1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বড়লেখায় বহিরাগত ভাড়াটিয়া কিশোরগ্যাংয়ের হামলায় স্থানীয় যুবক মৃত্যু শয্যায়

জাহিদ হাসান জাবেদ, বড়লেখা প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৫

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বহিরাগতদের কিশোরগ্যাংয়ের সন্ত্রাসী হামলায় স্থানীয় ১ কিশোর,আহত এবং ১ যুবক
এখন মৃত্যু শয্যায়।

স্থানীয় সূত্র ও মৃত্যু শয্যায় থাকা গুরুতর আহত যুবকের পারিবারীক সদস্যদের কাছ হত জানা যায়–
গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টার দিকে খছরু মিয়ার হোটেলে স্থানীয় এক কাষ্টমারের কাছে বকেয়া পাওনা মাত্র ৩০ টাকার বিষয়কে কেন্দ্র করে উক্ত ঘটনা ঘটে।
আরো জানা যায় বড়লেখা টু শাহবাজপুর মেইন রোডের বড়লেখা পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের আওতাধীন উত্তর চৌমুহনী হতে সামান্য কিছু দুরে Cng সিলিং গ্যাস পাম্প সংলঘ্ন উক্ত হোটেলটা দীর্ঘদিন ধরে অবস্থিত।

মেইন রাস্তার পাশে সরকারী জায়গা দখল করে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে উক্ত হোটেলটা পরিচালনা করে আসতেছে বহিরাগত
কিশোরগ্যাংয়ের গড ফাদর খছরু মিয়া।আর উক্ত হোটেলে বাহিরের কোন কর্মচারী কাজ করতেননা।কারন খছুরু মিয়ার বাহিনীতে যারা ছিলো তাদের নিয়েই খছরু মিয়া হোটেল পরিচালনা করতেন।এমনকি আশপাশে আর কোন হোটেল না থাকায় অত্র এলাকার স্থানীয় ও বহিরাগত সকলেরই আনাগোনা যাতায়াত ছিলো উক্ত হোটেলে।বড়লেখায় এসে প্রথমে খছরু মিয়া ঠেলা,রিক্সা চালিয়েছেন,কিন্তুু হঠাৎ করে রাতারাতি কিভাবে এত পরিবর্তন হয়ে গেলেন,তা নিয়েও ভাবনায় রয়েছেন স্থানীওরা।

আহত মুন্নার মায়ের মুখ থেকে জানা যায় উনার ছোট ছেলে বাবলা উক্ত হোটেলের পাশে সি,এনজি গ্যাস পাম্পে চাকরী করে।আর সেই সুবাধে বাবলা সর্বদাই উক্ত হোটেলে চা খেতে যায়।সেদিন বাবলা উক্ত হোটেলে চা খেতে যাওয়ার পর খছরু মিয়ার ছেলে বাবলার কাছে পাওনা ৩০ টাকা চায়।
এক পর্যায়ে বাবলা বলেন উক্ত টাকা আমি তুমার বাবাকে দিয়ে দিয়েছি।কিন্তুু খছরু মিয়ার ছেলে বলে আমার কাছে বাকিতে খেয়েছো আমার টাকা আমাকে দেও।এমন সব কথা বার্তার এক পর্যায়ে বাবলা ও খছরু মিয়ার ছেলের সাথে বাক বিতন্ডা ও তর্কা,তর্কি শুরু হয়।

পরে সেখানকার স্থানীয় গন্যমান্য দুজন ব্যাক্তির মাধ্যমে বিষয়টা সেখানেই সমাধান করে দেওয়া হয়।
কিন্তুু বিষয়টা সমাধানের পরও গত (২২সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টার সময় হঠাৎ করে হোটেল মালিক খছরু মিয়া তার ৪ ছেলে, ভাই,ভাতিজা,
মেয়ের জামাই,শালীর জামাই,
বেয়াইন,বেয়াইসহ দেশীয় অস্ত্র
নিয়ে পাশবর্তীসি,এনজি,সিলিং
গ্যাস পাম্পে চাকরীত বাবলার উপর গিয়ে চড়াও হন।

খবর পেয়ে বাবলার বড় ভাই সাইফুর রহমান মুন্না এগিয়ে আসলে খছরু বাহিনীর এলোপাতারী আক্রোমন শুরু হয়।এক পর্যায়ে খছরু বাহিনীর হাতে মুন্না মাথায় আঘাত পেয়ে গুরুতর জখম হন।তার মাথায় ৮ টা সেলাই লেগেছে।বর্তমানে মুন্না সিলেট,
এম,এ জি ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভূক্তভোগী আহত ২ জনই বড়লেখা পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসীন্দা সাবুল উদ্দিনের ছেলে।

এমন নৃশংস ঘটনা দেখে ও শুনে বড়লেখার স্থানীয় মানুষেরা হতবাক হয়ে গেছেন,এবং নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।ভূক্তভোগী বড়লেখা পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের স্তানীয় বাসীন্দা বাবলা ও মুন্নার পরিবার স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও প্রশাসনে প্রতি সন্মান জানিয়ে উক্ত ঘটনার সঠিক তদন্ত ও ন্যায় বিচার কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১০:১৯:০০ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

