1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৮০ দিনে চট্টগ্রাম-৫ আসনে ৩২৯ উন্নয়ন প্রকল্প সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৪৩

সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১৮০ দিনেই চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজিদ আংশিক) সংসদীয় আসনে দৃশ্যমান উন্নয়নের দাবি করা হয়েছে। সড়ক, সেতু-কালভার্ট, খাল খনন ও জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি পানি, বিদ্যুৎ ও সেচ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির-শ্মশানসহ বিভিন্ন খাতে এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৮০ দিনের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা ৪৫০টি প্রকল্পের মধ্যে ৩২৯টির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এর বাইরে সরকারি বরাদ্দে নেওয়া আরও ২৭টি প্রকল্পের সবগুলোই শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ৪৮টি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এসব চলমান প্রকল্পে গড় অগ্রগতি প্রায় ৬৪ শতাংশ।

স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দাবি, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের উদ্যোগে এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন বলেন, স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সবচেয়ে প্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পুরো এলাকায় সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি জানান, সংসদীয় এলাকায় মসজিদ ও ঈদগাহে ৩৮টি, মাদ্রাসা ও হেফজখানায় ২৫টি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৫টি প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। খাল ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ১৯টি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নে নির্মাণ করা হয়েছে ১২টি সেতু ও কালভার্ট। পানি, বিদ্যুৎ ও সেচ খাতের ৪৮টি সরকারি প্রকল্প শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। একইভাবে ভূমি ও সরকারি সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের উদ্যোগও বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুধু চট্টগ্রাম-৫ আসনে সীমাবদ্ধ নেই। পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলাতেও গত ১৮০ দিনে বেশ কিছু জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সুপেয় পানির সংকট নিরসনে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক জাকের হোসেন বলেন, গত ছয় মাসে হাটহাজারীতে যে উন্নয়ন হয়েছে, তা বিগত ১৭ বছরেও হয়নি। তাঁর দাবি, সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারের কারণে হাটহাজারী বাসস্টেশনের দীর্ঘদিনের যানজটও অনেকটা কমেছে।

তিনি আরও বলেন, খাল খনন ও নালা-নর্দমা পরিষ্কারের ফলে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতাও কমেছে। হাটহাজারীতে ৬০০ শয্যার হাসপাতাল ও একটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েও কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, ‘সময়ের হিসেবে ১৮০ দিন খুবই অল্প, কিন্তু মানুষের প্রতি দায়িত্বের ভার অনেক বেশি। এই অল্প সময়ের মধ্যেই আমি চেষ্টা করেছি মানুষের আস্থা ও প্রত্যাশার প্রতি সৎ ও নিবেদিত থাকতে।’

তিনি বলেন, উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ—এই চারটি বিষয়কে সামনে রেখে কাজ করা হচ্ছে। নির্বাচনী এলাকা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন খাতে দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার আওতায় নেওয়া প্রকল্পগুলোর তথ্য ধাপে ধাপে সমন্বিত ডাটাবেইসে সংরক্ষণ ও হালনাগাদ করা হবে। এর মাধ্যমে জনগণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

তিনি আরও জানান, শতভাগ স্বয়ংক্রিয় ভূমিসেবা অ্যাপ চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান, নামজারির ফি জমা, খতিয়ান ও ডিসিআর প্রতিলিপি, সার্টিফায়েড কপি, মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ, খতিয়ান অনুসন্ধান ও যাচাইসহ বিভিন্ন সেবা পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি ১৬১২২ হেল্পলাইন থেকেও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া হাটহাজারী-রাঙামাটি মহাসড়কে সৌরবিদ্যুৎচালিত স্মার্ট স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে। এতে মহাসড়কটি আরও আলোকিত ও নিরাপদ হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয় হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় হাটহাজারীর বিভিন্ন ইউনিয়ন, পৌরসভার ওয়ার্ড, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ৩ লাখ ৬২ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামেও বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে। রাঙামাটির আসামবস্তি এলাকায় বৃহৎ শ্মশানঘাটে গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। রাজস্থলীর দুর্গম কুক্যাছড়ি খিয়াং পাড়ায় সুপেয় পানির সংকট নিরসনেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া হাটহাজারীর সরকারহাট বাজারসংলগ্ন মির্জাপুর মৌজায় আনুমানিক ১ কোটি টাকা বাজারমূল্যের ৩ শতক সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে। আল মুহসিনাত বালিকা হিফজখানায় ছাত্রীদের সুবিধার্থে সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে মির্জাপুর ইউনিয়নের চারিয়া বিলে কৃষকদের সেচ প্রকল্পের পাইপলাইন নির্মাণ, শিকারপুর ইউনিয়নের বাথুয়া এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন, আনিস খালসংলগ্ন রাস্তা মেরামত, মেখল ইউনিয়নের হারিয়াননালা খাল খনন এবং বিভিন্ন এলাকায় নালা পরিষ্কার ও খাল পুনঃখনন।

এ ছাড়া মেখল ইউনিয়নের ফতেহ আলী কাঞ্চন বাড়ির সড়ক মেরামত, চৌধুরীহাট জিসি থেকে মদুনাঘাট সড়ক সংস্কার, সুন্দরী ছড়া পুনঃখনন, আবদুল গফুর তালুকদার বাড়ি জামে মসজিদ ও ফতেয়াবাদ-রামদাশহাট-মদুনাঘাট সড়ক মেরামতসহ আরও বেশ কিছু উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব প্রকল্প পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে হাটহাজারী-বায়েজিদ এলাকার যোগাযোগ, পানি নিষ্কাশন, কৃষি, শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক অবকাঠামোতে আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১০:০০:২২ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে

