1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গজারিয়ায় মসজিদ কমিটির প্রাক্তন সভাপতিকে বরাদ্দের অর্থ ফেরতের নির্দেশ জেলা পরিষদের

মোঃ দুলাল সরকার, ​গজারিয়া (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৫

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় একটি মসজিদ ও ঈদগাহ উন্নয়ন প্রকল্পের সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মসজিদ কমিটির প্রাক্তন সভাপতিকে ১৫ দিনের মধ্যে অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে জেলা পরিষদ। তবে অভিযুক্তের দাবি, তিনি ইতোমধ্যে কাজ সম্পন্ন করেছেন, কিন্তু বিল-ভাউচার জমা দেওয়ার নিয়মটি তাঁর জানা ছিল না।

​মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গজারিয়া উপজেলার দৌলতপুর আটআনি জামে মসজিদ ও ঈদগাহ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে জেলা পরিষদ থেকে মোট ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়। এর মধ্যে প্রথম কিস্তি হিসেবে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার একটি চেক গত বছরের ২৪ নভেম্বর গ্রহণ করেন মসজিদ ও প্রকল্প কমিটির তৎকালীন সভাপতি আব্দুস সাত্তার। স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা ও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, অর্থ গ্রহণের পরবর্তী দুই মাসের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্পন্ন করে চূড়ান্ত বিল ও ভাউচার জেলা পরিষদে দাখিল করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো ভাউচার জমা দেওয়া হয়নি। ফলে জেলা পরিষদের দৃষ্টিতে বরাদ্দের অর্থ প্রকল্পের কাজে ব্যবহার না করে নিজের কাছে রেখে দেওয়া হয়েছে যা সরকারি অর্থ আত্মসাতের শামিল।

​এ ঘটনায় গত ২২ সেপ্টেম্বর মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমা নাহার স্বাক্ষরিত এক নোটিশে প্রকল্প কমিটির তৎকালীন সভাপতিকে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে গৃহীত ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জেলা পরিষদ তহবিলে ফেরত প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্দেশিত সময়ের মধ্যে অর্থ ফেরত দেওয়া না হলে সরকারি পাওনা আদায় আইন, ১৯১৩ অনুযায়ী সার্টিফিকেট মামলা দায়ের করে টাকা উদ্ধারসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

​অভিযোগের বিষয়ে প্রকল্প কমিটির তৎকালীন সভাপতি আব্দুস সাত্তার মাস্টারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি সরকারি বরাদ্দ পেয়েছিলাম এটা সত্য। তবে সেই অর্থ দিয়ে ঈদগাহের একটি মিনার তৈরির কাজ শেষ করেছি। বিল-ভাউচার জমা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আমার জানা ছিল না। কোনো অর্থ অপচয় বা আত্মসাৎ করা হয়নি; সরজমিনে আসলেই আপনারা বিষয়টি দেখতে পারবেন।”

স্থানীয় বাসিন্দা শামসুল হকের দাবি, ২০২৫ সালের বরাদ্দের টাকায় কোন কাজ করা হয়নি। ঈদগাহের মিনারটি তৈরি করা হয়েছিল ২০২১ সালে। সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে এ সংক্রান্ত একটি ফলকে ২০২১ সালের ঈদগাহটিতে এক লক্ষ টাকা বরাদ্দ এবং উন্নয়ন কাজের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে ​মসজিদ কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি মো. আলী হোসেন বলেন, “আমি সম্প্রতি সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। পূর্বের কমিটির বরাদ্দের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০২:১৬:১৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

গজারিয়ায় মসজিদ কমিটির প্রাক্তন সভাপতিকে বরাদ্দের অর্থ ফেরতের নির্দেশ জেলা পরিষদের

আপডেট সময় : ০২:১৬:১৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় একটি মসজিদ ও ঈদগাহ উন্নয়ন প্রকল্পের সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মসজিদ কমিটির প্রাক্তন সভাপতিকে ১৫ দিনের মধ্যে অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে জেলা পরিষদ। তবে অভিযুক্তের দাবি, তিনি ইতোমধ্যে কাজ সম্পন্ন করেছেন, কিন্তু বিল-ভাউচার জমা দেওয়ার নিয়মটি তাঁর জানা ছিল না।

​মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গজারিয়া উপজেলার দৌলতপুর আটআনি জামে মসজিদ ও ঈদগাহ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে জেলা পরিষদ থেকে মোট ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়। এর মধ্যে প্রথম কিস্তি হিসেবে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার একটি চেক গত বছরের ২৪ নভেম্বর গ্রহণ করেন মসজিদ ও প্রকল্প কমিটির তৎকালীন সভাপতি আব্দুস সাত্তার। স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা ও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, অর্থ গ্রহণের পরবর্তী দুই মাসের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্পন্ন করে চূড়ান্ত বিল ও ভাউচার জেলা পরিষদে দাখিল করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো ভাউচার জমা দেওয়া হয়নি। ফলে জেলা পরিষদের দৃষ্টিতে বরাদ্দের অর্থ প্রকল্পের কাজে ব্যবহার না করে নিজের কাছে রেখে দেওয়া হয়েছে যা সরকারি অর্থ আত্মসাতের শামিল।

​এ ঘটনায় গত ২২ সেপ্টেম্বর মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমা নাহার স্বাক্ষরিত এক নোটিশে প্রকল্প কমিটির তৎকালীন সভাপতিকে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে গৃহীত ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জেলা পরিষদ তহবিলে ফেরত প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্দেশিত সময়ের মধ্যে অর্থ ফেরত দেওয়া না হলে সরকারি পাওনা আদায় আইন, ১৯১৩ অনুযায়ী সার্টিফিকেট মামলা দায়ের করে টাকা উদ্ধারসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

​অভিযোগের বিষয়ে প্রকল্প কমিটির তৎকালীন সভাপতি আব্দুস সাত্তার মাস্টারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি সরকারি বরাদ্দ পেয়েছিলাম এটা সত্য। তবে সেই অর্থ দিয়ে ঈদগাহের একটি মিনার তৈরির কাজ শেষ করেছি। বিল-ভাউচার জমা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আমার জানা ছিল না। কোনো অর্থ অপচয় বা আত্মসাৎ করা হয়নি; সরজমিনে আসলেই আপনারা বিষয়টি দেখতে পারবেন।”

স্থানীয় বাসিন্দা শামসুল হকের দাবি, ২০২৫ সালের বরাদ্দের টাকায় কোন কাজ করা হয়নি। ঈদগাহের মিনারটি তৈরি করা হয়েছিল ২০২১ সালে। সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে এ সংক্রান্ত একটি ফলকে ২০২১ সালের ঈদগাহটিতে এক লক্ষ টাকা বরাদ্দ এবং উন্নয়ন কাজের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে ​মসজিদ কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি মো. আলী হোসেন বলেন, “আমি সম্প্রতি সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। পূর্বের কমিটির বরাদ্দের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।”