1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাকৃবিতে এসএমই ফাউন্ডেশনের ‘ইয়েস’ কর্মসূচি, উদ্যোক্তা হতে শিক্ষার্থীদের আহ্বান

বাকৃবি প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৬

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা ও নতুন ব্যবসা উদ্যোগে উৎসাহিত করতে ‘ইয়ুথ এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড স্টার্টআপস ফর স্টুডেন্টস (ইয়েস)’ শীর্ষক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজ (এসএমই) ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বাকৃবি ক্যারিয়ার ক্লাবের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এতে বাকৃবি, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ও আনন্দ মোহন কলেজের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্ব শেষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুটি অধিবেশনে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম অধিবেশনে ক্যাম্পাস থেকে উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার পথ, সফল উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা এবং অর্থায়নের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। দ্বিতীয় অধিবেশনে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য উদ্যোগ সহায়ক পরিবেশ, বিকল্প অর্থায়ন, সুযোগ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী সকলের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের হ্যালিপ্যাডে বাকৃবি শিক্ষার্থী ও উদ্যোক্তাদের ১৮টি স্টল স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশনের ব্যবসা সহায়তা কেন্দ্র, এটুআই, বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টার, ব্র্যাক ব্যাংক, স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড, ননঅ্যাকাডেমি, ডিজিটাল উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবন ইকোসিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প, উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্রসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের স্টল স্থাপন করেন। এসব স্টলে শিক্ষার্থী ও উদ্যোক্তরা তাদের বিভিন্ন উদ্ভাবনী পণ্য, ধারণা ও উদ্যোগ অতিথিদের সামনে তুলে ধরেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. নাজিম হাসান সাত্তার, বাংলাদেশ ব্যাংক ময়মনসিংহ শাখার নির্বাহী পরিচালক মো. আরিফুজ্জামান, এসএমই ফাউন্ডেশনের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারজানা খান এবং আইডিয়া প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মর্তুজা জুলকার নাইন নোমান।

আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে সেশন মডারেটর ছিলেন এসএমই ফাউন্ডেশনের মহাব্যবস্থাপক মো. আব্দুস সালাম সরদার। প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশ নেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা বিভাগের প্রধান মো. কামরুজ্জামান দিদার, বাংলাদেশ ব্যাংক ময়মনসিংহ শাখার যুগ্ম পরিচালক মো. আনোয়ারুল মোর্শেদ এবং ব্রেউন্না-র প্রতিষ্ঠাতা সাফিয়া আফরিন।

দ্বিতীয় অধিবেশনে সেশন মডারেটর ছিলেন আইডিয়া প্রকল্পের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও অপারেশন স্পেশালিস্ট সিদ্ধার্থ গৌস্বামী। এতে প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশ নেন ননএকাডেমির প্রতিষ্ঠাতা এ আই আরিফ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর এন্টারপ্রেনারশিপ সেন্টারের লিড (অপারেশনস অ্যান্ড স্টুডেন্ট এনগেজমেন্ট) মো. মোফাজ্জাল করিম এবং বাকৃবি ক্যারিয়ার ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাক আবিদ স্বপনিল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, নিজেকে তৈরি করতে হবে এবং পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা রাখতে হবে। এজন্য ‘লার্ন, আনলার্ন, রিলার্ন’- এই তিনটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। প্রযুক্তি ও পরিবর্তনকে প্রতিদ্বন্দ্বী না ভেবে নিজের উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, পড়াশোনা শেষে চাকরির চেষ্টা করতে হবে, কারণ প্রশাসন ও সরকারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আপনাদের প্রয়োজন রয়েছে। তবে সবাই চাকরি পাবে না- এই বাস্তবতাও মাথায় রাখতে হবে। তাই চাকরির পাশাপাশি উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই নিজেকে দক্ষ করে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে শুধু নিজের কর্মসংস্থান নয়, অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। আমরা উদ্যোক্তা হই কিংবা চাকরিজীবীজীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে সততার কোনো বিকল্প নেই।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, এটি একটি ভালো উদ্যোগ। দেশে চাকরির সুযোগের তুলনায় গ্র্যাজুয়েটের সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেকেই বেকার থাকছেন। বিসিএস পরীক্ষায় কয়েক লাখ শিক্ষার্থী অংশ নিলেও চাকরি পাচ্ছেন মাত্র কয়েক হাজার। তাই শিক্ষার্থীদের চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। নিজেদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও অনেক উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। বর্তমানে সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। পাশাপাশি সরকার উচ্চশিক্ষা পর্যায়েও অর্থায়ন শুরু করেছে। ফলে শিক্ষার্থীরা উদ্যোক্তা হতে আরও বেশি সহায়তা ও সুযোগ পাবে। আমরা আশা করি, শিক্ষার্থীরা এসব সুযোগ কাজে লাগিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার উদ্যোগ নেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০২:৪৫:১০ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

