কাশিয়ানীতে ছাত্রলীগের মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, বিএনপি নেতার মোটরসাইকেলে আগুন
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের একটি বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হামলা, ভাঙচুর ও একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর পুলিশ ২০ জনকে আটক করেছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল প্রায় ৪টার দিকে উপজেলার ওড়াকান্দি ইউনিয়নের তিলছাড়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজাদ হোসেন ও সহ-সভাপতি সুমন খন্দকারের নেতৃত্বে প্রায় দেড় শতাধিক নেতাকর্মী মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিল চলাকালে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয় এবং কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুমন সরদার তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মিছিলের একটি ভিডিও প্রকাশ করেন।
জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহতদের স্মরণে এবং ওই ঘটনাকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে উল্লেখ করে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল।
এদিকে মিছিলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. নান্নান খাকীর অভিযোগ, তারা সেখানে পৌঁছানোর পর মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হকসহ দলের আরও কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। একই সঙ্গে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার বিষয়ে কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান জানান, মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা ও হামলার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।




















