২১ বছর পর আদালতে আত্মসমর্পণ, স্ত্রী হত্যার দায়ে ভোলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
ভোলায় স্ত্রী হত্যা মামলায় মো. বশির নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। প্রায় ২১ বছর পলাতক থাকার পর ২০২৫ সালে আদালতে আত্মসমর্পণ করা আসামিকে সোমবার (৩১ আগস্ট) এ দণ্ড দেওয়া হয়।
ভোলার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক মো. এনায়েত উল্লাহ সেশন মামলা নং-৫৮/২০১০-এর রায়ে আসামি মো. বশিরকে দ্য পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ড দেন।
মামলার রায় ও নথি সূত্রে জানা যায়, আসামি মো. বশির ভোলা সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের মুসাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। ২০০৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে পারিবারিক বসতঘরে স্ত্রী বিলকিসকে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর আসামি তার দুই সন্তান—খাদিজা খাতুন ও মো. ইমরানকে বাড়িতে রেখে পালিয়ে যান। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর প্রায় ২১ বছর পর ২০২৫ সালে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
মামলায় উল্লেখযোগ্য সাক্ষী হিসেবে তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহজাদা মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন), পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা, এবং ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. রবীন্দ্রনাথ মজুমদার আদালতে সাক্ষ্য দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. হাবিবুর রহমান (বাচ্চু)। আসামিপক্ষে সর্বশেষ আইনজীবী ছিলেন অতীন্দ্র লাল ব্যানার্জী।
ভোলা জেলা প্রতিনিধি
মোঃ সুলাইমান

















