আয়োজনে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক কনফারেন্সে গতকাল ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ মো. আলী হোসেন ফকির নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মে ও জুন মাসে নওগাঁর ধামইরহাট, বদলগাছী ও পত্নীতলা থানা এলাকায় অজ্ঞাতপরিচয় এক সাইকো অপরাধী একাধিক নারীর ওপর হামলা চালায়। এসব ঘটনায় বাঁশ ও ধাতব অস্ত্র দিয়ে হামলা করে ৮ থেকে ৯ জন নারীকে গুরুতর আহত এবং একজনকে হত্যা করা হয়। এ সময় ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে টাকা-পয়সাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও ওঠে।

অজ্ঞাত ওই অপরাধীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করে। তদন্তে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বিশ্লেষণ, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারসহ বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগানো হয়।

তদন্তে আরও জানা যায়, একই ধরনের অপরাধ দিনাজপুর ও জয়পুরহাট জেলাতেও সংঘটিত হয়েছে। সেখানে বেশ কয়েকজন নারী গুরুতর আহত হওয়ার পাশাপাশি দুই নারী হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

দীর্ঘ তদন্ত ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের পর নওগাঁ জেলা পুলিশ আন্তঃজেলা সাইকো অপরাধী ও কিলার গোলাম মোর্শেদ ওরফে মোরশেদ আলমকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। পরে গত ১১ জুন ২০২৬ গাজীপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে গোলাম মোর্শেদ তার অপরাধের কথা স্বীকার করে। পরবর্তীতে আদালতেও সে জবানবন্দি দিয়েছে।

এদিকে আন্তঃজেলা সিরিয়াল অপরাধী ও কিলার গ্রেপ্তারে নওগাঁ জেলা পুলিশের ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পক্ষ থেকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান এবং আইজিপির এই স্বীকৃতি জেলা পুলিশের সদস্যদের মনোবল আরও বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নওগাঁ জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা, সড়কে ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধ এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে জেলা পুলিশের তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।