1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদি নিরাপত্তায় জরুরি বৈঠকে বসছেন তুরস্ক-পাকিস্তানের সামরিক প্রধানরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৯

ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে তীব্র লড়াই এবং সৌদি আরবে একের পর এক হামলার মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সামরিক প্রধানরা জরুরি বৈঠকে বসার পরিকল্পনা করেছেন। মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে কীভাবে সামরিক সহায়তা দেওয়া যায়, বৈঠকে তা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের পর এ পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। বৈঠকে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান অংশ নেন।

তবে তিন দেশের সামরিক প্রধানরা কবে বৈঠকে বসবেন এবং সৌদি আরবকে কী ধরনের সহায়তা দেওয়া হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় প্রস্তুতি

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান গত ৭ আগস্ট ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। চুক্তির লক্ষ্য তিন দেশের সম্মিলিত প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা।

চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারা অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

গত ৩১ আগস্ট ইস্তাম্বুলে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক প্রধানরা প্রথমবার কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির বৈঠকে বসেন। ওই বৈঠকে সৌদি আরবে একটি সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত হয়।

ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাতের মধ্যে সামরিক নেতৃত্বের সম্ভাব্য বৈঠককে সেই প্রতিরক্ষা কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সৌদিতে হামলা, হুতিদের পাল্টা দাবি

তিন দেশের কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যে সৌদি আরব জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বৃহস্পতিবার তাইফ ও ইয়ানবুর দিকে ছোড়া ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছেন, হুতিদের আরও হামলা বা উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা ‘দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা’ করা হবে।

অন্যদিকে হুতিরা দাবি করেছে, তারা রিয়াদের একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু’ এবং ইয়ানবুতে সৌদি আরামকোর স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তবে এসব হামলায় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

সৌদির পাশে ফ্রান্সও

সৌদি আরবকে সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্সও। দেশটির প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, ইয়ানবু রক্ষায় ফ্রান্স সামরিক সরঞ্জাম ও জনবল পাঠাবে।

টিএফ১ টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, স্থাপনাটি সুরক্ষিত রাখতে সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানো হবে।

ইয়েমেনে এক দিনে নিহত ১৫০

সৌদি সীমান্তে হামলার পাশাপাশি ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায়ও লড়াই তীব্র হয়েছে। এএফপির হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় সংঘর্ষে অন্তত ১৫০ জন নিহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের পক্ষে লড়াই করা ৯৮ জন এবং হুতিদের ৫২ জন যোদ্ধা রয়েছেন বলে এএফপি জানিয়েছে।

কাহবুব পর্বতমালা এবং বাব আল-মানদেব প্রণালির দিকে লাহিজ ও তাইজের মধ্যবর্তী বিভিন্ন এলাকায় এসব সংঘর্ষ হয়েছে।

বাব আল-মানদেবে বাড়ছে উদ্বেগ

লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকায় হুতিদের উপস্থিতি আরও বিস্তৃত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। মোখা বন্দরনগরী ও কয়েকটি কৌশলগত দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবিও করেছে তারা।

এর ফলে বাব আল-মানদেব প্রণালির আশপাশে হুতিদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এপি জানিয়েছে, স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট বাণিজ্যের প্রায় ১২ শতাংশ এই নৌপথ দিয়ে চলাচল করে।

ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারও এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ আবদুলকাদের আল-আলিমি-বাওজার বলেন, বাব আল-মানদেব এলাকায় হুতিদের নিয়ন্ত্রণ বৃহত্তর অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে।

সেপ্টেম্বরে ঘরছাড়া ২ লাখ ৩০ হাজারের বেশি

সংঘাত তীব্র হওয়ার পাশাপাশি ইয়েমেনের মানবিক পরিস্থিতিও অবনতি হচ্ছে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে নতুন করে ২ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।

ইয়েমেনে আগে থেকেই প্রায় ৫২ লাখ মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছে। হোদেইদা, তাইজ, লাহিজ, এডেন, আবিয়ান, মারিব, আল-দালেয়া ও শাবওয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের কারণে নতুন করে পরিবারগুলো বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

আশ্রয়, খাবার, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা ও নিরাপত্তার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সৌদি আরবকে ঘিরে হুতিদের হামলা, ইয়েমেনে তীব্র লড়াই এবং বাব আল-মানদেবের কৌশলগত গুরুত্ব—সব মিলিয়ে সংঘাতটি আরও বিস্তৃত আঞ্চলিক সংকটের রূপ নিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্বের সম্ভাব্য বৈঠক আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

সূত্র: আল-জাজিরা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৪:২৪:২৪ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

