তজুমদ্দিনে তিন কলেজে পাসের হার ২৪.১৯ শতাংশ, মাদ্রাসায় পাসের হার ৪৪.৫০ শতাংশ,জিপিএ -৫ শুন্য
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার তিনটি কলেজে পাসের হার মাত্র ২৪ দশমিক ১৯ শতাংশ। ৪৬৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ১১২ জন, অকৃতকার্য হয়েছেন ৩৫১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র একজন।
উপজেলার তজুমদ্দিন সরকারি কলেজে ১৭২ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৩০ জন। পাসের হার ১৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। মানবিক বিভাগে ২৫, বিজ্ঞান বিভাগে ৫ জন পাস করলেও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের চার পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।
শম্ভুপুর শাহে আলম মডেল কলেজে ১৮৮ জনের মধ্যে পাস করেছেন ৪০ জন। পাসের হার ২১ দশমিক ২৮ শতাংশ। মানবিক বিভাগে ২৪, বিজ্ঞান বিভাগে ১১ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৫ জন পাস করেছেন। এ কলেজ থেকেই এক শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
অন্যদিকে, তজুমদ্দিন মহিলা কলেজে ১০৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৪২ জন। পাসের হার ৪০ দশমিক ৭৮ শতাংশ। মানবিক বিভাগে ২৮, বিজ্ঞান বিভাগে ১৩ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে একজন পাস করেছেন।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। গত বছর ছিল ৬২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। সারাদেশের ১১ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। সে হিসাবে তজুমদ্দিনের তিন কলেজের সম্মিলিত পাসের হার বোর্ডের চেয়ে ২০ দশমিক ৬৫ এবং জাতীয় গড়ের চেয়ে ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশীয় পয়েন্ট কম।
এবং মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষায় ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার আটটি মাদ্রাসায় ২০৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৯৩ জন। পরীক্ষার্থী ও পাসের সংখ্যা অনুযায়ী পাসের হার ৪৪ দশমিক ৫০ শতাংশ। কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাননি।
মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে চাপড়ী আলিম মাদ্রাসায় ২৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৮ জন, চাঁদপুর মহিলা মাদ্রাসায় ২৭ জনের মধ্যে ১৪ জন, দেবীপুর ফাজিল মাদ্রাসায় ২৯ জনের মধ্যে ১৫ জন এবং চাঁদপুর কামিল মাদ্রাসায় ৫৫ জনের মধ্যে ২৭ জন পাস করেছেন। মধ্য আড়ালিয়া আলিম মাদ্রাসায় ২২ জনের মধ্যে ৮ জন, চাচড়া ফাজিল মাদ্রাসায় ১৭ জনের মধ্যে ৫ জন, গোলকপুর আলিম মাদ্রাসায় ১৩ জনের মধ্যে ৩ জন এবং শম্ভুপুর আলিম মাদ্রাসায় ১৭ জনের মধ্যে ৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।
ফলাফলের এমন চিত্রে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শিক্ষার মান, নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষক সংকট ও প্রতিষ্ঠানগুলোর তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।


















