1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টুঙ্গিপাড়ায় রেজিস্ট্রেশন জটিলতায় উপবৃত্তি থেকে বঞ্চিত ২৬৭ শিক্ষার্থী, অভিভাবকদের ক্ষোভ

ছাইম খান গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বিলবেষ্টিত গোপালপুর গ্রামের অধিকাংশ পরিবার দিনমজুরি, কৃষিশ্রম, মাছ ধরা ও ভ্যানচালনার মতো পেশার ওপর নির্ভরশীল। সীমিত আয়ের মধ্যেও তারা সন্তানদের শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করেন। এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের উপবৃত্তি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হলেও, রেজিস্ট্রেশন জটিলতার কারণে গোপালপুর পঞ্চপল্লী উচ্চ বিদ্যালয়ের টানা দুই শিক্ষাবর্ষের ২৬৭ শিক্ষার্থী এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, ২০২৫ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া ১৪৬ জন এবং ২০২৬ সালে ভর্তি হওয়া আরও ১২১ জন শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় রেজিস্ট্রেশন সময়মতো সম্পন্ন হয়নি। ফলে তারা নিয়ম অনুযায়ী উপবৃত্তির আওতায় আসতে পারেনি। এর পাশাপাশি ভবিষ্যতে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের এককালীন আর্থিক সহায়তা থেকেও তারা বঞ্চিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিল্টন তালুকদারের দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন অভিভাবকরা। তাদের দাবি, প্রশাসনিক ত্রুটির কারণে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সহায়তার সুযোগ হারিয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ে মাসিক টিউশন ফি ও অন্যান্য ফি বৃদ্ধি করায় নিম্নআয়ের পরিবারের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক শান্তি ব্যাপারী বলেন, দুই বছরের ২৬৭ শিক্ষার্থী প্রায় পাঁচ বছর ধরে উপবৃত্তির অর্থ থেকে বঞ্চিত হবে। তার হিসাবে, প্রতিজন শিক্ষার্থী গড়ে প্রায় ১৬ হাজার টাকা করে হারালে মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪২ লাখ ৭২ হাজার টাকা। তিনি এ ক্ষতির জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের গাফিলতিকেই দায়ী করেন।

আরেক অভিভাবক অধীর মহলীর অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব নেওয়ার পর বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তার মতে, শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কাজ সময়মতো সম্পন্ন না হওয়ায় এ ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে।

অভিভাবক ঝর্না মহলী বলেন, প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও তার সন্তান উপবৃত্তির আওতায় আসেনি। তিনি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের জন্য বিকল্প সহায়তার দাবি জানান।

শিক্ষার্থীদের মধ্যেও হতাশা দেখা দিয়েছে। তাদের অনেকেই জানায়, পরিবারের আর্থিক অবস্থার কারণে উপবৃত্তির অর্থ তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে বড় সহায়তা হতে পারত। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফি বৃদ্ধি পাওয়ায় অভিভাবকদের ওপর চাপ আরও বেড়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিল্টন তালুকদার বলেন, বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী দরিদ্র পরিবারের হওয়ায় উপবৃত্তি তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার দাবি, গত বছর সার্ভার জটিলতা ও অন্যান্য প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে আবেদন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটে। চলতি বছরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। পরে শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয়েছে এবং বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন জানানো হয়েছে। তবে বিদ্যালয়ে অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম তালুকদার জানান, বিদ্যালয়টিতে দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটি না থাকায় প্রশাসনিক দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, উপবৃত্তির আবেদন নিয়ে জানুয়ারি থেকেই একাধিকবার নির্দেশনা ও তাগিদ দেওয়া হয়েছিল। এমনকি চূড়ান্ত সময়সীমার আগেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে রেজিস্ট্রেশন ও তথ্য এন্ট্রির বিষয়টি দ্রুত সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় এবার শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও জানান, শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছাড়া উপবৃত্তির আবেদন গ্রহণ করা হয় না। যেহেতু আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক এবং নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করেছে, তাই বর্তমানে নতুন করে আবেদন করার সুযোগ নেই।

এ বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল আলম বলেন, বিদ্যালয়কে ঘিরে ওঠা অভিযোগ প্রশাসনের নজরে এসেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজন হলে যৌক্তিক পর্যায়ে তা সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, চলতি বছরের উপবৃত্তির সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব নয়। তবে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের সমস্যা আর না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি জেলা পরিষদ বা অন্য কোনো সরকারি সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহযোগিতা দেওয়ার সুযোগ থাকলে তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০১:৩৮:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

