1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. m3214sdaa@needforspeeds.online : alejandro3192 :
  3. mjhnmbv@needforspeeds.online : alexandramatos :
  4. fdvcd4343vvsdrt23@n8ncreator.ru : alycemack871088 :
  5. pashaigroman324@dyrochka.website : andersonpalazzi :
  6. asddgfsdewr2wrwer87wesa@tomorrow5.fun : andersonthrelkel :
  7. rebyatakotyata@dyrochka.website : angelikamaxfield :
  8. givememoney@needforspeeds.online : angiespooner7 :
  9. vkusnofs@needforspeeds.online : antoniaeastman2 :
  10. roberttaylor1755ywts@gsasearchengineranker.com : anyapraed2271 :
  11. zadaniesuety@dyrochka.website : audrycampion30 :
  12. mogyshiya@needforspeeds.online : beahaviland79 :
  13. info233@noreply0.com : boydehmann0971 :
  14. fgdfvbvdfsdfr3e4@n8ncreator.ru : carltonhilder5 :
  15. sereganeakter@needforspeeds.online : carmelonorman1 :
  16. asddgfsdewr232wrwerwesa@tomorrow5.fun : christamatthew :
  17. shishkirog@dyrochka.website : christencumpston :
  18. asddgfsde54wr2wrwerwesa@tomorrow5.fun : deanachittenden :
  19. thomaswilson2694l2du@welcometotijuana.com : devonquigley892 :
  20. olegkurapatov343@dyrochka.website : dixiekaylock :
  21. noledy@dyrochka.website : estellehanger :
  22. info230@noreply0.com : frankbyron68064 :
  23. asddgfsdewr278wrwerwesa@tomorrow5.fun : frederickacruse :
  24. fengzhang88955jj4n@seoautomationpro.com : gailfrancisco25 :
  25. davidwilson2900s4d@verifiedlinklist.com : gordonhand83 :
  26. jennifermartinez5223xvyc@gsasearchengineranker.com : gustavostamper :
  27. msdfxcv@needforspeeds.online : hannelorevigano :
  28. anthonydavis2330ycpr@gsasearchengineranker.com : hesterlangford :
  29. asddgfsdewr2wrwefdgrwesa@tomorrow5.fun : janessad72 :
  30. bolshayadurrka@dyrochka.website : janette8230 :
  31. richardhernandez3925iexx@travel-e-store.com : jaredwaldrop9 :
  32. mogyshfdgniya@needforspeeds.online : jasminpesina :
  33. mogyshiyabar@needforspeeds.online : jeanettekleiber :
  34. mayaal-ahmad102474wyf@seoautomationpro.com : judsonannunziata :
  35. jenniferbrown3524n04w@verifiedlinklist.com : keeshatiffany95 :
  36. realnodoing@needforspeeds.online : kennyzeigler678 :
  37. asddgfsdewr2wdfsdrwerwesa@tomorrow5.fun : lashawndaingle3 :
  38. info231@noreply0.com : loriballentine :
  39. info232@noreply0.com : lorijip35172 :
  40. afkgaming0ews@needforspeeds.online : maesparling76 :
  41. nadelallinks@dyrochka.website : mathias60a :
  42. asddgfsdewr2wrwerwegfh45sa@tomorrow5.fun : melbacaple :
  43. fdgdfwer454523423dswqdwqr@n8ncreator.ru : patriciaqmc :
  44. sarahmoore9649yrnp@welcometotijuana.com : randellrawlins :
  45. josephhernandez7903zgvy@travel-e-store.com : raymonfassbinder :
  46. paryod@dyrochka.website : reinaldobroun :
  47. dikiycoyot51@dyrochka.website : rhys50a6766 :
  48. asddgfsdewr762wrwerwesa@tomorrow5.fun : rosettadoughty1 :
  49. asddgfsdewr2wrwe2edfrfrwesa@tomorrow5.fun : saraghu625526580 :
  50. asddgfsdewr2wrwer867wesa@tomorrow5.fun : shawneemactier :
  51. ysloviyabananov@dyrochka.website : stuartaguilar44 :
  52. dmitrov1v@dyrochka.website : trenacastellano :
  53. asddgfsdewr2wrwerwesdfsdfsdfsa@tomorrow5.fun : troyranclaud56 :
