1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুকসুদপুরে সহকারী শিক্ষক রাজিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে সহকর্মীকে যৌন হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতা অভিযোগ

সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ১৪৮ নম্বর কদমপুর সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক রাজিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে সহকর্মী নারী
শিক্ষকরা আপত্তিকর আচরণ অশোভন যৌন হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতা
অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে
তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা শিক্ষা অফিস।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায় বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রাজিবুল ইসলাম
(যোগদান:২১ জুন ২০১৬)-এর বিরুদ্ধে একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক
হ্যাপি খানম (যোগদান: ২২ জানুয়ারি ২০২৩) লিখিত অভিযোগ দায়ের
করেছেন।

লিখিত অভিযোগে হ্যাপি খানম উল্লেখ করেন, গত প্রায় দুই বছর ধরে
রাজিবুল ইসলাম তাকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের ওয়াশরুমে গেলেও রাজিবুল ইসলাম
দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতেন এবং বিভিন্ন সময় অশোভন আচরণ
করতেন। এ কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে তিনি অনেক সময় শিশু
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে ওয়াশরুমে যেতে বাধ্য হতেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ারা
বেগম, সহকারী শিক্ষক তাসলিমা এবং সহকারী শিক্ষক শরিফা সুলতানা
যুথীর নজরে আসে। পরে প্রধান শিক্ষক বিষয়টি নিয়ে রাজিবুল
ইসলামকে সতর্ক করলে তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং হাত
তুলতে উদ্যত হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সাংবাদিকের কাছে হ্যাপি খানম লিখিত অভিযোগের একটি
অনুলিপি প্রদান করেছেন। একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা
কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক রাজিবুল
ইসলাম। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।
আমি এ ধরনের কোনো কাজ করিনি। শুধু বিভিন্ন সময় তার সঙ্গে
স্বাভাবিকভাবে কথা বলার চেষ্টা করেছি এবং হাসি-ঠাট্টা করেছি, এর
বেশি কিছু নয়। আমাকে বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ষয়যন্ত্র
করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে মুকসুদপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এম. এ. নাইম বলেন,
আমি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত
কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা তদন্ত করছি। তদন্তে অভিযোগের
সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-
সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হবে
বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৭:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

মুকসুদপুরে সহকারী শিক্ষক রাজিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে সহকর্মীকে যৌন হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতা অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ১৪৮ নম্বর কদমপুর সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক রাজিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে সহকর্মী নারী
শিক্ষকরা আপত্তিকর আচরণ অশোভন যৌন হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতা
অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে
তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা শিক্ষা অফিস।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায় বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রাজিবুল ইসলাম
(যোগদান:২১ জুন ২০১৬)-এর বিরুদ্ধে একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক
হ্যাপি খানম (যোগদান: ২২ জানুয়ারি ২০২৩) লিখিত অভিযোগ দায়ের
করেছেন।

লিখিত অভিযোগে হ্যাপি খানম উল্লেখ করেন, গত প্রায় দুই বছর ধরে
রাজিবুল ইসলাম তাকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের ওয়াশরুমে গেলেও রাজিবুল ইসলাম
দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতেন এবং বিভিন্ন সময় অশোভন আচরণ
করতেন। এ কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে তিনি অনেক সময় শিশু
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে ওয়াশরুমে যেতে বাধ্য হতেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ারা
বেগম, সহকারী শিক্ষক তাসলিমা এবং সহকারী শিক্ষক শরিফা সুলতানা
যুথীর নজরে আসে। পরে প্রধান শিক্ষক বিষয়টি নিয়ে রাজিবুল
ইসলামকে সতর্ক করলে তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং হাত
তুলতে উদ্যত হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সাংবাদিকের কাছে হ্যাপি খানম লিখিত অভিযোগের একটি
অনুলিপি প্রদান করেছেন। একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা
কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক রাজিবুল
ইসলাম। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।
আমি এ ধরনের কোনো কাজ করিনি। শুধু বিভিন্ন সময় তার সঙ্গে
স্বাভাবিকভাবে কথা বলার চেষ্টা করেছি এবং হাসি-ঠাট্টা করেছি, এর
বেশি কিছু নয়। আমাকে বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ষয়যন্ত্র
করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে মুকসুদপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এম. এ. নাইম বলেন,
আমি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত
কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা তদন্ত করছি। তদন্তে অভিযোগের
সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-
সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হবে
বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।