1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্যার তাণ্ডবে অচল সাতকানিয়ার ঢেমশা হাঙরমুখ সড়ক, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

মোহাম্মদ আমানত হোসাইন, সাতকানিয়া প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৮

বন্যার পর দীর্ঘদিন পার হলেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ না থাকায় সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়ন এর ঢেমশা হাঙরমুখ সড়ক। ফলে প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন হাজার হাজার স্থানীয় বাসিন্দা। বিশেষ করে ঢেমশা ইউনিয়নের কালি মন্দির থেকে কার্তিকের দোকান পর্যন্ত প্রায় অর্ধ কিলোমিটার অংশের বেহাল দশায় ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন এলাকাবাসী।
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। এলাকার স্বনামধন্য স্কুল ও কলেজের শত শত শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই পথেই যাতায়াত করে থাকে। তবে বর্তমানে সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে যানবাহন তো দূরের কথা, হেঁটে চলাচলেও চরম ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করতে গিয়ে প্রতিদিন অন্তত ১ ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় অপচয় হচ্ছে শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীদের।
​সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে। বিকল্প দীর্ঘ পথ ঘুরে হাসপাতালে পৌঁছাতে অতিরিক্ত প্রায় ৩ ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে, যা যেকোনো মুহূর্তে রোগীর জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।
​সড়কটির করুণ চিত্র দেখে তীব্র ক্ষোভ ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন ঢেমশা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আল হিশাম মোহাম্মদ জাবেদ। তিনি বলেন, “রাস্তাটি অচল হয়ে পড়ায় মানুষের সীমাহীন কষ্ট ও দুঃখ দেখে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। আমাদের কাজ কি শুধু রাষ্ট্রকে ট্যাক্স দিয়ে যাওয়া? রাস্তাঘাটের এই চরম বেহাল অবস্থার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কি কোনো দায়িত্ব নেই? একজন জরুরি রোগীকে হাসপাতালে নিতে যদি অন্য রোড দিয়ে ৩ ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় লাগে, তবে এত সময়ে তো রোগী পথেই মারা যেতে পারে!”
​দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি নিরসনে এবং বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই কালি মন্দির থেকে কার্তিকের দোকান পর্যন্ত এলাকা দ্রুত সংস্কারের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:০৭:০৬ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

বন্যার তাণ্ডবে অচল সাতকানিয়ার ঢেমশা হাঙরমুখ সড়ক, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

আপডেট সময় : ০৮:০৭:০৬ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৮

বন্যার পর দীর্ঘদিন পার হলেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ না থাকায় সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়ন এর ঢেমশা হাঙরমুখ সড়ক। ফলে প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন হাজার হাজার স্থানীয় বাসিন্দা। বিশেষ করে ঢেমশা ইউনিয়নের কালি মন্দির থেকে কার্তিকের দোকান পর্যন্ত প্রায় অর্ধ কিলোমিটার অংশের বেহাল দশায় ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন এলাকাবাসী।
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। এলাকার স্বনামধন্য স্কুল ও কলেজের শত শত শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই পথেই যাতায়াত করে থাকে। তবে বর্তমানে সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে যানবাহন তো দূরের কথা, হেঁটে চলাচলেও চরম ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করতে গিয়ে প্রতিদিন অন্তত ১ ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় অপচয় হচ্ছে শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীদের।
​সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে। বিকল্প দীর্ঘ পথ ঘুরে হাসপাতালে পৌঁছাতে অতিরিক্ত প্রায় ৩ ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে, যা যেকোনো মুহূর্তে রোগীর জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।
​সড়কটির করুণ চিত্র দেখে তীব্র ক্ষোভ ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন ঢেমশা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আল হিশাম মোহাম্মদ জাবেদ। তিনি বলেন, “রাস্তাটি অচল হয়ে পড়ায় মানুষের সীমাহীন কষ্ট ও দুঃখ দেখে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। আমাদের কাজ কি শুধু রাষ্ট্রকে ট্যাক্স দিয়ে যাওয়া? রাস্তাঘাটের এই চরম বেহাল অবস্থার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কি কোনো দায়িত্ব নেই? একজন জরুরি রোগীকে হাসপাতালে নিতে যদি অন্য রোড দিয়ে ৩ ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় লাগে, তবে এত সময়ে তো রোগী পথেই মারা যেতে পারে!”
​দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি নিরসনে এবং বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই কালি মন্দির থেকে কার্তিকের দোকান পর্যন্ত এলাকা দ্রুত সংস্কারের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।