  54. durovanton3423@dyrochka.website : ulyssesfree :
  55. barbarahernandez3773z8ik@gsasearchengineranker.com : veijere2358 :
  56. barbaraanderson7116r3sd@travel-e-store.com : vernelltzh :
  57. asddgfsdewr2wrwerweretsa@tomorrow5.fun : veronaholden654 :
  58. miyaboikasd@dyrochka.website : vjdlacy363 :
  59. dsfdsf34@needforspeeds.online : willmacias389 :
ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দাম বাড়লেও কমেনি ভোগান্তি

প্রতিনিধির নাম
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পরও রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনচালকদের দুর্ভোগ ও ভোগান্তি কমেনি। তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর ফিলিং স্টেশনের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনের সংখ্যা কিছুটা কমে আসবে এমন ধারণা করা হলেও বাস্তবে তেমন ঘটেনি। বিগত কয়েক দিনের মতো গতকালও রাজধানীর ফিলিং স্টেশন ও এর আশপাশে দেখা যায় তেলের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনের দীর্ঘ সারি। এদের অনেকেই শনিবার রাত ও গতকাল ভোরে লাইনে দাঁড়ান। কিছু পাম্প আবার তেলের সংকটে বিক্রি বন্ধ রেখেছিল। ফিলিং স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বুঝতে আরও দুই-তিন দিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে হবে। আর সাধারণ মানুষ দাম বৃদ্ধির পরও তেলসংকট ও ভোগান্তি না কমায় বিরক্তি এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

সরেজমিন বেলা ২টায় রাজধানীর মানিকদীর সুমাত্রা ফিলিং স্টেশন ও এর আশপাশের এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, তেলের জন্য অপেক্ষমাণ গাড়ির সারি গত শনিবার দুপুরের তুলনায় গতকাল সামান্য কম ছিল। তবে ভোগান্তি আগের মতোই। এ স্টেশনে তেলের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা চালকরা জানান, দাম বৃদ্ধির পরও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। এই পাম্পের কর্মচারী মো. রাজীব বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, দাম বৃদ্ধির পরও বিগত কয়েক দিনের মতো তেলের জন্য যানবাহনের দীর্ঘ গাড়ির সারি কমেনি। তা আগের মতোই আছে। আরও দুই-তিন পরিস্থিতি দেখে তারপর বোঝা যাবে তেলের দাম বৃদ্ধিতে পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়েছে কি না। বর্তমানে এই স্টেশনে মোট জ্বালানি চাহিদা ৮০ হাজার লিটার। কিন্তু দেওয়া হচ্ছে সাড়ে ৪০ হাজার লিটার তেল। এখানে ফুয়েল পাস নিয়ে ১০ লিটার বা ১৪০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। আর ফুয়েল পাস ছাড়া ১ হাজার টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। প্রাইভেট কারে সাড়ে ৩ হাজার টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। আগে রেশনিং করা না হলেও গত শনিবার থেকে তেল বিক্রিতে লিমিট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে এই স্টেশনে। সুমাত্রায় তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক আল আমিন (শিক্ষক) বলেন, তেলের দাম এত বৃদ্ধি পায়নি কখনো। এই দাম বৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি জীবনযাত্রার ওপর পড়বে। আমি রবিবার ভোর ৫টার দিকে এখানে তেলের লাইনে দাঁড়াই বেলা আড়াইটার দিকেও অর্থাৎ সাড়ে ৯ ঘণ্টায়ও তেল নিতে পারিনি। দাম বৃদ্ধির পরও অবস্থার কোনো পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি না। আগের ভোগান্তিই রয়ে গেছে। আরেক মোটরসাইকেল চালক জীবন হাসান (শিক্ষার্থী) বলেন, আগে যেমন দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে, এখনো তেলের দাম বৃদ্ধির পর লাইন দীর্ঘই আছে। অথচ এর কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে। প্রতি ৫ লিটারে বাড়তি ১০০ টাকা গুনতে হবে। এই শিক্ষার্থী রবিবার ভোর ৪টায় দাঁড়িয়ে বেলা ৩টায় তেল কিনতে পারেন। এই পাম্পে আসা অন্য চালকরা জানান, সরকার তেলের দাম বৃদ্ধি করেছে এতে তাদের আপত্তি নেই, কিন্তু সব ফিলিং স্টেশনে চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করতে হবে এবং ভোগান্তি দূর করতে হবে। রাজধানীর নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টারে গতকাল বেলা ৩টায় প্রাইভেট কারের লাইন আগের দিনগুলোর চেয়ে সামান্য কম থাকলেও মোটরসাইকেল চালকদের তেল নেওয়ার লাইন ছিল অন্য দিনগুলোর মতোই দীর্ঘ। এই পাম্পে দুপুরেই ডিজেল শেষ হয়ে গিয়েছিল আর অকটেন যা ছিল তাও দ্রুত ফুরিয়ে যাবে এ কথা জানান কর্মকর্তারা। পাম্পের ম্যানেজার সোহেল রানা জানান, লাইনের সারি আগের মতোই আছে। এই পাম্পে ফুয়েল পাস দিয়ে ১২০০ টাকার অকটেন আর পাস ছাড়া ৮০০ টাকার অকটেন দেওয়া হচ্ছে। এপ্রিলে যেখানে এই পাম্পে গড়ে সাড়ে ২৯ হাজার লিটার ডিজেল দেওয়া হয়, গতকাল দেওয়া হয় সাড়ে ২২ হাজার লিটার ডিজেল। আর এপ্রিলে ৫২ হাজার লিটার অকটেন দেওয়া হলেও গতকাল ২৭ হাজার লিটার অকটেন দেওয়া হয়। দাম বৃদ্ধির প্রভাব বুঝতে আরও দু-একদিন লাগবে। রবিবার যারা তেল নিচ্ছেন তাদের বেশির ভাগই শনিবার গভীর রাতে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। তবে তেলের সরবরাহ যদি সরকার আরেকটু বৃদ্ধি করে তাহলে চাহিদামতো সবাইকে তেল দিলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে বলে তিনি জানান। এই পাম্পে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক নাজমুল হাসান (চাকরিজীবী) বলেন, তেলের দাম বৃদ্ধির পরও ভোগান্তি আগের মতোই আছে। গতকাল ভোর ৬টায় এসেও বেলা ৩টা পর্যন্ত তেল নিতে পারিনি। এই দাম বৃদ্ধির সুফল পেতে আরও কয়েক দিন লাগবে। এই পাম্পের অন্য মোটরসাইকেল চালকরা জানান, দাম বৃদ্ধিতে সমস্যা নেই। কিন্তু এত দীর্ঘক্ষণ পাম্পে দাঁড়িয়ে যে ভোগান্তি হচ্ছে তা খুব কষ্টের। দাম বৃদ্ধি করেও যদি পাম্পে সব সময় তেল পাওয়া যেত তাহলে সমস্যা ছিল না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৩:২২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

দাম বাড়লেও কমেনি ভোগান্তি

আপডেট সময় : ০৩:২২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পরও রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনচালকদের দুর্ভোগ ও ভোগান্তি কমেনি। তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর ফিলিং স্টেশনের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনের সংখ্যা কিছুটা কমে আসবে এমন ধারণা করা হলেও বাস্তবে তেমন ঘটেনি। বিগত কয়েক দিনের মতো গতকালও রাজধানীর ফিলিং স্টেশন ও এর আশপাশে দেখা যায় তেলের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনের দীর্ঘ সারি। এদের অনেকেই শনিবার রাত ও গতকাল ভোরে লাইনে দাঁড়ান। কিছু পাম্প আবার তেলের সংকটে বিক্রি বন্ধ রেখেছিল। ফিলিং স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বুঝতে আরও দুই-তিন দিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে হবে। আর সাধারণ মানুষ দাম বৃদ্ধির পরও তেলসংকট ও ভোগান্তি না কমায় বিরক্তি এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