বাকৃবিতে এসএমই ফাউন্ডেশনের ‘ইয়েস’ কর্মসূচি, উদ্যোক্তা হতে শিক্ষার্থীদের আহ্বান

আপডেট সময় : ০২:৪৫:১০ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
১৬

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা ও নতুন ব্যবসা উদ্যোগে উৎসাহিত করতে ‘ইয়ুথ এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড স্টার্টআপস ফর স্টুডেন্টস (ইয়েস)’ শীর্ষক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজ (এসএমই) ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বাকৃবি ক্যারিয়ার ক্লাবের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এতে বাকৃবি, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ও আনন্দ মোহন কলেজের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্ব শেষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুটি অধিবেশনে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম অধিবেশনে ক্যাম্পাস থেকে উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার পথ, সফল উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা এবং অর্থায়নের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। দ্বিতীয় অধিবেশনে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য উদ্যোগ সহায়ক পরিবেশ, বিকল্প অর্থায়ন, সুযোগ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী সকলের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের হ্যালিপ্যাডে বাকৃবি শিক্ষার্থী ও উদ্যোক্তাদের ১৮টি স্টল স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশনের ব্যবসা সহায়তা কেন্দ্র, এটুআই, বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টার, ব্র্যাক ব্যাংক, স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড, ননঅ্যাকাডেমি, ডিজিটাল উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবন ইকোসিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প, উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্রসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের স্টল স্থাপন করেন। এসব স্টলে শিক্ষার্থী ও উদ্যোক্তরা তাদের বিভিন্ন উদ্ভাবনী পণ্য, ধারণা ও উদ্যোগ অতিথিদের সামনে তুলে ধরেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. নাজিম হাসান সাত্তার, বাংলাদেশ ব্যাংক ময়মনসিংহ শাখার নির্বাহী পরিচালক মো. আরিফুজ্জামান, এসএমই ফাউন্ডেশনের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারজানা খান এবং আইডিয়া প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মর্তুজা জুলকার নাইন নোমান।

আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে সেশন মডারেটর ছিলেন এসএমই ফাউন্ডেশনের মহাব্যবস্থাপক মো. আব্দুস সালাম সরদার। প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশ নেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা বিভাগের প্রধান মো. কামরুজ্জামান দিদার, বাংলাদেশ ব্যাংক ময়মনসিংহ শাখার যুগ্ম পরিচালক মো. আনোয়ারুল মোর্শেদ এবং ব্রেউন্না-র প্রতিষ্ঠাতা সাফিয়া আফরিন।

দ্বিতীয় অধিবেশনে সেশন মডারেটর ছিলেন আইডিয়া প্রকল্পের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও অপারেশন স্পেশালিস্ট সিদ্ধার্থ গৌস্বামী। এতে প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশ নেন ননএকাডেমির প্রতিষ্ঠাতা এ আই আরিফ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর এন্টারপ্রেনারশিপ সেন্টারের লিড (অপারেশনস অ্যান্ড স্টুডেন্ট এনগেজমেন্ট) মো. মোফাজ্জাল করিম এবং বাকৃবি ক্যারিয়ার ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাক আবিদ স্বপনিল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, নিজেকে তৈরি করতে হবে এবং পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা রাখতে হবে। এজন্য ‘লার্ন, আনলার্ন, রিলার্ন’- এই তিনটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। প্রযুক্তি ও পরিবর্তনকে প্রতিদ্বন্দ্বী না ভেবে নিজের উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, পড়াশোনা শেষে চাকরির চেষ্টা করতে হবে, কারণ প্রশাসন ও সরকারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আপনাদের প্রয়োজন রয়েছে। তবে সবাই চাকরি পাবে না- এই বাস্তবতাও মাথায় রাখতে হবে। তাই চাকরির পাশাপাশি উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই নিজেকে দক্ষ করে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে শুধু নিজের কর্মসংস্থান নয়, অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। আমরা উদ্যোক্তা হই কিংবা চাকরিজীবীজীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে সততার কোনো বিকল্প নেই।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, এটি একটি ভালো উদ্যোগ। দেশে চাকরির সুযোগের তুলনায় গ্র্যাজুয়েটের সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেকেই বেকার থাকছেন। বিসিএস পরীক্ষায় কয়েক লাখ শিক্ষার্থী অংশ নিলেও চাকরি পাচ্ছেন মাত্র কয়েক হাজার। তাই শিক্ষার্থীদের চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। নিজেদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও অনেক উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। বর্তমানে সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। পাশাপাশি সরকার উচ্চশিক্ষা পর্যায়েও অর্থায়ন শুরু করেছে। ফলে শিক্ষার্থীরা উদ্যোক্তা হতে আরও বেশি সহায়তা ও সুযোগ পাবে। আমরা আশা করি, শিক্ষার্থীরা এসব সুযোগ কাজে লাগিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার উদ্যোগ নেবে।