1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৪:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিক হয়রানি বন্ধ হোক, ঐক্যবদ্ধ হোক সকল কলমসৈনিক

মোঃ আবদুল মোতালেব নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৩

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অবাধ ব্যবহারে তথ্য প্রবাহ যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি বৃদ্ধি পেয়েছে গুজব, অপপ্রচার এবং চরিত্র হননের অপচেষ্টা। সম্প্রতি নোয়াখালী জেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিক মোঃ আয়াত উল্যাকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া এক অভিযোগ এবং পরবর্তীতে তার লিখিত সামাজিক প্রতিবাদপত্রটি সমাজ ও সাংবাদিকতার বর্তমান বাস্তবতার এক জ্বলন্ত দলিল। পুরো ঘটনাটি নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করলে এর পেছনে মনস্তাত্ত্বিক, নৈতিক এবং সামাজিক যোগাযোগের মারাত্মক সংকট স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

ঘটনার প্রেক্ষাপট ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ: সাংবাদিক আয়াত উল্লার দেয়া বক্তব্য অনুযায়ী, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে নোয়াখালী আদালতে জামিন সংক্রান্ত এক আইনি প্রক্রিয়ায় কাবিলপুর গ্রামের মোহাম্মদ হানিফ হুজুর আটক হন। পূর্বে পরিচিত হওয়ার সুবাদে আটককৃত ব্যক্তি তার একটি মোবাইল ফোন নির্দিষ্ট কিছু দিকনির্দেশনাসহ সাংবাদিক আয়াত উল্লার হেফাজতে আমানত হিসেবে রেখে যান। পরবর্তীতে ওই ব্যক্তিসত্তার এক নিকটাত্মীয় মোবাইলটি দাবি করলেও আমানতকারীর স্পষ্ট নির্দেশনা বজায় রাখতে সাংবাদিক তা হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানান। এর জের ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘হাজতখানা থেকে আসামির মোবাইল চুরি বা নিয়ে যাওয়ার’ মুখরোচক অপবাদ ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

ঘটনাটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এখানে মূলত আমানত রক্ষা এবং গুজব ছড়ানোর প্রবণতা—এই দুই বৈপরীত্য ফুটে উঠেছে। একজন ব্যক্তি যখন অন্য কারও জিনিস একটি নির্দিষ্ট শর্তে নিজের কাছে রাখেন, তখন তা একটি সামাজিক ও আইনি দায়বদ্ধতায় পরিণত হয়। সেই দায়বদ্ধতা পালন করতে গিয়ে তিনি অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন। ঘটনা যাচাই-বাছাই না করেই কেবল অসৎ উদ্দেশ্যে অনলাইনে চরিত্র হনন করার এই মানসিকতা সমাজকে এক চরম অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

ইসলামে আমানত রক্ষা করা এবং যাচাই ছাড়া কোনো খবর বা গুজব না ছড়ানোর ব্যাপারে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১. যাচাই ছাড়া সংবাদ ছড়ানো ও অপপ্রচারের পরিণতি: আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে সত্যতা যাচাইয়ের ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে বলেছেন: “হে মুমিনগণ! যদি কোনো পাপাচারী লোক তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তবে তোমরা তা পরীক্ষা করে দেখবে, যাতে অজ্ঞতাবশত তোমরা কোনো সম্প্রদায়ের ক্ষতিসাধনে লিপ্ত না হও এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত না হতে হয়।” (সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত: ৬)

এছাড়াও অন্যের চরিত্র হনন বা মিথ্যা অপবাদ আরোপ করা প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেছেন: “এক মুসলমান অপর মুসলমানের জন্য হারাম—তার রক্ত, তার সম্পদ এবং তার সম্মান।” (সহিহ মুসলিম: ২৫৬৪)

২. আমানত রক্ষা ও সত্যের পথ: আমানত রক্ষা করা ঈমানের অন্যতম অনুষঙ্গ। পবিত্র কুরআনে এসেছে:
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন আমানতসমূহ তার হকদারদের নিকট পৌঁছে দিতে।” (সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৫৮)

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আমানত সম্পর্কে সতর্ক করে বলেছেন: “যার মধ্যে আমানতদারিতা নেই, তার মধ্যে ঈমান নেই।” (মুসনাদে আহমাদ: ১২৩৮৩)

অতএব, প্রাপ্ত আমানত মূল মালিকের নির্দেশনা ছাড়া অন্য কারও হাতে না দিয়ে সাংবাদিক আয়াত উল্যা ধর্মীয় ও নীতিগত দায়িত্বই পালন করেছেন। অন্যদিকে, ঘটনাটির ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে সমাজে অসত্য ছড়ানো মারাত্মক পাপ ও ফিতনার শামিল।