সরেজমিন বেলা ২টায় রাজধানীর মানিকদীর সুমাত্রা ফিলিং স্টেশন ও এর আশপাশের এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, তেলের জন্য অপেক্ষমাণ গাড়ির সারি গত শনিবার দুপুরের তুলনায় গতকাল সামান্য কম ছিল। তবে ভোগান্তি আগের মতোই। এ স্টেশনে তেলের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা চালকরা জানান, দাম বৃদ্ধির পরও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। এই পাম্পের কর্মচারী মো. রাজীব বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, দাম বৃদ্ধির পরও বিগত কয়েক দিনের মতো তেলের জন্য যানবাহনের দীর্ঘ গাড়ির সারি কমেনি। তা আগের মতোই আছে। আরও দুই-তিন পরিস্থিতি দেখে তারপর বোঝা যাবে তেলের দাম বৃদ্ধিতে পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়েছে কি না। বর্তমানে এই স্টেশনে মোট জ্বালানি চাহিদা ৮০ হাজার লিটার। কিন্তু দেওয়া হচ্ছে সাড়ে ৪০ হাজার লিটার তেল। এখানে ফুয়েল পাস নিয়ে ১০ লিটার বা ১৪০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। আর ফুয়েল পাস ছাড়া ১ হাজার টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। প্রাইভেট কারে সাড়ে ৩ হাজার টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। আগে রেশনিং করা না হলেও গত শনিবার থেকে তেল বিক্রিতে লিমিট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে এই স্টেশনে। সুমাত্রায় তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক আল আমিন (শিক্ষক) বলেন, তেলের দাম এত বৃদ্ধি পায়নি কখনো। এই দাম বৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি জীবনযাত্রার ওপর পড়বে। আমি রবিবার ভোর ৫টার দিকে এখানে তেলের লাইনে দাঁড়াই বেলা আড়াইটার দিকেও অর্থাৎ সাড়ে ৯ ঘণ্টায়ও তেল নিতে পারিনি। দাম বৃদ্ধির পরও অবস্থার কোনো পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি না। আগের ভোগান্তিই রয়ে গেছে। আরেক মোটরসাইকেল চালক জীবন হাসান (শিক্ষার্থী) বলেন, আগে যেমন দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে, এখনো তেলের দাম বৃদ্ধির পর লাইন দীর্ঘই আছে। অথচ এর কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে। প্রতি ৫ লিটারে বাড়তি ১০০ টাকা গুনতে হবে। এই শিক্ষার্থী রবিবার ভোর ৪টায় দাঁড়িয়ে বেলা ৩টায় তেল কিনতে পারেন। এই পাম্পে আসা অন্য চালকরা জানান, সরকার তেলের দাম বৃদ্ধি করেছে এতে তাদের আপত্তি নেই, কিন্তু সব ফিলিং স্টেশনে চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করতে হবে এবং ভোগান্তি দূর করতে হবে। রাজধানীর নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টারে গতকাল বেলা ৩টায় প্রাইভেট কারের লাইন আগের দিনগুলোর চেয়ে সামান্য কম থাকলেও মোটরসাইকেল চালকদের তেল নেওয়ার লাইন ছিল অন্য দিনগুলোর মতোই দীর্ঘ। এই পাম্পে দুপুরেই ডিজেল শেষ হয়ে গিয়েছিল আর অকটেন যা ছিল তাও দ্রুত ফুরিয়ে যাবে এ কথা জানান কর্মকর্তারা। পাম্পের ম্যানেজার সোহেল রানা জানান, লাইনের সারি আগের মতোই আছে। এই পাম্পে ফুয়েল পাস দিয়ে ১২০০ টাকার অকটেন আর পাস ছাড়া ৮০০ টাকার অকটেন দেওয়া হচ্ছে। এপ্রিলে যেখানে এই পাম্পে গড়ে সাড়ে ২৯ হাজার লিটার ডিজেল দেওয়া হয়, গতকাল দেওয়া হয় সাড়ে ২২ হাজার লিটার ডিজেল। আর এপ্রিলে ৫২ হাজার লিটার অকটেন দেওয়া হলেও গতকাল ২৭ হাজার লিটার অকটেন দেওয়া হয়। দাম বৃদ্ধির প্রভাব বুঝতে আরও দু-একদিন লাগবে। রবিবার যারা তেল নিচ্ছেন তাদের বেশির ভাগই শনিবার গভীর রাতে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। তবে তেলের সরবরাহ যদি সরকার আরেকটু বৃদ্ধি করে তাহলে চাহিদামতো সবাইকে তেল দিলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে বলে তিনি জানান। এই পাম্পে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক নাজমুল হাসান (চাকরিজীবী) বলেন, তেলের দাম বৃদ্ধির পরও ভোগান্তি আগের মতোই আছে। গতকাল ভোর ৬টায় এসেও বেলা ৩টা পর্যন্ত তেল নিতে পারিনি। এই দাম বৃদ্ধির সুফল পেতে আরও কয়েক দিন লাগবে। এই পাম্পের অন্য মোটরসাইকেল চালকরা জানান, দাম বৃদ্ধিতে সমস্যা নেই। কিন্তু এত দীর্ঘক্ষণ পাম্পে দাঁড়িয়ে যে ভোগান্তি হচ্ছে তা খুব কষ্টের। দাম বৃদ্ধি করেও যদি পাম্পে সব সময় তেল পাওয়া যেত তাহলে সমস্যা ছিল না।