শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক যাত্রা সহজ করতে তৃতীয় ভাষা শেখাবে বিশ্ববিদ্যালয়
বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের যাত্রাকে আরও সুগম করতে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালুর প্রসঙ্গে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা আয়োজন করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।
মঙ্গলবার(২৯ সেপ্টেম্বর) ইউজিসি কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুনের সভাপতিত্বে দেশের ২৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।
সভায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভাষা কেন্দ্র স্থাপন, বিদ্যমান সক্ষমতা ও রিসোর্স ম্যাপিং এবং প্রয়োজনীয় জনবলের চাহিদা সম্পর্কে দ্রুত ইউজিসিকে অবহিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। তৃতীয় ভাষা নির্বাচনের ক্ষেত্রে অঞ্চলভিত্তিক চাহিদাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়। একই সঙ্গে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ভাষা চালুর প্রয়োজন নেই বলেও মতামত উঠে আসে।
সভায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, বাকৃবিতে ইতোমধ্যে ‘ইন্টারন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার বিএইউ’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টারের মাধ্যমে জার্মান, চীনা ও জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সভায় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন জানান, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশকে উচ্চশিক্ষার হাব হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল অফিস খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ‘স্টাডি ইন বাংলাদেশ’ পোর্টাল চালুর পরিকল্পনাও করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে এ পোর্টালে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, আবাসন, বৃত্তি ও ইন্টারন্যাশনাল অফিসসংক্রান্ত তথ্য যুক্ত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থান এবং উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে।
বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে তৃতীয় ভাষা শিক্ষার বিষয়টি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে এবং মান ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
























