আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন জার্মান মিডফিল্ডার গ্রোসকে
আর্সেনালের বিপক্ষে ব্রাইটনের ৩-০ গোলের জয়ের ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর জার্মানি জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন পাসকাল গ্রোস। ৩৫ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার জানিয়েছেন, ২০২৬ বিশ্বকাপের পরই জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানালেন তিনি।
আমেরিকান এক্সপ্রেস কমিউনিটি স্টেডিয়ামে প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্সেনালকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাইটন। স্বাগতিকদের হয়ে ম্যাচের ৩১ মিনিটে প্রায় ১৮ মিটার দূর থেকে দুর্দান্ত শটে গোল করেন গ্রোস। পরে চেমা আন্দ্রেসের গোলেও অবদান রাখেন তিনি। ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে এই জার্মান মিডফিল্ডারের হাতে।
চলতি মৌসুমেও দারুণ ছন্দে আছেন গ্রোস। প্রিমিয়ার লিগে পাঁচ ম্যাচে তিন গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে চারটি গোল করিয়েছেন তিনি। তবে ক্লাবের হয়ে তার এমন পারফরম্যান্সও জার্মানির নতুন কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপকে জাতীয় দলে ফেরানোর জন্য যথেষ্ট হয়নি। নেশনস লিগের জন্য ক্লপের প্রাথমিক স্কোয়াডে জায়গা হয়নি গ্রোসের।
জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত অবশ্য আগেই নিয়েছিলেন তিনি। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন গ্রোস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় না থাকায় তখন বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
স্কাই জার্মানিকে গ্রোস বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার কোনো অ্যাকাউন্ট নেই, তাই আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা দিতে পারিনি। তবে আমি আগেই অবসর নিয়েছি। আমার কাছে বিশ্বকাপের পরই সব শেষ হয়ে গিয়েছিল। আমার মনে হয়, এখন নতুন প্রজন্মকে শুভকামনা জানানোর এবং তাদের জন্য সমর্থন জোগানোর সময়।’
জার্মানির হয়ে গ্রোসের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু হয় তুলনামূলক দেরিতে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে হান্সি ফ্লিকের অধীনে জাপানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলে অভিষেক হয় তার। ওই ম্যাচে ৪-১ গোলে হেরেছিল জার্মানি।
জাতীয় দলের হয়ে গ্রোসের শেষ ম্যাচ ছিল ২০২৬ বিশ্বকাপে ইকুয়েডরের বিপক্ষে। গ্রুপ পর্বের সেই ম্যাচে জার্মানি ২-১ গোলে হারে। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন গ্রোস।
























