1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৪:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জ শিক্ষিকা ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

লুৎফর সিকদার, গোপালগঞ্জ
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১০

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম মাহাতাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় ওই নারী গোপালগঞ্জ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। পরে আদালতের নির্দেশে গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ মামলাটি এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করেছে।

মামলার বাদী ওই নারী মুকসুদপুর উপজেলার ঝুটিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষিকা। তিনি প্রায় ৫ মাস আগে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন।

অভিযুক্ত এস এম মাহাতাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ডুবশি গ্রামের এস এম আকবার হোসেনের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে মাহাতাব উদ্দিনের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে মাহাতাব উদ্দিন শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিলে ওই নারী বিয়ের শর্ত দেন। গত ১১ সেপ্টেম্বর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা বলে ওই নারীকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন মাহাতাব উদ্দিন। সেখানে গিয়ে ওই নারী বাড়িতে কাউকে দেখতে পাননি। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মাহাতাব উদ্দিন তার সঙ্গে শারীরিক মেলামেশা করেন। পরের দিন তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় মাহাতাব উদ্দিন ওই নারীর বাবার বাড়িতে গিয়ে একাধিকবার শারীরিক মেলামেশা করেন। সর্বশেষ গত ২ অক্টোবর ওই নারী বিয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত করতে চাইলে মাহাতাব উদ্দিন তাদের সম্পর্ক ও বিয়ের প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করেন। পরে নিরুপায় হয়ে ওই নারী আদালতে গিয়ে মামলা করেন।

অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম মাহাতাব উদ্দিনের বক্তব্য নিতে তার মুঠোফোনে কল দিয়ে সাংবাদিক পরিচয় দিতেই অপর প্রান্ত থেকে বলা হয়, ‘আমি মাহাতাব নই। তিনি ফোন রেখে বাইরে গেছেন।’

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জ শিক্ষিকা ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ০৮:১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
১০

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম মাহাতাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় ওই নারী গোপালগঞ্জ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। পরে আদালতের নির্দেশে গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ মামলাটি এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করেছে।

মামলার বাদী ওই নারী মুকসুদপুর উপজেলার ঝুটিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষিকা। তিনি প্রায় ৫ মাস আগে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন।

অভিযুক্ত এস এম মাহাতাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ডুবশি গ্রামের এস এম আকবার হোসেনের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে মাহাতাব উদ্দিনের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে মাহাতাব উদ্দিন শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিলে ওই নারী বিয়ের শর্ত দেন। গত ১১ সেপ্টেম্বর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা বলে ওই নারীকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন মাহাতাব উদ্দিন। সেখানে গিয়ে ওই নারী বাড়িতে কাউকে দেখতে পাননি। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মাহাতাব উদ্দিন তার সঙ্গে শারীরিক মেলামেশা করেন। পরের দিন তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় মাহাতাব উদ্দিন ওই নারীর বাবার বাড়িতে গিয়ে একাধিকবার শারীরিক মেলামেশা করেন। সর্বশেষ গত ২ অক্টোবর ওই নারী বিয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত করতে চাইলে মাহাতাব উদ্দিন তাদের সম্পর্ক ও বিয়ের প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করেন। পরে নিরুপায় হয়ে ওই নারী আদালতে গিয়ে মামলা করেন।

অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম মাহাতাব উদ্দিনের বক্তব্য নিতে তার মুঠোফোনে কল দিয়ে সাংবাদিক পরিচয় দিতেই অপর প্রান্ত থেকে বলা হয়, ‘আমি মাহাতাব নই। তিনি ফোন রেখে বাইরে গেছেন।’

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।