দিল্লিতে আটক মমতা ব্যানার্জি, নেওয়া হচ্ছে অজ্ঞাত স্থানে
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জিকে আটক করেছে পুলিশ। বেআইনিভাবে জমায়েতের অভিযোগে শনিবার (১০ অক্টোবর) তাঁকে আটক করা হয় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
শনিবার দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউয়ে নিজের বাসভবনের সামনে ধর্নায় বসেছিলেন মমতা ব্যানার্জি। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা দোলা সেন ও ডেরেক ও’ব্রায়েনসহ অন্যরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের ধর্না প্রত্যাহার করে সেখান থেকে সরে যেতে বলে। তবে তাঁরা অবস্থান চালিয়ে গেলে মমতাসহ দলটির নেতাকর্মীদের আটক করা হয়।
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আটক নেতাদের একটি প্রিজন ভ্যানে করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এর মধ্যেই মমতা ব্যানার্জিসহ তৃণমূল নেতাদের আটকের ঘটনা ঘটল।
এর আগে শনিবার সকাল ১০টার দিকে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দেয় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির দাবি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ করতে হবে। দিল্লি পুলিশ কর্মসূচিটির অনুমতি না দিলেও নির্ধারিত সময়েই বিক্ষোভ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছিল দলটি।
কর্মসূচিতে যোগ দিতে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ, সৌরভ ও আশুতোষ মুম্বাই থেকে উড়োজাহাজে নয়াদিল্লি আসেন। স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১৯ মিনিটে তাঁদের ফ্লাইট অবতরণ করে। এরপর বিমান থেকেই তাঁদের আটক করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিজেপির সদস্য অভিজিৎ দীপক নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে আটকের ঘটনাটি সরাসরি সম্প্রচার করেন। ভিডিওতে দিল্লি পুলিশের সদস্যদের বিমানের ভেতরে প্রবেশ করে তাঁকে এবং দলের অন্য সদস্য সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করে নিয়ে যেতে দেখা যায়।
দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনবিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার এবং একাধিক রাজনৈতিক নেতাকে আটকের ঘটনায় রাজধানীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।



























