1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সালামি-টিউবওয়েলের টাকা না দিয়ে দোকান ছাড়তে নোটিশ, ইউএনও ও উপ-পরিচালকের কাছে সাংবাদিকের লিখিত অভিযোগ

মোঃ আমির হোসাইন ছাদেকী, আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৪

সালামি ও টিউবওয়েলের টাকা ফেরত না দিয়ে দোকান ছাড়তে নোটিশ দেওয়ার অভিযোগে আলীকদম উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং বান্দরবান স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক মোঃ আমির হোসাইন ছাদেকী।

অভিযোগে আলীকদম উপজেলার ২নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে প্রায় ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা আত্মসাৎ, প্রতারণা ও সাংবাদিককে হয়রানির অভিযোগ আনা হয়েছে। মঙ্গলবার তিনি পৃথকভাবে এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৭ নভেম্বর তৎকালীন চেয়ারম্যান জনাব ফেরদৌস রহমানের সাথে মৌখিক সম্মতির ভিত্তিতে ইউপি মালিকানাধীন একটি কক্ষ দোকান হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি পান। চুক্তি অনুযায়ী দোকান প্রস্তুতের ব্যয় বাবদ ৪৯,২৫০/- টাকা সালামি এবং মাসিক ৮০০/- টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়। সেই অনুযায়ী তিনি নিজ অর্থায়নে দোকান প্রস্তুত করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।

অভিযোগে বলা হয়, বর্তমান চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন দায়িত্ব নেওয়ার পর তার বড় ভাই মুনির ছাদেকীকে ইউপির উদ্যোক্তা হিসেবে নিয়োগ দেন। সে সময় চেয়ারম্যান উদ্যোক্তার আয় থেকে বিভিন্ন কাজ দেখিয়ে সর্বমোট ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭০০/- টাকা কর্তন করেন। এর মধ্যে দোকান ভাড়া বাবদ এবং ২৫% উদ্যোক্তার আয় থেকে পাওনা বাবদ টাকা কেটে রাখলেও বকেয়া টাকা আজ পর্যন্ত ফেরত দেননি।

অভিযোগকারী আরও উল্লেখ করেন, প্রায় দেড় বছর আগে চেয়ারম্যান ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য তার কাছ থেকে ১,০০০/- টাকা এবং ডিপ টিউবওয়েল, মোটর ও ১০০০ লিটার ট্যাংকি দেওয়ার কথা বলে ২১,০০০/- টাকা নেন। পাশের দোকানদারের কাছ থেকেও ২০,০০০/- টাকা নেওয়া হয়। কিন্তু অদ্যাবধি টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়নি বা টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি। তার দাবি, একইভাবে আরও অন্তত ১০টি পরিবারের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে।

লিখিত চুক্তিপত্র করার জন্য একাধিকবার ইউপি সচিবের কাছে গেলেও চেয়ারম্যানের নির্দেশের অভাবে তা হয়নি বলে অভিযোগে বলা হয়। গত ২৪ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালকের আকস্মিক পরিদর্শনকালে পরিষদের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে বিভিন্নভাবে আনঅফিসিয়ালি হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। নিরাপত্তার জন্য ২৫ সেপ্টেম্বর তিনি আলীকদম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এর ধারাবাহিকতায় ২৮ সেপ্টেম্বর চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরিত ৪৬.০.০৩০৪.০৮০.১১.০০১.২৬-৯৯ নম্বর স্মারকে তাকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে বকেয়া ভাড়া পরিশোধ করে দোকান ত্যাগের নোটিশ দেওয়া হয়। একইভাবে পাশের দোকানদারকেও পৃথক স্মারকে একইভাবে নোটিশ দেওয়া হয়। ওই নোটিশে তার প্রদত্ত ৪৯,২৫০/- টাকা সালামির কোনো উল্লেখ নেই।

অভিযোগকারী ইউএনও ও উপ-পরিচালকের কাছে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, তার প্রদত্ত সালামি ও অন্যান্য অর্থ ফেরত এবং হয়রানি মুক্ত করে দোকান পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীনের সাথে যোগাযোগ করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৬:৫৩ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