টুঙ্গিপাড়ায় রেজিস্ট্রেশন জটিলতায় উপবৃত্তি থেকে বঞ্চিত ২৬৭ শিক্ষার্থী, অভিভাবকদের ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০১:৩৮:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বিলবেষ্টিত গোপালপুর গ্রামের অধিকাংশ পরিবার দিনমজুরি, কৃষিশ্রম, মাছ ধরা ও ভ্যানচালনার মতো পেশার ওপর নির্ভরশীল। সীমিত আয়ের মধ্যেও তারা সন্তানদের শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করেন। এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের উপবৃত্তি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হলেও, রেজিস্ট্রেশন জটিলতার কারণে গোপালপুর পঞ্চপল্লী উচ্চ বিদ্যালয়ের টানা দুই শিক্ষাবর্ষের ২৬৭ শিক্ষার্থী এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, ২০২৫ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া ১৪৬ জন এবং ২০২৬ সালে ভর্তি হওয়া আরও ১২১ জন শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় রেজিস্ট্রেশন সময়মতো সম্পন্ন হয়নি। ফলে তারা নিয়ম অনুযায়ী উপবৃত্তির আওতায় আসতে পারেনি। এর পাশাপাশি ভবিষ্যতে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের এককালীন আর্থিক সহায়তা থেকেও তারা বঞ্চিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিল্টন তালুকদারের দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন অভিভাবকরা। তাদের দাবি, প্রশাসনিক ত্রুটির কারণে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সহায়তার সুযোগ হারিয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ে মাসিক টিউশন ফি ও অন্যান্য ফি বৃদ্ধি করায় নিম্নআয়ের পরিবারের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক শান্তি ব্যাপারী বলেন, দুই বছরের ২৬৭ শিক্ষার্থী প্রায় পাঁচ বছর ধরে উপবৃত্তির অর্থ থেকে বঞ্চিত হবে। তার হিসাবে, প্রতিজন শিক্ষার্থী গড়ে প্রায় ১৬ হাজার টাকা করে হারালে মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪২ লাখ ৭২ হাজার টাকা। তিনি এ ক্ষতির জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের গাফিলতিকেই দায়ী করেন।

আরেক অভিভাবক অধীর মহলীর অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব নেওয়ার পর বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তার মতে, শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কাজ সময়মতো সম্পন্ন না হওয়ায় এ ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে।

অভিভাবক ঝর্না মহলী বলেন, প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও তার সন্তান উপবৃত্তির আওতায় আসেনি। তিনি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের জন্য বিকল্প সহায়তার দাবি জানান।

শিক্ষার্থীদের মধ্যেও হতাশা দেখা দিয়েছে। তাদের অনেকেই জানায়, পরিবারের আর্থিক অবস্থার কারণে উপবৃত্তির অর্থ তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে বড় সহায়তা হতে পারত। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফি বৃদ্ধি পাওয়ায় অভিভাবকদের ওপর চাপ আরও বেড়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিল্টন তালুকদার বলেন, বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী দরিদ্র পরিবারের হওয়ায় উপবৃত্তি তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার দাবি, গত বছর সার্ভার জটিলতা ও অন্যান্য প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে আবেদন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটে। চলতি বছরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। পরে শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয়েছে এবং বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন জানানো হয়েছে। তবে বিদ্যালয়ে অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ তিনি প্রত্যাখ্যান করেন।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম তালুকদার জানান, বিদ্যালয়টিতে দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটি না থাকায় প্রশাসনিক দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, উপবৃত্তির আবেদন নিয়ে জানুয়ারি থেকেই একাধিকবার নির্দেশনা ও তাগিদ দেওয়া হয়েছিল। এমনকি চূড়ান্ত সময়সীমার আগেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে রেজিস্ট্রেশন ও তথ্য এন্ট্রির বিষয়টি দ্রুত সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় এবার শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও জানান, শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছাড়া উপবৃত্তির আবেদন গ্রহণ করা হয় না। যেহেতু আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক এবং নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করেছে, তাই বর্তমানে নতুন করে আবেদন করার সুযোগ নেই।

এ বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল আলম বলেন, বিদ্যালয়কে ঘিরে ওঠা অভিযোগ প্রশাসনের নজরে এসেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজন হলে যৌক্তিক পর্যায়ে তা সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, চলতি বছরের উপবৃত্তির সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব নয়। তবে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের সমস্যা আর না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি জেলা পরিষদ বা অন্য কোনো সরকারি সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহযোগিতা দেওয়ার সুযোগ থাকলে তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।