নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলা-লুটপাট: জামায়াত এমপির জামাতা গ্রেপ্তার
রাজধানীর পশ্চিম মাটিকাটা এলাকায় নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় কুষ্টিয়া-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. আব্দুল গফুরের জামাতা মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পশ্চিম মাটিকাটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিবির গুলশান বিভাগের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ডিসি (মিডিয়া) মো. আকতার হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডিবি সূত্র জানায়, নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানায় করা মামলায় মিজানুর রহমান এজাহারভুক্ত ৯ নম্বর আসামি। গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) মামলাটি করা হয়। হামলায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
গ্রেপ্তার মিজানুর রহমানের বাবার নাম নুরুল ইসলাম। তার স্থায়ী ঠিকানা ঢাকার ক্যান্টনমেন্টের পশ্চিম মাটিকাটা এলাকার হলি অ্যাপার্টমেন্ট লিমিটেডে।
মামলার তথ্য ও পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে নিউগিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের প্রকল্প এলাকায় প্রায় ৫০ জন ব্যক্তি অনধিকার প্রবেশ করে হামলা চালান। এ সময় তারা প্রায় ৫০ রাউন্ড গুলি ছোড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলাকারীদের হাতে রামদা, ছোরা ও লাঠিসোটাও ছিল। এতে সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. পারভেজসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
একপর্যায়ে হামলাকারীরা কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউন ফিস’ নামের স্টুডিওতে ঢুকে ভাঙচুর ও লুটপাট চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রকল্প এলাকা থেকে নগদ টাকা, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, বৈদ্যুতিক ক্যাবল, ক্যামেরা ও পেশাদার মিডিয়া সরঞ্জামসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়। এ ছাড়া কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়।
পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করেও গুলি ছোড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাঁচ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় প্রকল্পের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।























