1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বম্ভরপুরে হাঁস নিয়ে বিরোধে নারী ও মেয়েকে মারধরের অভিযোগ

মোঃ শরীফ উদ্দিন, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৩

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে হাঁস নিয়ে বিরোধের জেরে এক নারী ও তাঁর মেয়েকে মারধর এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে বিশ্বম্ভরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন জামির আলী (৬৫)।

অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন—উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বাঘা গ্রামের মো. শামীমের স্ত্রী স্বপ্না বেগম (৩৫), একই গ্রামের কাচা মিয়ার ছেলে মো. শামীম (৪৫), তাঁর ছেলে মো. মেহেদী (২১) ও মো. তামিম (১৯)।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাঘা গ্রামের অভিযুক্তদের বসতবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগকারী জামির আলী দাবি করেন, তাঁর মেয়ের পালিত হাঁস অভিযুক্তদের বাড়িতে চলে যাওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁর মেয়ে ও নাতনিকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। এর প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে তাঁর মেয়ে ও নাতনির শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা ও জখম হয় বলে দাবি করা হয়। এ সময় তাঁদের গলায় থাকা দুটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে চেইন দুটির আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত সানজিদা নামের একজনকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, ঘটনার পর অভিযুক্তরা তাঁদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছেন। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত শামীম মিয়া বলেন, “সানজিদাকে মারধরের বিষয়টি আমি স্বীকার করছি। তবে সানজিদা আমার ছেলে মেহেদী হাসানের মাথা ফাটিয়েছে। ওই সময় ওই নারীর সঙ্গে আরও দুজন পুরুষও ছিলেন। তাঁরা মিলে আমার ছেলেকে মারধর করেছেন। আমার ছেলে বর্তমানে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে।”

তিনি আরও বলেন, “তাঁরা আমার ফার্মে গিয়ে পাঁচ-ছয়টি হাঁস হাতে নিয়ে নেন। বিষয়টি আমার স্ত্রী দেখে বাধা দিলে এ নিয়ে ঝামেলা হয়। এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ইউপি সদস্যের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা রোগী সুস্থ হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে বসার পরামর্শ দিয়েছেন।”

বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আহমদ উল্লাহ ভূইয়া বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলমান রয়েছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১২:৪৮:৪১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বম্ভরপুরে হাঁস নিয়ে বিরোধে নারী ও মেয়েকে মারধরের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:৪৮:৪১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৩

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে হাঁস নিয়ে বিরোধের জেরে এক নারী ও তাঁর মেয়েকে মারধর এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে বিশ্বম্ভরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন জামির আলী (৬৫)।

অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন—উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বাঘা গ্রামের মো. শামীমের স্ত্রী স্বপ্না বেগম (৩৫), একই গ্রামের কাচা মিয়ার ছেলে মো. শামীম (৪৫), তাঁর ছেলে মো. মেহেদী (২১) ও মো. তামিম (১৯)।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাঘা গ্রামের অভিযুক্তদের বসতবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগকারী জামির আলী দাবি করেন, তাঁর মেয়ের পালিত হাঁস অভিযুক্তদের বাড়িতে চলে যাওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁর মেয়ে ও নাতনিকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। এর প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে তাঁর মেয়ে ও নাতনির শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা ও জখম হয় বলে দাবি করা হয়। এ সময় তাঁদের গলায় থাকা দুটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে চেইন দুটির আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত সানজিদা নামের একজনকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, ঘটনার পর অভিযুক্তরা তাঁদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছেন। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত শামীম মিয়া বলেন, “সানজিদাকে মারধরের বিষয়টি আমি স্বীকার করছি। তবে সানজিদা আমার ছেলে মেহেদী হাসানের মাথা ফাটিয়েছে। ওই সময় ওই নারীর সঙ্গে আরও দুজন পুরুষও ছিলেন। তাঁরা মিলে আমার ছেলেকে মারধর করেছেন। আমার ছেলে বর্তমানে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে।”

তিনি আরও বলেন, “তাঁরা আমার ফার্মে গিয়ে পাঁচ-ছয়টি হাঁস হাতে নিয়ে নেন। বিষয়টি আমার স্ত্রী দেখে বাধা দিলে এ নিয়ে ঝামেলা হয়। এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ইউপি সদস্যের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা রোগী সুস্থ হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে বসার পরামর্শ দিয়েছেন।”

বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আহমদ উল্লাহ ভূইয়া বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলমান রয়েছে।”