1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ১২:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বক্স অফিসে ধাক্কা খেতে পারে ডিজনির ‘মোয়ানা’ লাইভ-অ্যাকশন, আশঙ্কা ১০০ মিলিয়ন ডলার লোকসানের

অনলাইন ডেস্ক
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডিজনির বহুল প্রতীক্ষিত লাইভ-অ্যাকশন চলচ্চিত্র ‘মোয়ানা’ মুক্তির পর প্রত্যাশিত সাড়া পাচ্ছে না। বক্স অফিসে ধীরগতির সূচনার কারণে সিনেমাটি থেকে বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা করছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা।

ভ্যারাইটি-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের জনপ্রিয় অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র মোয়ানার লাইভ-অ্যাকশন সংস্করণটি উত্তর আমেরিকায় মুক্তির প্রথম সপ্তাহে আয় করেছে মাত্র ৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার। আর বিশ্বব্যাপী এর মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

প্রায় ২৫ কোটি ডলার নির্মাণ ব্যয় এবং ১২ কোটি ডলার বিপণন খরচ মিলিয়ে ছবিটির মোট বিনিয়োগ অনেক বেশি হওয়ায় বর্তমান আয়কে হতাশাজনক বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, টিকিট বিক্রিতে বড় ধরনের উল্লম্ফন না ঘটলে ডিজনির ১০০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা) পর্যন্ত লোকসান হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দর্শকরা মোয়ানার হুবহু লাইভ-অ্যাকশন সংস্করণের চেয়ে বরং অ্যানিমেটেড সিরিজের নতুন কিস্তি ‘মোয়ানা ৩’ দেখার প্রতিই বেশি আগ্রহী। কারণ ২০২৪ সালের শেষ দিকে মুক্তি পাওয়া ‘মোয়ানা ২’ এখনও দর্শকদের মনে সতেজ রয়েছে এবং মূল অ্যানিমেটেড ছবিটিও ডিজনি প্লাসে সবচেয়ে বেশি দেখা চলচ্চিত্রগুলোর একটি।

বিশ্লেষকদের মতে, ডিজনি এবার সময় নির্বাচনে ভুল করেছে। অতীতে ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট’, ‘আলাদিন’ ও ‘দ্য লায়ন কিং’-এর মতো ক্লাসিক অ্যানিমেশনের লাইভ-অ্যাকশন রিমেক করতে গড়ে প্রায় ২৭ বছর সময় নিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। ফলে দর্শকদের মধ্যে নস্টালজিয়া তৈরি হয়েছিল। কিন্তু মোয়ানার ক্ষেত্রে মাত্র এক দশকের ব্যবধানে এবং সিক্যুয়েল মুক্তির অল্প সময় পরই রিমেক আনা হওয়ায় সেই আবেগ তৈরি হয়নি।

অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’-এর লাইভ-অ্যাকশন সংস্করণ তুলনামূলক কম বাজেটে নির্মিত হয়ে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার আয় করে বড় সাফল্য পেয়েছিল।

চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্টদের ধারণা, মোয়ানার লাইভ-অ্যাকশন সংস্করণকে লাভজনক হতে হলে বিশ্বব্যাপী অন্তত ৬০০ মিলিয়ন ডলার আয় করতে হবে, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে বেশ কঠিন চ্যালেঞ্জ।

তবে সিনেমাটি বক্স অফিসে প্রত্যাশা পূরণ না করলেও ডিজনির জন্য ‘মোয়ানা’ এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্র্যাঞ্চাইজি। থিম পার্ক, খেলনা, পণ্য বিপণন এবং সংগীত স্ট্রিমিং থেকে এই ব্র্যান্ডটি প্রতিষ্ঠানটির জন্য উল্লেখযোগ্য রাজস্ব এনে দেয়।

সূত্র: ভ্যারাইটি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৫:৪০:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

বক্স অফিসে ধাক্কা খেতে পারে ডিজনির ‘মোয়ানা’ লাইভ-অ্যাকশন, আশঙ্কা ১০০ মিলিয়ন ডলার লোকসানের

আপডেট সময় : ০৫:৪০:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

ডিজনির বহুল প্রতীক্ষিত লাইভ-অ্যাকশন চলচ্চিত্র ‘মোয়ানা’ মুক্তির পর প্রত্যাশিত সাড়া পাচ্ছে না। বক্স অফিসে ধীরগতির সূচনার কারণে সিনেমাটি থেকে বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা করছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা।

ভ্যারাইটি-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের জনপ্রিয় অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র মোয়ানার লাইভ-অ্যাকশন সংস্করণটি উত্তর আমেরিকায় মুক্তির প্রথম সপ্তাহে আয় করেছে মাত্র ৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার। আর বিশ্বব্যাপী এর মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

প্রায় ২৫ কোটি ডলার নির্মাণ ব্যয় এবং ১২ কোটি ডলার বিপণন খরচ মিলিয়ে ছবিটির মোট বিনিয়োগ অনেক বেশি হওয়ায় বর্তমান আয়কে হতাশাজনক বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, টিকিট বিক্রিতে বড় ধরনের উল্লম্ফন না ঘটলে ডিজনির ১০০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা) পর্যন্ত লোকসান হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দর্শকরা মোয়ানার হুবহু লাইভ-অ্যাকশন সংস্করণের চেয়ে বরং অ্যানিমেটেড সিরিজের নতুন কিস্তি ‘মোয়ানা ৩’ দেখার প্রতিই বেশি আগ্রহী। কারণ ২০২৪ সালের শেষ দিকে মুক্তি পাওয়া ‘মোয়ানা ২’ এখনও দর্শকদের মনে সতেজ রয়েছে এবং মূল অ্যানিমেটেড ছবিটিও ডিজনি প্লাসে সবচেয়ে বেশি দেখা চলচ্চিত্রগুলোর একটি।

বিশ্লেষকদের মতে, ডিজনি এবার সময় নির্বাচনে ভুল করেছে। অতীতে ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট’, ‘আলাদিন’ ও ‘দ্য লায়ন কিং’-এর মতো ক্লাসিক অ্যানিমেশনের লাইভ-অ্যাকশন রিমেক করতে গড়ে প্রায় ২৭ বছর সময় নিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। ফলে দর্শকদের মধ্যে নস্টালজিয়া তৈরি হয়েছিল। কিন্তু মোয়ানার ক্ষেত্রে মাত্র এক দশকের ব্যবধানে এবং সিক্যুয়েল মুক্তির অল্প সময় পরই রিমেক আনা হওয়ায় সেই আবেগ তৈরি হয়নি।

অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’-এর লাইভ-অ্যাকশন সংস্করণ তুলনামূলক কম বাজেটে নির্মিত হয়ে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার আয় করে বড় সাফল্য পেয়েছিল।

চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্টদের ধারণা, মোয়ানার লাইভ-অ্যাকশন সংস্করণকে লাভজনক হতে হলে বিশ্বব্যাপী অন্তত ৬০০ মিলিয়ন ডলার আয় করতে হবে, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে বেশ কঠিন চ্যালেঞ্জ।

তবে সিনেমাটি বক্স অফিসে প্রত্যাশা পূরণ না করলেও ডিজনির জন্য ‘মোয়ানা’ এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্র্যাঞ্চাইজি। থিম পার্ক, খেলনা, পণ্য বিপণন এবং সংগীত স্ট্রিমিং থেকে এই ব্র্যান্ডটি প্রতিষ্ঠানটির জন্য উল্লেখযোগ্য রাজস্ব এনে দেয়।

সূত্র: ভ্যারাইটি