1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চৌদ্দগ্রাম বিসিক থেকে পৌনে ২ কোটি টাকার মালামাল লুট, ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বিসিক শিল্প নগরীর মিজান অয়েল মিলের প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার মালামাল লুটপাট করে নেয়ায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। পৌরসভায় অবস্থিত শিল্প নগরীর প্লট নং: বি-৬, বি-৭ এ অবস্থিত আব্দুল মান্নানের নামে বরাদ্দকৃত এবং মিজানুর রহমানের মালিকানাধীন মিজান অয়েল মিল নামীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। এসময় ব্যবসা প্রতিষ্টানের গুরুত্বপূর্ন কাগজপত্র এবং কাষ্টমারের নিকট থেকে সিকিউরিটি হিসেবে গ্রহন করা প্রায় ২ কোটি টাকার ব্যাংক চেক, কম্পিউটার সহ অফিসের গুরুত্বপূর্ন ডুকোমেন্ট লুটপাট করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এঘটনায় মিজান অয়েল মিলের মালিক বাদী হয়ে ২৬ শে এপ্রিল ২০২৬ইং রবিবার বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। থানা পুলিশ তদন্তের নামে সময়ক্ষেপন করে মামলা না নেয়ায়, ৬ জুলাই ২০২৬ রবিবার কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১৫/২০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেয়।

জানা গেছে, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বিএসটিআই থেকে লাইসেন্স প্রাপ্ত ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান ২০১৪ সাল থেকে চৌদ্দগ্রাম বিসিক শিল্প নগরীতে ব্যবসা শুরু করে। উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়ন বাহেরগড়া গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে আব্দুল মান্নানের নামে বরাদ্দকৃত বি-৬, বি-৭ নাম্বারের প্লট দুটি মিজান অয়েল মিলের সঙ্গে ৩০ মে ২০২৪ ইং তারিখ পর্যন্ত ১০ বছরের মেয়াদে চুক্তিপত্র হয়। মেয়াদ শেষে পূনরায় চুক্তিপত্র নবায়নের শর্ত থাকা মিজান অয়েল মিলের মালিক পাঁচ লক্ষ টাকা অগ্রিম জামানত প্রদানের পর, সরিষা তেলের মিল ও নারিকেল তেলের মিল স্থাপনের পর ব্যবসা আরম্ভ করে আসছে।চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষ হবার পূর্বে প্লট মালিক আবদুল মান্নান গত ২৪ শে সেপ্টেম্বর ২০২৩ সনে মারা যান। আবদুল মান্নানের মৃত্যুর কয়েকদিন পর থেকে তার স্ত্রী ফয়েজের নেছা সুমী চুক্তিপত্র নবায়নের পূর্বেই আবদুল মান্নানের সংসার ছেড়ে অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। এদিকে, ওয়ারিশগণের প্রধান অভিভাবক আবদুল মান্নানের মা আনোয়ারা বেগমের সাথে নতুন চুক্তিপত্র করে, মিজান অয়েল মিলের সাথে রীতিমত ভাড়া আদান প্রদান করে আসছে। এরেই মধ্যে উপজেলার বাহেরগড়া তিনপাড়া গ্রামের বদিউল আলমের ছেলে আবু বকরের নেতৃত্বে ৬ জন সন্ত্রাসী ঘটনার দিন মিজান অয়েল মিলে অনাধিকার প্রবেশ করে ম্যানেজারের নিকট ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। ম্যানেজার চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করলে, আবু বকর ৫ মিনিটের মধ্যে মিল কারখানা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেয়। ৩/৪ মিনিটের মধ্যে আবদুল মান্নানের স্ত্রী সুমী অজ্ঞাত ১৫/২০ জনের একটি ভাড়াটে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে মিজান অয়েল মিলে বেআইনি অনুপ্রবেশ করে একযোগে আক্রমণ চালায়। এসময় প্রতিষ্ঠানের কর্মরত শ্রমিক ম্যানেজার অপারেটর সহ সবাইকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চড় থাপ্পর এবং কিল ঘুষি মেরে আতংক সৃষ্টি করে- ১ কোটি ৭৪ লক্ষ ২৯ হাজার টাকার মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বিষবাগ গ্রামের মৃত আবদুল মান্নানের ছেলে মিজানুর রহমান ২০১৪ সালের মে মাসে চৌদ্দগ্রাম বিসিক শিল্পনগরীতে ৫ লক্ষ টাকা জামানত ও ১০ হাজার টাকা মাসিক ভাড়া চুক্তিতে জনৈক আবদুল মান্নানের দুটি প্লটে তেলের কারখানা স্থাপন করেন। যাতে ১০ বছর পর পুনরায় ভাড়া চুক্তি নবায়নের শর্ত ছিল। ২০১৮ সালে ২ কোটি টাকা ব্যাংক লোন নিয়ে ভাড়া চুক্তি নবায়ন ও ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি করে মিজান অয়েল মিল প্রতিষ্ঠা করে নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করে আসছিলেন। এরেই মধ্যে ২০২৩ সালে প্লটের মালিক আবদুল মান্নানের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর কিছু দিন পরেই সুমী মান্নানের সংসার বিসর্জন দিয়ে আবার বিয়ের পিড়িতে বসে। মরহুম আবদুল মান্নানের ওয়ারিশগনের অভিভাবক তার মা আনোয়ারা বেগমের সাথে পুরাতন চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষে চুক্তি নবায়ন করেন ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ম্যানেজারকে দায়িত্ব দিয়ে মিজানুর রহমান সংযুক্ত আরব আমিরাত চলে যান। এরপর দুই দফায় ফয়েজুন্নেসা সুমী লোকজন নিয়ে মিল কারখানায় হামলা করে মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন ওই ব্যবসায়ী।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, কোন প্রকার বিরোধ ছাড়াই আবদুল মান্নানের সংসার বিসর্জন দিয়ে অন্যত্র নতুন সংসারে আবদ্ধ হওয়া ফয়েজের নেছা সুমী ও তার ভাই আবদুস ছোবহান এবং তার বোন জামাই তিনপাড়া গ্রামের বদিউল আলমের ছেলে আবু বক্করের নেতৃত্বে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার উত্তর শ্রীপুর গ্রামের মুজিবের মিজানুর রহমান (৩৮), নুরু মিয়ার ছেলে বাবলু (৩৫), শাহ আলমের ছেলে আরাফাত (২৩) পাঁচরা গ্রামের মৃত আতর আলীর ছেলে মোঃ মাসুদ (৪২), মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ সহিদ (৪৩) সহ অজ্ঞাত ১৫/২০ জন সন্ত্রাসী মিজান অয়েল মিল নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র, দা, ছেনি, লাঠি, শাবল, রড ইত্যাদিসহ বেআইনি অনুপ্রবেশ করে, সকলে একযোগে আক্রমণ চালায়।
এবিষয়ে মামলার বাদী মোশারফ হোসেন বলেন, আমার বাবা মিজানুর রহমানের দীর্ঘদিনের মেধা ও শ্রম এবং অর্থ ব্যয় করে তিল তিল করে গড়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এক নিমিষেই লুটপাট করে নেয়া হয়েছে। উক্ত ঘটনার জড়িত থাকা আবদুস ছোবহান নামক চিহ্নিত এক অরপাধীর নাম মামলায় উল্লেখ হয়নি। এবিষয়ে আমি আইনজীবির সাথে পরামর্শ করেছি। সর্বোপরি আমি ন্যায় বিচার আশা করি। অপরাধ করে কোন অপরাধী যেন পার না পায়- সেটি সুদৃষ্টি রাখার জন্য প্রশাসন মহলের প্রতি আমার জোর দাবী জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৫:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

