1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  7. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাঠাগারের প্রবেশপথে বাঁশের বেড়া, সরকারি জমি দখলের অভিযোগ তিন প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে

শাহ আমানত মিঠু মহম্মদপুর , মাগুরা:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার খালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণপাঠাগারের প্রবেশের পথের সামনে সরকারি জমি বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় তিন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এতে করে পাঠাগারে শিক্ষার্থী ও সাধারন পাঠকদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ ওঠা তিন ব্যক্তি হলেন খালিয়া এলাকার আবু সাইদ মন্ডল, এনামুল হক ও সাবেক বিডিআর সদস্য মনিরুল ইসলাম।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়রা জানান, খালিয়া মৃত মজিদ মন্ডলের ছেলে রিয়াজ আলীর কাছ থেকে ১৯৬৮ নং দাগ নম্বর থেকে বাজারমূল্যে ৮ হাজার টাকা দিয়ে ৩ শতাংশ জমি ক্রয় করেন খালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে জমিটি কেনার পর সেদিন থেকেই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জায়গাটি ভোগদখলে নেয়। পরবর্তীতে ওই জায়গায় একটি গণপাঠাগার নির্মাণ করা হয়। তবে যে জায়গায় বাঁশের বেড়া দিয়েছেন ওই জায়গা সরকারি সম্পত্তি। সরকারি সম্পত্তি এভাবে জোর করে দখল করে নেওয়া এটা স্থানীয় জনগন কোন ভাবেই হতে দেবে না।
খালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু মোতালেব অভিযোগ করে জানান, খালিয়া গ্রামের সাইদ মন্ডল, এনামুল ও মনিমরুল জোর করেই পাঠাগারের সামনে দখল করে বাঁশের বেড়া দিয়েছেন। এই বেড়া দেওয়ার জন্য ছাত্র- ছাত্রীরা যে কোন সময় দূঘর্টনার শিকার হতে পারেন। আমি ওদের তিনজনের কাছে বিনীত ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি দ্রুত যেন বেড়া অপসারন করে নেন।

সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে আবু সাইদ মন্ডল, এনামুল হক ও মনিরুল ইসলাম জানান, জমির মালিক পাঠাগারের জায়গা ২০১৮ সালে আমাদের কাছে বিক্রি করেন এবং রেজিস্ট্রি করে দেন জমির রিয়াজ আলী। তবে পাঠাগারের সামনের জায়গা সরকারি সম্পত্তি এটা যেমন সঠিক কিন্তু বিদ্যালয় কতৃপক্ষ প্রথমে মাটি ফেলেছে, সেই কারনে আমরাও বাঁশের বেড়া দিয়েছি।

এ বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদমান আকিব বলেন, খালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণপাঠাগারের সামনে সরকারি জায়গা কিছু লোকজন বাঁশের বেড়া দিয়েছে বলে জানতে পেরেছি। সরকারি সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল কোনোভাবেই কাম্য নয়। যারা এ কাজ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৫:৩৫ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

পাঠাগারের প্রবেশপথে বাঁশের বেড়া, সরকারি জমি দখলের অভিযোগ তিন প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০৩:৫৫:৩৫ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার খালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণপাঠাগারের প্রবেশের পথের সামনে সরকারি জমি বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় তিন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এতে করে পাঠাগারে শিক্ষার্থী ও সাধারন পাঠকদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ ওঠা তিন ব্যক্তি হলেন খালিয়া এলাকার আবু সাইদ মন্ডল, এনামুল হক ও সাবেক বিডিআর সদস্য মনিরুল ইসলাম।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়রা জানান, খালিয়া মৃত মজিদ মন্ডলের ছেলে রিয়াজ আলীর কাছ থেকে ১৯৬৮ নং দাগ নম্বর থেকে বাজারমূল্যে ৮ হাজার টাকা দিয়ে ৩ শতাংশ জমি ক্রয় করেন খালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে জমিটি কেনার পর সেদিন থেকেই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জায়গাটি ভোগদখলে নেয়। পরবর্তীতে ওই জায়গায় একটি গণপাঠাগার নির্মাণ করা হয়। তবে যে জায়গায় বাঁশের বেড়া দিয়েছেন ওই জায়গা সরকারি সম্পত্তি। সরকারি সম্পত্তি এভাবে জোর করে দখল করে নেওয়া এটা স্থানীয় জনগন কোন ভাবেই হতে দেবে না।
খালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু মোতালেব অভিযোগ করে জানান, খালিয়া গ্রামের সাইদ মন্ডল, এনামুল ও মনিমরুল জোর করেই পাঠাগারের সামনে দখল করে বাঁশের বেড়া দিয়েছেন। এই বেড়া দেওয়ার জন্য ছাত্র- ছাত্রীরা যে কোন সময় দূঘর্টনার শিকার হতে পারেন। আমি ওদের তিনজনের কাছে বিনীত ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি দ্রুত যেন বেড়া অপসারন করে নেন।

সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে আবু সাইদ মন্ডল, এনামুল হক ও মনিরুল ইসলাম জানান, জমির মালিক পাঠাগারের জায়গা ২০১৮ সালে আমাদের কাছে বিক্রি করেন এবং রেজিস্ট্রি করে দেন জমির রিয়াজ আলী। তবে পাঠাগারের সামনের জায়গা সরকারি সম্পত্তি এটা যেমন সঠিক কিন্তু বিদ্যালয় কতৃপক্ষ প্রথমে মাটি ফেলেছে, সেই কারনে আমরাও বাঁশের বেড়া দিয়েছি।

এ বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদমান আকিব বলেন, খালিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণপাঠাগারের সামনে সরকারি জায়গা কিছু লোকজন বাঁশের বেড়া দিয়েছে বলে জানতে পেরেছি। সরকারি সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল কোনোভাবেই কাম্য নয়। যারা এ কাজ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।