1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঠিকাদারের অভিযোগ কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে ব্রিজ নির্মাণকাজে এমপি নুরুল ও তার অনুসারী নেতাদের বাধা

মোঃ শরীফ উদ্দিন, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২২

সুনামগঞ্জ-৪ (সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনের বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল ও তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে দুটি সেতুর নির্মাণকাজে বাধা প্রদান, এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি, প্রাণনাশের হুমকি এবং শ্রমিকদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল। তাঁর দাবি, সেতুর নির্মাণকাজে অনিয়ম ও ধীরগতির বিষয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি কাজ পরিদর্শন করেছেন।

এ ঘটনায় কাজের ঠিকাদার ও তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম গত মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বুধবার একই অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও জমা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

লিখিত অভিযোগে ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল ও তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, প্রাণনাশের হুমকি, পরিবারের সদস্যদের হয়রানি এবং সরকারি উন্নয়নকাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, ইসলাম ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় মুক্তিরখলা-১ সেতু ও সালামপুর সেতুর নির্মাণকাজ করছেন। প্রায় ৮৭ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প দুটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ঠিকাদারের অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে এসব সেতুর নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের দিন মঙ্গলবার বিকেলে সালামপুর সেতুর এলাকা দিয়ে ফেরার সময় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল নির্মাণকাজ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং কাজ বন্ধ রাখতে বলেন বলে অভিযোগ করেছেন ঠিকাদার। এ সময় তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে কয়েকজন শ্রমিককে মারধরের অভিযোগও উঠেছে। এতে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত রোলারের চালক মনির, পে-লোডার চালক কবির আহমদ এবং সাইট ঠিকাদার হোসেন আহমদ আহত হন বলে জানা গেছে।

ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম তাঁর লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল ও তাঁর অনুসারীরা বিভিন্ন সময়ে তাঁর কাছে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেছেন। দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও মাধ্যম ব্যবহার করে তাঁর ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁকে নানাভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

শফিকুল ইসলামের অভিযোগ, গত ২০ অক্টোবর দুই দফায় মুক্তিরখলা-১ সেতুর নির্মাণকাজে বাধা দিয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সর্বশেষ মঙ্গলবার সালামপুর সেতুর নির্মাণকাজও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গত ২০ অক্টোবর সুনামগঞ্জ পৌর যুবদলের এক নেতা তাঁকে ফোন করে সংসদ সদস্যের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি সমাধানের জন্য চাপ দেন। এর আগে গত ৫ অক্টোবর জেলা যুবদলের এক নেতা তাঁকে ফোন করে হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেছেন তিনি।

লিখিত অভিযোগে ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম আরও দাবি করেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জ সার্কিট হাউসের সামনের সড়কে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের একটি মিছিলের ঘটনায় ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় তাঁকে ৫১ নম্বর আসামি করা হয়েছে।

এ ছাড়া গত বছরের ২৮ মার্চ জামালগঞ্জ থানার বেহেলী ইউনিয়নের করালজান বিল গ্রুপ (খ) জলমহালের অন্তর্গত কাবিলার বিলের মাছ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাঁকে ১৩ নম্বর আসামি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় তাঁর সিলেটের বাসায় পুলিশ পাঠানো হয়েছিল বলেও জানান শফিকুল ইসলাম।

এসব ঘটনার কারণে তিনি হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করে বিষয়গুলো তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

ঠিকাদারের অভিযোগের বিষয়ে সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল বলেন, ‘ঠিকাদার শফিককে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। মঙ্গলবার একটি অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে এলাকার লোকজন সালামপুর সেতুর গার্ডওয়াল নির্মাণে অনিয়মের বিষয়টি দেখান। বিষয়টি দেখার পর নির্বাহী প্রকৌশলীকে নিয়ে বুধবার সরেজমিনে সেখানে যাওয়ার কথা। কাজ বন্ধ করা কিংবা চাঁদা দাবির অভিযোগ অবান্তর। তাঁকে প্রমাণ করতে হবে, কে চাঁদা দাবি করেছে এবং কে হুমকি দিয়েছে।’

বুধবার দুপুরে আবারও সালামপুর সেতু পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল। এ সময় গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি বলেন, মঙ্গলবার একটি খেলা থেকে ফেরার পথে এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সেতুর নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন। তাঁর দাবি, কাজে অনিয়ম ও ধীরগতির কারণে এলাকার মানুষ দুর্ভোগে রয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘কাজ নিয়ে কথা বলায় আমার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। মূলত লুটপাট ঢাকতেই এসব করা হচ্ছে। উন্নয়নকাজে চাঁদা চাওয়া তো দূরের কথা, কাউকে ধমকও দিইনি।’

ঠিকাদারকে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মামলা হলে পুলিশ তার কাজ করবে। আমি কেন হয়রানি করব?’