সৌদি নিরাপত্তায় জরুরি বৈঠকে বসছেন তুরস্ক-পাকিস্তানের সামরিক প্রধানরা

আপডেট সময় : ০৪:২৪:২৪ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৯

ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে তীব্র লড়াই এবং সৌদি আরবে একের পর এক হামলার মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সামরিক প্রধানরা জরুরি বৈঠকে বসার পরিকল্পনা করেছেন। মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে কীভাবে সামরিক সহায়তা দেওয়া যায়, বৈঠকে তা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের পর এ পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। বৈঠকে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান অংশ নেন।

তবে তিন দেশের সামরিক প্রধানরা কবে বৈঠকে বসবেন এবং সৌদি আরবকে কী ধরনের সহায়তা দেওয়া হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় প্রস্তুতি

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান গত ৭ আগস্ট ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। চুক্তির লক্ষ্য তিন দেশের সম্মিলিত প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা।

চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারা অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

গত ৩১ আগস্ট ইস্তাম্বুলে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক প্রধানরা প্রথমবার কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির বৈঠকে বসেন। ওই বৈঠকে সৌদি আরবে একটি সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত হয়।

ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাতের মধ্যে সামরিক নেতৃত্বের সম্ভাব্য বৈঠককে সেই প্রতিরক্ষা কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সৌদিতে হামলা, হুতিদের পাল্টা দাবি

তিন দেশের কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যে সৌদি আরব জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বৃহস্পতিবার তাইফ ও ইয়ানবুর দিকে ছোড়া ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছেন, হুতিদের আরও হামলা বা উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা ‘দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা’ করা হবে।

অন্যদিকে হুতিরা দাবি করেছে, তারা রিয়াদের একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু’ এবং ইয়ানবুতে সৌদি আরামকোর স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তবে এসব হামলায় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

সৌদির পাশে ফ্রান্সও

সৌদি আরবকে সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্সও। দেশটির প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, ইয়ানবু রক্ষায় ফ্রান্স সামরিক সরঞ্জাম ও জনবল পাঠাবে।

টিএফ১ টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, স্থাপনাটি সুরক্ষিত রাখতে সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানো হবে।

ইয়েমেনে এক দিনে নিহত ১৫০

সৌদি সীমান্তে হামলার পাশাপাশি ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায়ও লড়াই তীব্র হয়েছে। এএফপির হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় সংঘর্ষে অন্তত ১৫০ জন নিহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের পক্ষে লড়াই করা ৯৮ জন এবং হুতিদের ৫২ জন যোদ্ধা রয়েছেন বলে এএফপি জানিয়েছে।

কাহবুব পর্বতমালা এবং বাব আল-মানদেব প্রণালির দিকে লাহিজ ও তাইজের মধ্যবর্তী বিভিন্ন এলাকায় এসব সংঘর্ষ হয়েছে।

বাব আল-মানদেবে বাড়ছে উদ্বেগ

লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকায় হুতিদের উপস্থিতি আরও বিস্তৃত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। মোখা বন্দরনগরী ও কয়েকটি কৌশলগত দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবিও করেছে তারা।

এর ফলে বাব আল-মানদেব প্রণালির আশপাশে হুতিদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এপি জানিয়েছে, স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট বাণিজ্যের প্রায় ১২ শতাংশ এই নৌপথ দিয়ে চলাচল করে।

ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারও এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ আবদুলকাদের আল-আলিমি-বাওজার বলেন, বাব আল-মানদেব এলাকায় হুতিদের নিয়ন্ত্রণ বৃহত্তর অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে।

সেপ্টেম্বরে ঘরছাড়া ২ লাখ ৩০ হাজারের বেশি

সংঘাত তীব্র হওয়ার পাশাপাশি ইয়েমেনের মানবিক পরিস্থিতিও অবনতি হচ্ছে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে নতুন করে ২ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।

ইয়েমেনে আগে থেকেই প্রায় ৫২ লাখ মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছে। হোদেইদা, তাইজ, লাহিজ, এডেন, আবিয়ান, মারিব, আল-দালেয়া ও শাবওয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের কারণে নতুন করে পরিবারগুলো বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

আশ্রয়, খাবার, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা ও নিরাপত্তার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সৌদি আরবকে ঘিরে হুতিদের হামলা, ইয়েমেনে তীব্র লড়াই এবং বাব আল-মানদেবের কৌশলগত গুরুত্ব—সব মিলিয়ে সংঘাতটি আরও বিস্তৃত আঞ্চলিক সংকটের রূপ নিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্বের সম্ভাব্য বৈঠক আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

সূত্র: আল-জাজিরা