1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. motalebsenbag1@gmail.com : Md.Abdul Motaleb :
  3. vision3zero@gmail.com : Shahidul islam sharif :
  4. zonebd62@gmail.com : staffreporter202527 :
ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নওগাঁয় একুশে পরিষদের ফল উৎসব ও গীত-মঞ্জরি অনুষ্ঠিত

মো: এ কে নোমান, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশীয় ফল, লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে নওগাঁয় ফল উৎসবের আয়োজন করেছে সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন একুশে পরিষদ নওগাঁ। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে শহরের প্যারীমোহন সাধারণ গ্রন্থাগার চত্বরে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

ফল উৎসবে প্রায় ২২ প্রজাতির দেশীয় ফলের মনোমুগ্ধকর প্রদর্শনী করা হয়। আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, পেয়ারা ও জামরুলের পাশাপাশি লটকন, কামরাঙা, আতা, শরিফা, ডেউয়া, করমচা, কদবেল, বেল, সফেদা, আমড়া, বাতাবি লেবু, গাব, তাল ও বেতফলসহ নানা দেশীয় ফল স্থান পায় প্রদর্শনীতে। উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা এসব ফলের স্বাদ গ্রহণের পাশাপাশি ফলগুলোর পুষ্টিগুণ সম্পর্কেও জানতে পারেন।

একুশে পরিষদ নওগাঁর সাধারণ সম্পাদক এম এম রাসেল বলেন, নতুন প্রজন্মকে দেশীয় ফলের সঙ্গে পরিচিত করা এবং পুষ্টিগুণসম্পন্ন ফল খাওয়ার প্রতি আগ্রহী করে তোলাই এবারের আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। একসঙ্গে এত বৈচিত্র্যময় দেশীয় ফলের প্রদর্শনী ও স্বাদ গ্রহণের সুযোগ দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে নওগাঁর ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক আয়োজন ‘গীত-মঞ্জরি’ অনুষ্ঠিত হয়। দেশাত্মবোধক, লোকজ ও আধুনিক গানের পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। মাটির গান, দেশীয় ফলের সৌরভ এবং অংশগ্রহণকারীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে উৎসবটি এক অনন্য সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় রূপ নেয়।

একুশে পরিষদ নওগাঁর সভাপতি ডিএম আব্দুল বারী বলেন, দেশীয় সংস্কৃতি, প্রকৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে সংগঠনটি সারা বছর বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে থাকে। নতুন প্রজন্মকে শিকড় ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মধ্য দিয়েই সাংস্কৃতিক চেতনার বিকাশ সম্ভব।

তিনি আরও জানান, এবারের ফল উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ ছিল ফলের শৈল্পিক উপস্থাপনা। ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পের থালা, পাত্র ও বিভিন্ন সাজসজ্জার উপকরণ ব্যবহার করে ফলগুলো নান্দনিকভাবে প্রদর্শন করা হয়। এর মাধ্যমে দেশীয় ফলের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি বাংলার হারিয়ে যেতে বসা মৃৎশিল্পের ঐতিহ্যও নতুনভাবে সবার সামনে তুলে ধরা হয়েছে।

ফল উৎসবে শহরের বিভিন্ন বয়সী মানুষ অংশ নেন। আয়োজনটি দেশীয় ফল, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০১:৫৩:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁয় একুশে পরিষদের ফল উৎসব ও গীত-মঞ্জরি অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০১:৫৩:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

দেশীয় ফল, লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে নওগাঁয় ফল উৎসবের আয়োজন করেছে সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন একুশে পরিষদ নওগাঁ। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে শহরের প্যারীমোহন সাধারণ গ্রন্থাগার চত্বরে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

ফল উৎসবে প্রায় ২২ প্রজাতির দেশীয় ফলের মনোমুগ্ধকর প্রদর্শনী করা হয়। আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, পেয়ারা ও জামরুলের পাশাপাশি লটকন, কামরাঙা, আতা, শরিফা, ডেউয়া, করমচা, কদবেল, বেল, সফেদা, আমড়া, বাতাবি লেবু, গাব, তাল ও বেতফলসহ নানা দেশীয় ফল স্থান পায় প্রদর্শনীতে। উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা এসব ফলের স্বাদ গ্রহণের পাশাপাশি ফলগুলোর পুষ্টিগুণ সম্পর্কেও জানতে পারেন।

একুশে পরিষদ নওগাঁর সাধারণ সম্পাদক এম এম রাসেল বলেন, নতুন প্রজন্মকে দেশীয় ফলের সঙ্গে পরিচিত করা এবং পুষ্টিগুণসম্পন্ন ফল খাওয়ার প্রতি আগ্রহী করে তোলাই এবারের আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। একসঙ্গে এত বৈচিত্র্যময় দেশীয় ফলের প্রদর্শনী ও স্বাদ গ্রহণের সুযোগ দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে নওগাঁর ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক আয়োজন ‘গীত-মঞ্জরি’ অনুষ্ঠিত হয়। দেশাত্মবোধক, লোকজ ও আধুনিক গানের পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। মাটির গান, দেশীয় ফলের সৌরভ এবং অংশগ্রহণকারীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে উৎসবটি এক অনন্য সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় রূপ নেয়।

একুশে পরিষদ নওগাঁর সভাপতি ডিএম আব্দুল বারী বলেন, দেশীয় সংস্কৃতি, প্রকৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে সংগঠনটি সারা বছর বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে থাকে। নতুন প্রজন্মকে শিকড় ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মধ্য দিয়েই সাংস্কৃতিক চেতনার বিকাশ সম্ভব।

তিনি আরও জানান, এবারের ফল উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ ছিল ফলের শৈল্পিক উপস্থাপনা। ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পের থালা, পাত্র ও বিভিন্ন সাজসজ্জার উপকরণ ব্যবহার করে ফলগুলো নান্দনিকভাবে প্রদর্শন করা হয়। এর মাধ্যমে দেশীয় ফলের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি বাংলার হারিয়ে যেতে বসা মৃৎশিল্পের ঐতিহ্যও নতুনভাবে সবার সামনে তুলে ধরা হয়েছে।

ফল উৎসবে শহরের বিভিন্ন বয়সী মানুষ অংশ নেন। আয়োজনটি দেশীয় ফল, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।