1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লিবিয়ার বন্দিশিবির থেকে দেশে ফিরলেন ১৭১ বাংলাদেশি

অনলাইন ডেস্ক
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লিবিয়ার বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা ১৭১ বাংলাদেশি স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), লিবিয়া সরকার এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোর ৬টা ২২ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রত্যাবাসিতদের অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। পরে তারা দেশটির বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক হন। তাদের অনেকেই লিবিয়ায় অবস্থানকালে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের কর্মকর্তারা। এ সময় অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে প্রত্যাবাসিতদের নিজেদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

আইওএমের পক্ষ থেকে প্রত্যেক প্রত্যাবাসিতকে পথখরচা, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় অস্থায়ী আবাসনের সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন নিশ্চিত করতে সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর যৌথ উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০২:০০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

লিবিয়ার বন্দিশিবির থেকে দেশে ফিরলেন ১৭১ বাংলাদেশি

আপডেট সময় : ০২:০০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

লিবিয়ার বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা ১৭১ বাংলাদেশি স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), লিবিয়া সরকার এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোর ৬টা ২২ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রত্যাবাসিতদের অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। পরে তারা দেশটির বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক হন। তাদের অনেকেই লিবিয়ায় অবস্থানকালে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের কর্মকর্তারা। এ সময় অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে প্রত্যাবাসিতদের নিজেদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

আইওএমের পক্ষ থেকে প্রত্যেক প্রত্যাবাসিতকে পথখরচা, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় অস্থায়ী আবাসনের সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন নিশ্চিত করতে সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর যৌথ উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।