1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তীব্র ছাত্র আন্দোলনে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট বুচিসের পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২

সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচকে ঘিরে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক উত্তেজনা, সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে দেশটির রাজনীতিতে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে ভুচিচের পদত্যাগ, অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট এবং আসন্ন নির্বাচনের বিষয়ে দেওয়া তথ্যগুলো প্রকাশের আগে হালনাগাদ আন্তর্জাতিক সূত্রে যাচাই করা জরুরি।

২০২৪ সালে নোভি সাদ শহরের রেলস্টেশনের ছাদ ধসে ১৪ জনের মৃত্যু হয়। পরে আরও একজনের মৃত্যুর খবর আসে। ঘটনাটি সার্বিয়ায় ব্যাপক বিক্ষোভের জন্ম দেয়। বিক্ষোভকারীরা দুর্ঘটনার জন্য অবকাঠামোগত অনিয়ম, দুর্নীতি ও সরকারি জবাবদিহির ঘাটতির অভিযোগ তোলেন।

এরপর শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে অংশ নেন। আন্দোলন ক্রমে সরকারবিরোধী বড় ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রূপ নেয়। বিক্ষোভকারীরা দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

ভুচিচ অবশ্য তার সরকারের সময় অর্থনৈতিক অগ্রগতি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের কথা তুলে ধরে আসছেন। সরকারবিরোধী আন্দোলন নিয়ে তার অবস্থানও বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি।

সার্বিয়ার রাজনীতিতে ভুচিচের প্রভাব গত এক দশকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি ২০১৭ সালে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ২০২২ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

নোভি সাদের রেলস্টেশন দুর্ঘটনার পর সরকারবিরোধী বিক্ষোভ আরও বিস্তৃত হয়। বিক্ষোভকারীদের দাবির মধ্যে ছিল দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, দায়ীদের বিচার এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

এদিকে সার্বিয়ার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দেশটির সম্পর্ক, রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে সহযোগিতা এবং কসোভো ইস্যুও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে রয়েছে। ভুচিচের সরকার একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা এবং রাশিয়া-চীনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার নীতি অনুসরণ করেছে।

তবে ভুচিচ পদত্যাগ করেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে আনা ব্রনাবিচ দায়িত্ব নিয়েছেন এবং ৯০ দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে—এমন দাবিগুলো প্রকাশের আগে নির্ভরযোগ্য ও সাম্প্রতিক সূত্র দিয়ে আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৫:২৬:৪১ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

তীব্র ছাত্র আন্দোলনে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট বুচিসের পদত্যাগ

আপডেট সময় : ০৫:২৬:৪১ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২

সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচকে ঘিরে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক উত্তেজনা, সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে দেশটির রাজনীতিতে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে ভুচিচের পদত্যাগ, অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট এবং আসন্ন নির্বাচনের বিষয়ে দেওয়া তথ্যগুলো প্রকাশের আগে হালনাগাদ আন্তর্জাতিক সূত্রে যাচাই করা জরুরি।

২০২৪ সালে নোভি সাদ শহরের রেলস্টেশনের ছাদ ধসে ১৪ জনের মৃত্যু হয়। পরে আরও একজনের মৃত্যুর খবর আসে। ঘটনাটি সার্বিয়ায় ব্যাপক বিক্ষোভের জন্ম দেয়। বিক্ষোভকারীরা দুর্ঘটনার জন্য অবকাঠামোগত অনিয়ম, দুর্নীতি ও সরকারি জবাবদিহির ঘাটতির অভিযোগ তোলেন।

এরপর শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে অংশ নেন। আন্দোলন ক্রমে সরকারবিরোধী বড় ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রূপ নেয়। বিক্ষোভকারীরা দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

ভুচিচ অবশ্য তার সরকারের সময় অর্থনৈতিক অগ্রগতি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের কথা তুলে ধরে আসছেন। সরকারবিরোধী আন্দোলন নিয়ে তার অবস্থানও বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি।

সার্বিয়ার রাজনীতিতে ভুচিচের প্রভাব গত এক দশকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি ২০১৭ সালে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ২০২২ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

নোভি সাদের রেলস্টেশন দুর্ঘটনার পর সরকারবিরোধী বিক্ষোভ আরও বিস্তৃত হয়। বিক্ষোভকারীদের দাবির মধ্যে ছিল দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, দায়ীদের বিচার এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

এদিকে সার্বিয়ার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দেশটির সম্পর্ক, রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে সহযোগিতা এবং কসোভো ইস্যুও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে রয়েছে। ভুচিচের সরকার একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা এবং রাশিয়া-চীনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার নীতি অনুসরণ করেছে।

তবে ভুচিচ পদত্যাগ করেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে আনা ব্রনাবিচ দায়িত্ব নিয়েছেন এবং ৯০ দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে—এমন দাবিগুলো প্রকাশের আগে নির্ভরযোগ্য ও সাম্প্রতিক সূত্র দিয়ে আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।