সালামি-টিউবওয়েলের টাকা না দিয়ে দোকান ছাড়তে নোটিশ, ইউএনও ও উপ-পরিচালকের কাছে সাংবাদিকের লিখিত অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:৪৬:৫৩ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪

সালামি ও টিউবওয়েলের টাকা ফেরত না দিয়ে দোকান ছাড়তে নোটিশ দেওয়ার অভিযোগে আলীকদম উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং বান্দরবান স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক মোঃ আমির হোসাইন ছাদেকী।

অভিযোগে আলীকদম উপজেলার ২নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে প্রায় ১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা আত্মসাৎ, প্রতারণা ও সাংবাদিককে হয়রানির অভিযোগ আনা হয়েছে। মঙ্গলবার তিনি পৃথকভাবে এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৭ নভেম্বর তৎকালীন চেয়ারম্যান জনাব ফেরদৌস রহমানের সাথে মৌখিক সম্মতির ভিত্তিতে ইউপি মালিকানাধীন একটি কক্ষ দোকান হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি পান। চুক্তি অনুযায়ী দোকান প্রস্তুতের ব্যয় বাবদ ৪৯,২৫০/- টাকা সালামি এবং মাসিক ৮০০/- টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়। সেই অনুযায়ী তিনি নিজ অর্থায়নে দোকান প্রস্তুত করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।

অভিযোগে বলা হয়, বর্তমান চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন দায়িত্ব নেওয়ার পর তার বড় ভাই মুনির ছাদেকীকে ইউপির উদ্যোক্তা হিসেবে নিয়োগ দেন। সে সময় চেয়ারম্যান উদ্যোক্তার আয় থেকে বিভিন্ন কাজ দেখিয়ে সর্বমোট ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭০০/- টাকা কর্তন করেন। এর মধ্যে দোকান ভাড়া বাবদ এবং ২৫% উদ্যোক্তার আয় থেকে পাওনা বাবদ টাকা কেটে রাখলেও বকেয়া টাকা আজ পর্যন্ত ফেরত দেননি।

অভিযোগকারী আরও উল্লেখ করেন, প্রায় দেড় বছর আগে চেয়ারম্যান ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য তার কাছ থেকে ১,০০০/- টাকা এবং ডিপ টিউবওয়েল, মোটর ও ১০০০ লিটার ট্যাংকি দেওয়ার কথা বলে ২১,০০০/- টাকা নেন। পাশের দোকানদারের কাছ থেকেও ২০,০০০/- টাকা নেওয়া হয়। কিন্তু অদ্যাবধি টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়নি বা টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি। তার দাবি, একইভাবে আরও অন্তত ১০টি পরিবারের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে।

লিখিত চুক্তিপত্র করার জন্য একাধিকবার ইউপি সচিবের কাছে গেলেও চেয়ারম্যানের নির্দেশের অভাবে তা হয়নি বলে অভিযোগে বলা হয়। গত ২৪ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালকের আকস্মিক পরিদর্শনকালে পরিষদের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে বিভিন্নভাবে আনঅফিসিয়ালি হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। নিরাপত্তার জন্য ২৫ সেপ্টেম্বর তিনি আলীকদম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এর ধারাবাহিকতায় ২৮ সেপ্টেম্বর চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরিত ৪৬.০.০৩০৪.০৮০.১১.০০১.২৬-৯৯ নম্বর স্মারকে তাকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে বকেয়া ভাড়া পরিশোধ করে দোকান ত্যাগের নোটিশ দেওয়া হয়। একইভাবে পাশের দোকানদারকেও পৃথক স্মারকে একইভাবে নোটিশ দেওয়া হয়। ওই নোটিশে তার প্রদত্ত ৪৯,২৫০/- টাকা সালামির কোনো উল্লেখ নেই।

অভিযোগকারী ইউএনও ও উপ-পরিচালকের কাছে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, তার প্রদত্ত সালামি ও অন্যান্য অর্থ ফেরত এবং হয়রানি মুক্ত করে দোকান পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীনের সাথে যোগাযোগ করা হয়নি।