1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জব্বারের বলীখেলায় বাঘা শরিফের হ্যাটট্রিক

প্রতিনিধির নাম
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী আবদুল জব্বার স্মৃতি বলীখেলায় টানা তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাঘা শরিফ। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর লালদীঘি মাঠে ফাইনালে তিনি রাশেদ বলীকে পরাজিত করেন।

ফাইনালে ছিল টানটান উত্তেজনা। শুরু থেকে দুজনই সমানতালে লড়াই করেন। শেষ দিকে শরিফ কৌশল বদলে আক্রমণে যান এবং রাশেদকে ভারসাম্য হারাতে বাধ্য করেন।

খেলা শুরুর আগেই লালদীঘি দর্শকে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। বৈশাখের তপ্ত গরম উপেক্ষা করে বিভিন্ন বয়সী মানুষ মাঠ ও আশপাশে অবস্থান নেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়তে থাকে এবং উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

বেলা ৩টার দিকে খেলা শুরু হয়। ঢোলের তালে প্রতিযোগীরা একে একে রিংয়ে ওঠেন। এ বছর প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ১০৮ বলী। প্রাথমিক পর্ব শেষে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠেন আটজন। সেখান থেকে নকআউট পর্ব পেরিয়ে চারজন সেমিফাইনালে জায়গা করে নেন।

প্রথম সেমিফাইনালে দ্রুত জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে ওঠেন রাশেদ বলী। অন্য সেমিফাইনালে সাবেক চ্যাম্পিয়নকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেন বাঘা শরিফ। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী লড়াইয়ে জয় পান মিঠু বলী।

ফাইনাল শেষে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হলে দর্শকদের উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। ২০২৪ সাল থেকে টানা তৃতীয়বার শিরোপা জিতে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেন কুমিল্লার হোমনার সন্তান বাঘা শরিফ। রানারআপ হন রাশেদ বলী।

১৯০৯ সালে আবদুল জব্বার সওদাগরের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই খেলা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রামের অন্যতম বড় ঐতিহ্যবাহী আয়োজনে পরিণত হয়েছে। প্রতিবছর ১২ বৈশাখ লালদীঘি মাঠে এই খেলা হয়। এর সঙ্গে বৈশাখী মেলা থাকে, যা নগরজুড়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৩:০২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ৮৯ বার পড়া হয়েছে

জব্বারের বলীখেলায় বাঘা শরিফের হ্যাটট্রিক

আপডেট সময় : ০৩:০২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী আবদুল জব্বার স্মৃতি বলীখেলায় টানা তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাঘা শরিফ। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর লালদীঘি মাঠে ফাইনালে তিনি রাশেদ বলীকে পরাজিত করেন।

ফাইনালে ছিল টানটান উত্তেজনা। শুরু থেকে দুজনই সমানতালে লড়াই করেন। শেষ দিকে শরিফ কৌশল বদলে আক্রমণে যান এবং রাশেদকে ভারসাম্য হারাতে বাধ্য করেন।

খেলা শুরুর আগেই লালদীঘি দর্শকে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। বৈশাখের তপ্ত গরম উপেক্ষা করে বিভিন্ন বয়সী মানুষ মাঠ ও আশপাশে অবস্থান নেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়তে থাকে এবং উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

বেলা ৩টার দিকে খেলা শুরু হয়। ঢোলের তালে প্রতিযোগীরা একে একে রিংয়ে ওঠেন। এ বছর প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ১০৮ বলী। প্রাথমিক পর্ব শেষে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠেন আটজন। সেখান থেকে নকআউট পর্ব পেরিয়ে চারজন সেমিফাইনালে জায়গা করে নেন।

প্রথম সেমিফাইনালে দ্রুত জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে ওঠেন রাশেদ বলী। অন্য সেমিফাইনালে সাবেক চ্যাম্পিয়নকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেন বাঘা শরিফ। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী লড়াইয়ে জয় পান মিঠু বলী।

ফাইনাল শেষে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হলে দর্শকদের উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। ২০২৪ সাল থেকে টানা তৃতীয়বার শিরোপা জিতে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেন কুমিল্লার হোমনার সন্তান বাঘা শরিফ। রানারআপ হন রাশেদ বলী।

১৯০৯ সালে আবদুল জব্বার সওদাগরের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই খেলা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রামের অন্যতম বড় ঐতিহ্যবাহী আয়োজনে পরিণত হয়েছে। প্রতিবছর ১২ বৈশাখ লালদীঘি মাঠে এই খেলা হয়। এর সঙ্গে বৈশাখী মেলা থাকে, যা নগরজুড়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দেয়।