১৮০ দিনে চট্টগ্রাম-৫ আসনে ৩২৯ উন্নয়ন প্রকল্প সম্পন্ন

আপডেট সময় : ১০:০০:২২ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
৪৩

সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১৮০ দিনেই চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজিদ আংশিক) সংসদীয় আসনে দৃশ্যমান উন্নয়নের দাবি করা হয়েছে। সড়ক, সেতু-কালভার্ট, খাল খনন ও জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি পানি, বিদ্যুৎ ও সেচ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির-শ্মশানসহ বিভিন্ন খাতে এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৮০ দিনের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা ৪৫০টি প্রকল্পের মধ্যে ৩২৯টির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এর বাইরে সরকারি বরাদ্দে নেওয়া আরও ২৭টি প্রকল্পের সবগুলোই শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ৪৮টি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এসব চলমান প্রকল্পে গড় অগ্রগতি প্রায় ৬৪ শতাংশ।

স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দাবি, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের উদ্যোগে এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন বলেন, স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সবচেয়ে প্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পুরো এলাকায় সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি জানান, সংসদীয় এলাকায় মসজিদ ও ঈদগাহে ৩৮টি, মাদ্রাসা ও হেফজখানায় ২৫টি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৫টি প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। খাল ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ১৯টি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নে নির্মাণ করা হয়েছে ১২টি সেতু ও কালভার্ট। পানি, বিদ্যুৎ ও সেচ খাতের ৪৮টি সরকারি প্রকল্প শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। একইভাবে ভূমি ও সরকারি সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের উদ্যোগও বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুধু চট্টগ্রাম-৫ আসনে সীমাবদ্ধ নেই। পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলাতেও গত ১৮০ দিনে বেশ কিছু জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সুপেয় পানির সংকট নিরসনে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক জাকের হোসেন বলেন, গত ছয় মাসে হাটহাজারীতে যে উন্নয়ন হয়েছে, তা বিগত ১৭ বছরেও হয়নি। তাঁর দাবি, সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারের কারণে হাটহাজারী বাসস্টেশনের দীর্ঘদিনের যানজটও অনেকটা কমেছে।

তিনি আরও বলেন, খাল খনন ও নালা-নর্দমা পরিষ্কারের ফলে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতাও কমেছে। হাটহাজারীতে ৬০০ শয্যার হাসপাতাল ও একটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েও কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, ‘সময়ের হিসেবে ১৮০ দিন খুবই অল্প, কিন্তু মানুষের প্রতি দায়িত্বের ভার অনেক বেশি। এই অল্প সময়ের মধ্যেই আমি চেষ্টা করেছি মানুষের আস্থা ও প্রত্যাশার প্রতি সৎ ও নিবেদিত থাকতে।’

তিনি বলেন, উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ—এই চারটি বিষয়কে সামনে রেখে কাজ করা হচ্ছে। নির্বাচনী এলাকা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন খাতে দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার আওতায় নেওয়া প্রকল্পগুলোর তথ্য ধাপে ধাপে সমন্বিত ডাটাবেইসে সংরক্ষণ ও হালনাগাদ করা হবে। এর মাধ্যমে জনগণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

তিনি আরও জানান, শতভাগ স্বয়ংক্রিয় ভূমিসেবা অ্যাপ চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান, নামজারির ফি জমা, খতিয়ান ও ডিসিআর প্রতিলিপি, সার্টিফায়েড কপি, মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ, খতিয়ান অনুসন্ধান ও যাচাইসহ বিভিন্ন সেবা পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি ১৬১২২ হেল্পলাইন থেকেও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া হাটহাজারী-রাঙামাটি মহাসড়কে সৌরবিদ্যুৎচালিত স্মার্ট স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে। এতে মহাসড়কটি আরও আলোকিত ও নিরাপদ হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয় হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় হাটহাজারীর বিভিন্ন ইউনিয়ন, পৌরসভার ওয়ার্ড, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ৩ লাখ ৬২ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামেও বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে। রাঙামাটির আসামবস্তি এলাকায় বৃহৎ শ্মশানঘাটে গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। রাজস্থলীর দুর্গম কুক্যাছড়ি খিয়াং পাড়ায় সুপেয় পানির সংকট নিরসনেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া হাটহাজারীর সরকারহাট বাজারসংলগ্ন মির্জাপুর মৌজায় আনুমানিক ১ কোটি টাকা বাজারমূল্যের ৩ শতক সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে। আল মুহসিনাত বালিকা হিফজখানায় ছাত্রীদের সুবিধার্থে সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে মির্জাপুর ইউনিয়নের চারিয়া বিলে কৃষকদের সেচ প্রকল্পের পাইপলাইন নির্মাণ, শিকারপুর ইউনিয়নের বাথুয়া এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন, আনিস খালসংলগ্ন রাস্তা মেরামত, মেখল ইউনিয়নের হারিয়াননালা খাল খনন এবং বিভিন্ন এলাকায় নালা পরিষ্কার ও খাল পুনঃখনন।

এ ছাড়া মেখল ইউনিয়নের ফতেহ আলী কাঞ্চন বাড়ির সড়ক মেরামত, চৌধুরীহাট জিসি থেকে মদুনাঘাট সড়ক সংস্কার, সুন্দরী ছড়া পুনঃখনন, আবদুল গফুর তালুকদার বাড়ি জামে মসজিদ ও ফতেয়াবাদ-রামদাশহাট-মদুনাঘাট সড়ক মেরামতসহ আরও বেশ কিছু উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব প্রকল্প পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে হাটহাজারী-বায়েজিদ এলাকার যোগাযোগ, পানি নিষ্কাশন, কৃষি, শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক অবকাঠামোতে আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।