মনীষীদের মতে, কোনো মানুষের সুনাম ক্ষুণ্ন করা বা গুজবে কান দেওয়া মারাত্মক সামাজিক ব্যাধি। প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (র.) বলেছেন: “জিহ্বা হলো হৃদয়ের প্রতিনিধি। যার অন্তর পরিষ্কার, তার বাক্যাংশ ও আচরণও হবে মার্জিত ও সত্যনির্ভর।”
পশ্চিমা চিন্তাবিদ মার্ক টোয়েন যথার্থই বলেছিলেন, “সত্য যখন জুতো পরা শুরু করে, মিথ্যা ততক্ষণে অর্ধেক পৃথিবী ঘুরে ফেলে।” বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এই সত্য আরও প্রকট। তথ্য যাচাইয়ের ন্যূনতম সংস্কৃতি গড়ে না উঠলে সমাজের সৎ ও দায়িত্বশীল মানুষরাই বারবার এভাবে বলির পাঁঠা হবেন।

এই বিষয়ে নিরপেক্ষ আলোচনার জন্য উজ্জীবিত বাংলাদেশ // Ujjibito Bangladesh এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এম. রাসেল আমীণ সম্রাট সাহেবের আলোচনা করলে তিনি বলেন, কেউ কোন অপরাধ করলে আইনের আশ্রয় নেয়ার পর যদি অপরাধী হিসেবে গণ্য হয়। তখন তা মিডিয়ায় প্রচার করা ঠিক আছে। অন্যস্থায় যদি কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সরাসরি অপরাধী হিসেবে প্রচার করে। তবে ধরে নিতে হবে তারা হলুদ সাংবাদিক। তাদেরকে সরকার শক্ত হাতে দমন করা উচিত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে কোনো ব্যক্তি বা পেশাজীবীর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটানো বা মিথ্যা অপপ্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা একটি বড় ধরনের সামাজিক অপরাধ। সাংবাদিক মোঃ আয়াত উল্যার ক্ষেত্রে যা ঘটেছে, তা সমাজে তথ্য যাচাইয়ের অভাব এবং গুজবপ্রিয়তার এক অনাকাঙ্ক্ষিত উদাহরণ। ধর্মীয় অনুশাসন, সামাজিক মূল্যবোধ এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে যেকোনো সংবাদ প্রচারের আগে সত্যতা নিশ্চিত করা এবং অন্যের আমানত ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব।

সুতরাং সাংবাদিক হয়রানি বন্ধ হোক। ঐক্যবদ্ধ হোক সকল কলমসৈনিক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৬:১০ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

সাংবাদিক হয়রানি বন্ধ হোক, ঐক্যবদ্ধ হোক সকল কলমসৈনিক

আপডেট সময় : ০৮:৩৬:১০ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৩

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অবাধ ব্যবহারে তথ্য প্রবাহ যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি বৃদ্ধি পেয়েছে গুজব, অপপ্রচার এবং চরিত্র হননের অপচেষ্টা। সম্প্রতি নোয়াখালী জেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিক মোঃ আয়াত উল্যাকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া এক অভিযোগ এবং পরবর্তীতে তার লিখিত সামাজিক প্রতিবাদপত্রটি সমাজ ও সাংবাদিকতার বর্তমান বাস্তবতার এক জ্বলন্ত দলিল। পুরো ঘটনাটি নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করলে এর পেছনে মনস্তাত্ত্বিক, নৈতিক এবং সামাজিক যোগাযোগের মারাত্মক সংকট স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

ঘটনার প্রেক্ষাপট ও নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ: সাংবাদিক আয়াত উল্লার দেয়া বক্তব্য অনুযায়ী, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে নোয়াখালী আদালতে জামিন সংক্রান্ত এক আইনি প্রক্রিয়ায় কাবিলপুর গ্রামের মোহাম্মদ হানিফ হুজুর আটক হন। পূর্বে পরিচিত হওয়ার সুবাদে আটককৃত ব্যক্তি তার একটি মোবাইল ফোন নির্দিষ্ট কিছু দিকনির্দেশনাসহ সাংবাদিক আয়াত উল্লার হেফাজতে আমানত হিসেবে রেখে যান। পরবর্তীতে ওই ব্যক্তিসত্তার এক নিকটাত্মীয় মোবাইলটি দাবি করলেও আমানতকারীর স্পষ্ট নির্দেশনা বজায় রাখতে সাংবাদিক তা হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানান। এর জের ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘হাজতখানা থেকে আসামির মোবাইল চুরি বা নিয়ে যাওয়ার’ মুখরোচক অপবাদ ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

ঘটনাটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এখানে মূলত আমানত রক্ষা এবং গুজব ছড়ানোর প্রবণতা—এই দুই বৈপরীত্য ফুটে উঠেছে। একজন ব্যক্তি যখন অন্য কারও জিনিস একটি নির্দিষ্ট শর্তে নিজের কাছে রাখেন, তখন তা একটি সামাজিক ও আইনি দায়বদ্ধতায় পরিণত হয়। সেই দায়বদ্ধতা পালন করতে গিয়ে তিনি অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন। ঘটনা যাচাই-বাছাই না করেই কেবল অসৎ উদ্দেশ্যে অনলাইনে চরিত্র হনন করার এই মানসিকতা সমাজকে এক চরম অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