বড়লেখায় বহিরাগত ভাড়াটিয়া কিশোরগ্যাংয়ের হামলায় স্থানীয় যুবক মৃত্যু শয্যায়

আপডেট সময় : ১০:১৯:০০ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৫

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বহিরাগতদের কিশোরগ্যাংয়ের সন্ত্রাসী হামলায় স্থানীয় ১ কিশোর,আহত এবং ১ যুবক
এখন মৃত্যু শয্যায়।

স্থানীয় সূত্র ও মৃত্যু শয্যায় থাকা গুরুতর আহত যুবকের পারিবারীক সদস্যদের কাছ হত জানা যায়–
গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টার দিকে খছরু মিয়ার হোটেলে স্থানীয় এক কাষ্টমারের কাছে বকেয়া পাওনা মাত্র ৩০ টাকার বিষয়কে কেন্দ্র করে উক্ত ঘটনা ঘটে।
আরো জানা যায় বড়লেখা টু শাহবাজপুর মেইন রোডের বড়লেখা পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের আওতাধীন উত্তর চৌমুহনী হতে সামান্য কিছু দুরে Cng সিলিং গ্যাস পাম্প সংলঘ্ন উক্ত হোটেলটা দীর্ঘদিন ধরে অবস্থিত।

মেইন রাস্তার পাশে সরকারী জায়গা দখল করে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে উক্ত হোটেলটা পরিচালনা করে আসতেছে বহিরাগত
কিশোরগ্যাংয়ের গড ফাদর খছরু মিয়া।আর উক্ত হোটেলে বাহিরের কোন কর্মচারী কাজ করতেননা।কারন খছুরু মিয়ার বাহিনীতে যারা ছিলো তাদের নিয়েই খছরু মিয়া হোটেল পরিচালনা করতেন।এমনকি আশপাশে আর কোন হোটেল না থাকায় অত্র এলাকার স্থানীয় ও বহিরাগত সকলেরই আনাগোনা যাতায়াত ছিলো উক্ত হোটেলে।বড়লেখায় এসে প্রথমে খছরু মিয়া ঠেলা,রিক্সা চালিয়েছেন,কিন্তুু হঠাৎ করে রাতারাতি কিভাবে এত পরিবর্তন হয়ে গেলেন,তা নিয়েও ভাবনায় রয়েছেন স্থানীওরা।

আহত মুন্নার মায়ের মুখ থেকে জানা যায় উনার ছোট ছেলে বাবলা উক্ত হোটেলের পাশে সি,এনজি গ্যাস পাম্পে চাকরী করে।আর সেই সুবাধে বাবলা সর্বদাই উক্ত হোটেলে চা খেতে যায়।সেদিন বাবলা উক্ত হোটেলে চা খেতে যাওয়ার পর খছরু মিয়ার ছেলে বাবলার কাছে পাওনা ৩০ টাকা চায়।
এক পর্যায়ে বাবলা বলেন উক্ত টাকা আমি তুমার বাবাকে দিয়ে দিয়েছি।কিন্তুু খছরু মিয়ার ছেলে বলে আমার কাছে বাকিতে খেয়েছো আমার টাকা আমাকে দেও।এমন সব কথা বার্তার এক পর্যায়ে বাবলা ও খছরু মিয়ার ছেলের সাথে বাক বিতন্ডা ও তর্কা,তর্কি শুরু হয়।

পরে সেখানকার স্থানীয় গন্যমান্য দুজন ব্যাক্তির মাধ্যমে বিষয়টা সেখানেই সমাধান করে দেওয়া হয়।
কিন্তুু বিষয়টা সমাধানের পরও গত (২২সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টার সময় হঠাৎ করে হোটেল মালিক খছরু মিয়া তার ৪ ছেলে, ভাই,ভাতিজা,
মেয়ের জামাই,শালীর জামাই,
বেয়াইন,বেয়াইসহ দেশীয় অস্ত্র
নিয়ে পাশবর্তীসি,এনজি,সিলিং
গ্যাস পাম্পে চাকরীত বাবলার উপর গিয়ে চড়াও হন।

খবর পেয়ে বাবলার বড় ভাই সাইফুর রহমান মুন্না এগিয়ে আসলে খছরু বাহিনীর এলোপাতারী আক্রোমন শুরু হয়।এক পর্যায়ে খছরু বাহিনীর হাতে মুন্না মাথায় আঘাত পেয়ে গুরুতর জখম হন।তার মাথায় ৮ টা সেলাই লেগেছে।বর্তমানে মুন্না সিলেট,
এম,এ জি ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভূক্তভোগী আহত ২ জনই বড়লেখা পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসীন্দা সাবুল উদ্দিনের ছেলে।

এমন নৃশংস ঘটনা দেখে ও শুনে বড়লেখার স্থানীয় মানুষেরা হতবাক হয়ে গেছেন,এবং নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।ভূক্তভোগী বড়লেখা পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের স্তানীয় বাসীন্দা বাবলা ও মুন্নার পরিবার স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও প্রশাসনে প্রতি সন্মান জানিয়ে উক্ত ঘটনার সঠিক তদন্ত ও ন্যায় বিচার কামনা করেছেন।