1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অল্প বয়সে চুল পাকা ঠেকাতে যেসব খাবার উপকারী

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৩

আধুনিক জীবনযাপন, মানসিক চাপ ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস শুধু সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপরই প্রভাব ফেলে না, চুলের স্বাস্থ্যেও এর প্রভাব পড়ে। অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়া এখন অনেকেরই উদ্বেগের কারণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চুলের স্বাভাবিক রঙ মূলত মেলানিন নামের রঞ্জকের ওপর নির্ভর করে। বয়স, বংশগত কারণ, কিছু পুষ্টির ঘাটতি ও অন্যান্য শারীরিক কারণে মেলানিন উৎপাদন কমে গেলে চুল ধীরে ধীরে সাদা হতে পারে। তবে শুধু খাবার খেয়ে পাকা চুল আবার কালো হয়ে যাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

অকালে চুল পাকার ক্ষেত্রে পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন যেসব খাবার—

আমলকী: ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ আমলকী সামগ্রিকভাবে চুল ও ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কাঁচা আমলকী, রস বা খাবারের সঙ্গে এটি খাওয়া যেতে পারে।

কারি পাতা: এতে বিভিন্ন ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। খাবারের সঙ্গে নিয়মিত কারি পাতা রাখা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।

কালো তিল: কালো তিলে আয়রন, কপার, জিংকসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। পরিমিত পরিমাণে এটি খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

কাঠবাদাম ও আখরোট: বাদামে কপার, ভিটামিন ই, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে বাদাম খাওয়া চুলের পাশাপাশি সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।

পালং শাক: পালং শাকে আয়রন, ফলেট ও বিভিন্ন ভিটামিন রয়েছে। বিশেষ করে খাদ্যে আয়রন ও ফলেটের ঘাটতি থাকলে পুষ্টিকর শাকসবজি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ডিম: ডিমে উচ্চমানের প্রোটিন ও ভিটামিন বি-১২সহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। চুলের গঠন ও বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিন প্রয়োজন।

এ ছাড়া অল্প বয়সে চুল পাকার ক্ষেত্রে বংশগত কারণ, থাইরয়েডের সমস্যা, ভিটামিন বি-১২ বা আয়রনের ঘাটতি এবং অন্যান্য শারীরিক কারণও থাকতে পারে। তাই হঠাৎ করে বেশি চুল পেকে গেলে শুধু খাবারের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করাও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমের অভ্যাস সামগ্রিক স্বাস্থ্য ও সুস্থতার জন্য উপকারী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৫:৪০:৩৪ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

অল্প বয়সে চুল পাকা ঠেকাতে যেসব খাবার উপকারী

আপডেট সময় : ০৫:৪০:৩৪ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
৩

আধুনিক জীবনযাপন, মানসিক চাপ ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস শুধু সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপরই প্রভাব ফেলে না, চুলের স্বাস্থ্যেও এর প্রভাব পড়ে। অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়া এখন অনেকেরই উদ্বেগের কারণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চুলের স্বাভাবিক রঙ মূলত মেলানিন নামের রঞ্জকের ওপর নির্ভর করে। বয়স, বংশগত কারণ, কিছু পুষ্টির ঘাটতি ও অন্যান্য শারীরিক কারণে মেলানিন উৎপাদন কমে গেলে চুল ধীরে ধীরে সাদা হতে পারে। তবে শুধু খাবার খেয়ে পাকা চুল আবার কালো হয়ে যাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

অকালে চুল পাকার ক্ষেত্রে পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন যেসব খাবার—

আমলকী: ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ আমলকী সামগ্রিকভাবে চুল ও ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কাঁচা আমলকী, রস বা খাবারের সঙ্গে এটি খাওয়া যেতে পারে।

কারি পাতা: এতে বিভিন্ন ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। খাবারের সঙ্গে নিয়মিত কারি পাতা রাখা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।

কালো তিল: কালো তিলে আয়রন, কপার, জিংকসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। পরিমিত পরিমাণে এটি খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

কাঠবাদাম ও আখরোট: বাদামে কপার, ভিটামিন ই, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে বাদাম খাওয়া চুলের পাশাপাশি সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।

পালং শাক: পালং শাকে আয়রন, ফলেট ও বিভিন্ন ভিটামিন রয়েছে। বিশেষ করে খাদ্যে আয়রন ও ফলেটের ঘাটতি থাকলে পুষ্টিকর শাকসবজি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ডিম: ডিমে উচ্চমানের প্রোটিন ও ভিটামিন বি-১২সহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। চুলের গঠন ও বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিন প্রয়োজন।

এ ছাড়া অল্প বয়সে চুল পাকার ক্ষেত্রে বংশগত কারণ, থাইরয়েডের সমস্যা, ভিটামিন বি-১২ বা আয়রনের ঘাটতি এবং অন্যান্য শারীরিক কারণও থাকতে পারে। তাই হঠাৎ করে বেশি চুল পেকে গেলে শুধু খাবারের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করাও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমের অভ্যাস সামগ্রিক স্বাস্থ্য ও সুস্থতার জন্য উপকারী।