ইসলামে আমানত রক্ষা করা এবং যাচাই ছাড়া কোনো খবর বা গুজব না ছড়ানোর ব্যাপারে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১. যাচাই ছাড়া সংবাদ ছড়ানো ও অপপ্রচারের পরিণতি: আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে সত্যতা যাচাইয়ের ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে বলেছেন: “হে মুমিনগণ! যদি কোনো পাপাচারী লোক তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তবে তোমরা তা পরীক্ষা করে দেখবে, যাতে অজ্ঞতাবশত তোমরা কোনো সম্প্রদায়ের ক্ষতিসাধনে লিপ্ত না হও এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত না হতে হয়।” (সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত: ৬)

এছাড়াও অন্যের চরিত্র হনন বা মিথ্যা অপবাদ আরোপ করা প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেছেন: “এক মুসলমান অপর মুসলমানের জন্য হারাম—তার রক্ত, তার সম্পদ এবং তার সম্মান।” (সহিহ মুসলিম: ২৫৬৪)

২. আমানত রক্ষা ও সত্যের পথ: আমানত রক্ষা করা ঈমানের অন্যতম অনুষঙ্গ। পবিত্র কুরআনে এসেছে:
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন আমানতসমূহ তার হকদারদের নিকট পৌঁছে দিতে।” (সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৫৮)

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আমানত সম্পর্কে সতর্ক করে বলেছেন: “যার মধ্যে আমানতদারিতা নেই, তার মধ্যে ঈমান নেই।” (মুসনাদে আহমাদ: ১২৩৮৩)

অতএব, প্রাপ্ত আমানত মূল মালিকের নির্দেশনা ছাড়া অন্য কারও হাতে না দিয়ে সাংবাদিক আয়াত উল্যা ধর্মীয় ও নীতিগত দায়িত্বই পালন করেছেন। অন্যদিকে, ঘটনাটির ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে সমাজে অসত্য ছড়ানো মারাত্মক পাপ ও ফিতনার শামিল।

মনীষীদের মতে, কোনো মানুষের সুনাম ক্ষুণ্ন করা বা গুজবে কান দেওয়া মারাত্মক সামাজিক ব্যাধি। প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (র.) বলেছেন: “জিহ্বা হলো হৃদয়ের প্রতিনিধি। যার অন্তর পরিষ্কার, তার বাক্যাংশ ও আচরণও হবে মার্জিত ও সত্যনির্ভর।”
পশ্চিমা চিন্তাবিদ মার্ক টোয়েন যথার্থই বলেছিলেন, “সত্য যখন জুতো পরা শুরু করে, মিথ্যা ততক্ষণে অর্ধেক পৃথিবী ঘুরে ফেলে।” বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এই সত্য আরও প্রকট। তথ্য যাচাইয়ের ন্যূনতম সংস্কৃতি গড়ে না উঠলে সমাজের সৎ ও দায়িত্বশীল মানুষরাই বারবার এভাবে বলির পাঁঠা হবেন।

এই বিষয়ে নিরপেক্ষ আলোচনার জন্য উজ্জীবিত বাংলাদেশ // Ujjibito Bangladesh এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এম. রাসেল আমীণ সম্রাট সাহেবের আলোচনা করলে তিনি বলেন, কেউ কোন অপরাধ করলে আইনের আশ্রয় নেয়ার পর যদি অপরাধী হিসেবে গণ্য হয়। তখন তা মিডিয়ায় প্রচার করা ঠিক আছে। অন্যস্থায় যদি কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সরাসরি অপরাধী হিসেবে প্রচার করে। তবে ধরে নিতে হবে তারা হলুদ সাংবাদিক। তাদেরকে সরকার শক্ত হাতে দমন করা উচিত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে কোনো ব্যক্তি বা পেশাজীবীর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটানো বা মিথ্যা অপপ্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা একটি বড় ধরনের সামাজিক অপরাধ। সাংবাদিক মোঃ আয়াত উল্যার ক্ষেত্রে যা ঘটেছে, তা সমাজে তথ্য যাচাইয়ের অভাব এবং গুজবপ্রিয়তার এক অনাকাঙ্ক্ষিত উদাহরণ। ধর্মীয় অনুশাসন, সামাজিক মূল্যবোধ এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে যেকোনো সংবাদ প্রচারের আগে সত্যতা নিশ্চিত করা এবং অন্যের আমানত ও সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব।

সুতরাং সাংবাদিক হয়রানি বন্ধ হোক। ঐক্যবদ্ধ হোক সকল কলমসৈনিক।