চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান সাংবাদিক ও সমাজসেবক রেজাউল হাসান মুন্না
কীর্তিপাশা ইউপি নির্বাচন:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ঝালকাঠি সদর উপজেলার কীর্তিপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান বলে ঘোষণা দিয়েছেন সাংবাদিক, সমাজসেবক ও বিএনপি নেতা মোঃ রেজাউল হাসান মুন্না। তিনি প্রার্থিতা নিয়ে দৈনিক কাগজের বার্তা’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মোঃ রেজাউল হাসান মুন্না, পিতা মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, মাতা মমতাজ বেগম। বাড়ি কীর্তিপাশা ইউনিয়ন, ঝালকাঠি সদর। তিনি স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক। পাশাপাশি মানবাধিকার কর্মী ও সমাজসেবক হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত।
মুন্না বর্তমানে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ঝালকাঠি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি এবং কীর্তিপাশা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি গণমানুষের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ছিলেন।
রাজনীতির পাশাপাশি মুন্না দীর্ঘদিন ধরে কীর্তিপাশার মানুষের সেবায় নিয়োজিত। করোনাকালীন সময়ে অসহায় পরিবারকে খাদ্য সহায়তা, শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান এবং মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়নে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কীর্তিপাশা ইউপি নির্বাচনে এখন পর্যন্ত চেয়ারম্যান পদে যারা প্রার্থী হওয়ার কথা ভাবছেন, তাদের মধ্যে রেজাউল হাসান মুন্না শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং দলীয় অবস্থানের দিক থেকে অন্যতম। এমবিএ ডিগ্রিধারী মুন্নার শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং বিএনপির রাজনীতিতে তার দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা আলোচনায় এসেছে।
চেয়ারম্যান পদে লড়তে চাওয়ার বিষয়ে রেজাউল হাসান মুন্না বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে কীর্তিপাশার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে আছি। এলাকাবাসীর অনুরোধ এবং সহযোগিতায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আল্লাহর রহমত এবং আপনাদের দোয়া নিয়ে নির্বাচিত হতে পারলে কীর্তিপাশাকে মাদকমুক্ত, শিক্ষাবান্ধব ও ডিজিটাল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ। আমার লক্ষ্য হবে প্রতিটি রাস্তা পাকা করা, প্রতিটি ঘরে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।”
মুন্নার ঘোষণার পর থেকে কীর্তিপাশায় নির্বাচনী আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও মা-বোনদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে কথা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন এখনও তফসিল ঘোষণা না করলেও ইউনিয়নে নির্বাচনী আমেজ দেখা যাচ্ছে।
