এ সময় উপস্থিত সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ), সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম বলেন, নির্মাণকাজে অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাজের গতি ধীর উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদারকে চাপ দেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১০:৪৫:১২ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

ঠিকাদারের অভিযোগ কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে ব্রিজ নির্মাণকাজে এমপি নুরুল ও তার অনুসারী নেতাদের বাধা

আপডেট সময় : ১০:৪৫:১২ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
২২

সুনামগঞ্জ-৪ (সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনের বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল ও তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে দুটি সেতুর নির্মাণকাজে বাধা প্রদান, এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি, প্রাণনাশের হুমকি এবং শ্রমিকদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল। তাঁর দাবি, সেতুর নির্মাণকাজে অনিয়ম ও ধীরগতির বিষয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি কাজ পরিদর্শন করেছেন।

এ ঘটনায় কাজের ঠিকাদার ও তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম গত মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বুধবার একই অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও জমা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

লিখিত অভিযোগে ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল ও তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, প্রাণনাশের হুমকি, পরিবারের সদস্যদের হয়রানি এবং সরকারি উন্নয়নকাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, ইসলাম ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় মুক্তিরখলা-১ সেতু ও সালামপুর সেতুর নির্মাণকাজ করছেন। প্রায় ৮৭ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প দুটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ঠিকাদারের অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে এসব সেতুর নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের দিন মঙ্গলবার বিকেলে সালামপুর সেতুর এলাকা দিয়ে ফেরার সময় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল নির্মাণকাজ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং কাজ বন্ধ রাখতে বলেন বলে অভিযোগ করেছেন ঠিকাদার। এ সময় তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে কয়েকজন শ্রমিককে মারধরের অভিযোগও উঠেছে। এতে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত রোলারের চালক মনির, পে-লোডার চালক কবির আহমদ এবং সাইট ঠিকাদার হোসেন আহমদ আহত হন বলে জানা গেছে।

ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম তাঁর লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল ও তাঁর অনুসারীরা বিভিন্ন সময়ে তাঁর কাছে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেছেন। দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও মাধ্যম ব্যবহার করে তাঁর ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁকে নানাভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

শফিকুল ইসলামের অভিযোগ, গত ২০ অক্টোবর দুই দফায় মুক্তিরখলা-১ সেতুর নির্মাণকাজে বাধা দিয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সর্বশেষ মঙ্গলবার সালামপুর সেতুর নির্মাণকাজও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গত ২০ অক্টোবর সুনামগঞ্জ পৌর যুবদলের এক নেতা তাঁকে ফোন করে সংসদ সদস্যের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি সমাধানের জন্য চাপ দেন। এর আগে গত ৫ অক্টোবর জেলা যুবদলের এক নেতা তাঁকে ফোন করে হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেছেন তিনি।

লিখিত অভিযোগে ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম আরও দাবি করেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জ সার্কিট হাউসের সামনের সড়কে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের একটি মিছিলের ঘটনায় ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় তাঁকে ৫১ নম্বর আসামি করা হয়েছে।

এ ছাড়া গত বছরের ২৮ মার্চ জামালগঞ্জ থানার বেহেলী ইউনিয়নের করালজান বিল গ্রুপ (খ) জলমহালের অন্তর্গত কাবিলার বিলের মাছ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাঁকে ১৩ নম্বর আসামি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় তাঁর সিলেটের বাসায় পুলিশ পাঠানো হয়েছিল বলেও জানান শফিকুল ইসলাম।

এসব ঘটনার কারণে তিনি হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করে বিষয়গুলো তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

ঠিকাদারের অভিযোগের বিষয়ে সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল বলেন, ‘ঠিকাদার শফিককে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। মঙ্গলবার একটি অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে এলাকার লোকজন সালামপুর সেতুর গার্ডওয়াল নির্মাণে অনিয়মের বিষয়টি দেখান। বিষয়টি দেখার পর নির্বাহী প্রকৌশলীকে নিয়ে বুধবার সরেজমিনে সেখানে যাওয়ার কথা। কাজ বন্ধ করা কিংবা চাঁদা দাবির অভিযোগ অবান্তর। তাঁকে প্রমাণ করতে হবে, কে চাঁদা দাবি করেছে এবং কে হুমকি দিয়েছে।’

বুধবার দুপুরে আবারও সালামপুর সেতু পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল। এ সময় গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি বলেন, মঙ্গলবার একটি খেলা থেকে ফেরার পথে এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সেতুর নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন। তাঁর দাবি, কাজে অনিয়ম ও ধীরগতির কারণে এলাকার মানুষ দুর্ভোগে রয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘কাজ নিয়ে কথা বলায় আমার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। মূলত লুটপাট ঢাকতেই এসব করা হচ্ছে। উন্নয়নকাজে চাঁদা চাওয়া তো দূরের কথা, কাউকে ধমকও দিইনি।’

ঠিকাদারকে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মামলা হলে পুলিশ তার কাজ করবে। আমি কেন হয়রানি করব?’

এ সময় উপস্থিত সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ), সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম বলেন, নির্মাণকাজে অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাজের গতি ধীর উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদারকে চাপ দেওয়া হচ্ছে।