চৌদ্দগ্রাম বিসিক থেকে পৌনে ২ কোটি টাকার মালামাল লুট, ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বিসিক শিল্প নগরীর মিজান অয়েল মিলের প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকার মালামাল লুটপাট করে নেয়ায় অভিযোগ পাওয়া গেছে। পৌরসভায় অবস্থিত শিল্প নগরীর প্লট নং: বি-৬, বি-৭ এ অবস্থিত আব্দুল মান্নানের নামে বরাদ্দকৃত এবং মিজানুর রহমানের মালিকানাধীন মিজান অয়েল মিল নামীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। এসময় ব্যবসা প্রতিষ্টানের গুরুত্বপূর্ন কাগজপত্র এবং কাষ্টমারের নিকট থেকে সিকিউরিটি হিসেবে গ্রহন করা প্রায় ২ কোটি টাকার ব্যাংক চেক, কম্পিউটার সহ অফিসের গুরুত্বপূর্ন ডুকোমেন্ট লুটপাট করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এঘটনায় মিজান অয়েল মিলের মালিক বাদী হয়ে ২৬ শে এপ্রিল ২০২৬ইং রবিবার বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। থানা পুলিশ তদন্তের নামে সময়ক্ষেপন করে মামলা না নেয়ায়, ৬ জুলাই ২০২৬ রবিবার কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১৫/২০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেয়।

জানা গেছে, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বিএসটিআই থেকে লাইসেন্স প্রাপ্ত ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান ২০১৪ সাল থেকে চৌদ্দগ্রাম বিসিক শিল্প নগরীতে ব্যবসা শুরু করে। উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়ন বাহেরগড়া গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে আব্দুল মান্নানের নামে বরাদ্দকৃত বি-৬, বি-৭ নাম্বারের প্লট দুটি মিজান অয়েল মিলের সঙ্গে ৩০ মে ২০২৪ ইং তারিখ পর্যন্ত ১০ বছরের মেয়াদে চুক্তিপত্র হয়। মেয়াদ শেষে পূনরায় চুক্তিপত্র নবায়নের শর্ত থাকা মিজান অয়েল মিলের মালিক পাঁচ লক্ষ টাকা অগ্রিম জামানত প্রদানের পর, সরিষা তেলের মিল ও নারিকেল তেলের মিল স্থাপনের পর ব্যবসা আরম্ভ করে আসছে।চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষ হবার পূর্বে প্লট মালিক আবদুল মান্নান গত ২৪ শে সেপ্টেম্বর ২০২৩ সনে মারা যান। আবদুল মান্নানের মৃত্যুর কয়েকদিন পর থেকে তার স্ত্রী ফয়েজের নেছা সুমী চুক্তিপত্র নবায়নের পূর্বেই আবদুল মান্নানের সংসার ছেড়ে অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। এদিকে, ওয়ারিশগণের প্রধান অভিভাবক আবদুল মান্নানের মা আনোয়ারা বেগমের সাথে নতুন চুক্তিপত্র করে, মিজান অয়েল মিলের সাথে রীতিমত ভাড়া আদান প্রদান করে আসছে। এরেই মধ্যে উপজেলার বাহেরগড়া তিনপাড়া গ্রামের বদিউল আলমের ছেলে আবু বকরের নেতৃত্বে ৬ জন সন্ত্রাসী ঘটনার দিন মিজান অয়েল মিলে অনাধিকার প্রবেশ করে ম্যানেজারের নিকট ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। ম্যানেজার চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করলে, আবু বকর ৫ মিনিটের মধ্যে মিল কারখানা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেয়। ৩/৪ মিনিটের মধ্যে আবদুল মান্নানের স্ত্রী সুমী অজ্ঞাত ১৫/২০ জনের একটি ভাড়াটে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে মিজান অয়েল মিলে বেআইনি অনুপ্রবেশ করে একযোগে আক্রমণ চালায়। এসময় প্রতিষ্ঠানের কর্মরত শ্রমিক ম্যানেজার অপারেটর সহ সবাইকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চড় থাপ্পর এবং কিল ঘুষি মেরে আতংক সৃষ্টি করে- ১ কোটি ৭৪ লক্ষ ২৯ হাজার টাকার মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বিষবাগ গ্রামের মৃত আবদুল মান্নানের ছেলে মিজানুর রহমান ২০১৪ সালের মে মাসে চৌদ্দগ্রাম বিসিক শিল্পনগরীতে ৫ লক্ষ টাকা জামানত ও ১০ হাজার টাকা মাসিক ভাড়া চুক্তিতে জনৈক আবদুল মান্নানের দুটি প্লটে তেলের কারখানা স্থাপন করেন। যাতে ১০ বছর পর পুনরায় ভাড়া চুক্তি নবায়নের শর্ত ছিল। ২০১৮ সালে ২ কোটি টাকা ব্যাংক লোন নিয়ে ভাড়া চুক্তি নবায়ন ও ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি করে মিজান অয়েল মিল প্রতিষ্ঠা করে নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করে আসছিলেন। এরেই মধ্যে ২০২৩ সালে প্লটের মালিক আবদুল মান্নানের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর কিছু দিন পরেই সুমী মান্নানের সংসার বিসর্জন দিয়ে আবার বিয়ের পিড়িতে বসে। মরহুম আবদুল মান্নানের ওয়ারিশগনের অভিভাবক তার মা আনোয়ারা বেগমের সাথে পুরাতন চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষে চুক্তি নবায়ন করেন ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ম্যানেজারকে দায়িত্ব দিয়ে মিজানুর রহমান সংযুক্ত আরব আমিরাত চলে যান। এরপর দুই দফায় ফয়েজুন্নেসা সুমী লোকজন নিয়ে মিল কারখানায় হামলা করে মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন ওই ব্যবসায়ী।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, কোন প্রকার বিরোধ ছাড়াই আবদুল মান্নানের সংসার বিসর্জন দিয়ে অন্যত্র নতুন সংসারে আবদ্ধ হওয়া ফয়েজের নেছা সুমী ও তার ভাই আবদুস ছোবহান এবং তার বোন জামাই তিনপাড়া গ্রামের বদিউল আলমের ছেলে আবু বক্করের নেতৃত্বে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার উত্তর শ্রীপুর গ্রামের মুজিবের মিজানুর রহমান (৩৮), নুরু মিয়ার ছেলে বাবলু (৩৫), শাহ আলমের ছেলে আরাফাত (২৩) পাঁচরা গ্রামের মৃত আতর আলীর ছেলে মোঃ মাসুদ (৪২), মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ সহিদ (৪৩) সহ অজ্ঞাত ১৫/২০ জন সন্ত্রাসী মিজান অয়েল মিল নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র, দা, ছেনি, লাঠি, শাবল, রড ইত্যাদিসহ বেআইনি অনুপ্রবেশ করে, সকলে একযোগে আক্রমণ চালায়।
এবিষয়ে মামলার বাদী মোশারফ হোসেন বলেন, আমার বাবা মিজানুর রহমানের দীর্ঘদিনের মেধা ও শ্রম এবং অর্থ ব্যয় করে তিল তিল করে গড়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এক নিমিষেই লুটপাট করে নেয়া হয়েছে। উক্ত ঘটনার জড়িত থাকা আবদুস ছোবহান নামক চিহ্নিত এক অরপাধীর নাম মামলায় উল্লেখ হয়নি। এবিষয়ে আমি আইনজীবির সাথে পরামর্শ করেছি। সর্বোপরি আমি ন্যায় বিচার আশা করি। অপরাধ করে কোন অপরাধী যেন পার না পায়- সেটি সুদৃষ্টি রাখার জন্য প্রশাসন মহলের প্রতি আমার জোর দাবী জানাচ্ছি।