1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৪:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশ, আশ্রয়ে ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৮

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও পুদুচেরির ইয়ানাম উপকূলের কাছাকাছি দিয়ে বুধবার ভোরে স্থলভাগে আঘাত হেনেছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ভারী বৃষ্টি, ঝোড়ো হাওয়া, বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে ১ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রে বাতাসের একটানা গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠছিল। বুধবার সকালেও ঝড়ের কেন্দ্র উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করায় আরও কয়েক ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা ছিল।

আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাতলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশের পর উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়বে। তবে এর প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশ ও প্রতিবেশী ওড়িশায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।

দুই রাজ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি

বার্তা সংস্থা এপি ও এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশায় মোট ১ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের ২০টি জেলার জন্য দুই হাজারের বেশি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া মাছ ধরার ৩০ হাজারের বেশি নৌযান নিরাপদ স্থানে সরিয়ে রাখা হয়েছে। জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রায় ১ হাজার ১০০টি চিকিৎসা দল মোতায়েন করা হয়েছে।

অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার পাশাপাশি শিশু, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ও অন্তঃসত্ত্বা নারীদের বিশেষ সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

উপকূলে ভারী বৃষ্টি, বিদ্যুৎ বিপর্যয়

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বুধবার ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত বিশাখাপত্তনমে ২১৬ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়। একই সময়ে কলিঙ্গপত্তনমে ১৪৭, কাকিনাড়ায় ১১৮ এবং মছিলিপত্তনমে ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

কাকিনাড়া, বিশাখাপত্তনম, অমলাপুরম ও কোনাসীমা জেলায় গাছ উপড়ে পড়া, বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন এবং নিচু এলাকায় পানি জমার খবর পাওয়া গেছে। কোনাসীমা জেলায় প্রায় ছয় হাজার বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে যাওয়ার তথ্যও প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম।

ঘূর্ণিঝড়ের কারণে কয়েকটি ট্রেন ও ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের ৬০৯টি স্কুলকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

বুধবার সকালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশায় এখন পর্যন্ত প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে উদ্ধারকাজ ও ক্ষয়ক্ষতির হিসাব চলমান থাকায় পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে।

ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ওড়িশার বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। রাজ্যটিতে উদ্ধার ও জরুরি সেবার দল মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরসহ কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে ঘূর্ণিঝড়টির মূল প্রভাব পড়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে।

বাংলাদেশে সরাসরি আঘাতের আশঙ্কা নেই

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির সরাসরি বাংলাদেশে আঘাত হানার আশঙ্কা নেই। তবে এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে।

বুধবার দেশের আট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পরবর্তী কয়েক দিনে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি এবং সাগর উত্তাল থাকার পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:৩১:৩২ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশ, আশ্রয়ে ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ

আপডেট সময় : ০৮:৩১:৩২ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
৮

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও পুদুচেরির ইয়ানাম উপকূলের কাছাকাছি দিয়ে বুধবার ভোরে স্থলভাগে আঘাত হেনেছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ভারী বৃষ্টি, ঝোড়ো হাওয়া, বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে ১ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রে বাতাসের একটানা গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠছিল। বুধবার সকালেও ঝড়ের কেন্দ্র উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করায় আরও কয়েক ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা ছিল।

আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাতলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশের পর উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়বে। তবে এর প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশ ও প্রতিবেশী ওড়িশায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।

দুই রাজ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি

বার্তা সংস্থা এপি ও এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশায় মোট ১ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের ২০টি জেলার জন্য দুই হাজারের বেশি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া মাছ ধরার ৩০ হাজারের বেশি নৌযান নিরাপদ স্থানে সরিয়ে রাখা হয়েছে। জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রায় ১ হাজার ১০০টি চিকিৎসা দল মোতায়েন করা হয়েছে।

অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার পাশাপাশি শিশু, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ও অন্তঃসত্ত্বা নারীদের বিশেষ সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

উপকূলে ভারী বৃষ্টি, বিদ্যুৎ বিপর্যয়

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বুধবার ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত বিশাখাপত্তনমে ২১৬ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়। একই সময়ে কলিঙ্গপত্তনমে ১৪৭, কাকিনাড়ায় ১১৮ এবং মছিলিপত্তনমে ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

কাকিনাড়া, বিশাখাপত্তনম, অমলাপুরম ও কোনাসীমা জেলায় গাছ উপড়ে পড়া, বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন এবং নিচু এলাকায় পানি জমার খবর পাওয়া গেছে। কোনাসীমা জেলায় প্রায় ছয় হাজার বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে যাওয়ার তথ্যও প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম।

ঘূর্ণিঝড়ের কারণে কয়েকটি ট্রেন ও ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের ৬০৯টি স্কুলকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

বুধবার সকালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশায় এখন পর্যন্ত প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে উদ্ধারকাজ ও ক্ষয়ক্ষতির হিসাব চলমান থাকায় পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে।

ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ওড়িশার বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। রাজ্যটিতে উদ্ধার ও জরুরি সেবার দল মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরসহ কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে ঘূর্ণিঝড়টির মূল প্রভাব পড়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে।

বাংলাদেশে সরাসরি আঘাতের আশঙ্কা নেই

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির সরাসরি বাংলাদেশে আঘাত হানার আশঙ্কা নেই। তবে এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে।

বুধবার দেশের আট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পরবর্তী কয়েক দিনে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি এবং সাগর উত্তাল থাকার পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।