সন্দ্বীপে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) সম্মেলন অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সন্দ্বীপ উপজেলা শাখার উদ্যোগে সদস্য (রুকন) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সকাল ৯টায় উপজেলা আমীর মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফিরোজের সভাপতিত্বে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাবেক আমীর ও চট্টগ্রাম অঞ্চল টিমের সদস্য জনাব জাফর সাদেক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার বোরহান উদ্দিন এবং জেলা অফিস ও প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি এজাহারুল ইসলাম। এ ছাড়া সন্দ্বীপ উপজেলা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাফর সাদেক বলেন, সদস্য (রুকন) হিসেবে প্রত্যেক দায়িত্বশীলকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে নিজেদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবন ইসলামের আদর্শে গড়ে তুলতে হবে। সংগঠনের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার প্রতি অবিচল থেকে নিজেদের যোগ্যতা ও নৈতিক মানোন্নয়নে সচেষ্ট থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় জনগণ রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে। জামায়াতে ইসলামী সংবিধান সংশোধন নয়, বরং সংবিধান সংস্কার চায়।”
তিনি সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, পাড়ায় পাড়ায় ইউনিট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সংগঠনকে মজবুত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে রুকনদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে এবং সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার আলোকে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি সমাজের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে।
প্রধান অতিথি সদস্যদের নিয়মিত পবিত্র কুরআন অধ্যয়ন, ইসলামী জ্ঞান অর্জন, আত্মগঠন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা আমীর মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফিরোজ সদস্যদের ওপর অর্পিত সাংগঠনিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানান। তিনি দ্বীন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা জোরদার করা, জনসেবামূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে সবাইকে আরও আন্তরিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
সম্মেলনে সংগঠনের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে সদস্যদের ব্যক্তিগত মানোন্নয়ন, সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।


























