1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অদৃশ্য বলয়ের মাধ্যমে বদলি বাতিল! পটুয়াখালী এলএ শাখায় সার্ভেয়ার নাজমুলের ১৫ দিনের মাথায় প্রত্যাবর্তন

ক্রাইম রিপোর্টার,পটুয়াখালীঃ
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৮

দশমিনা উপজেলা ভূমি অফিসে বদলির মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে এক রহস্যময় ও অদৃশ্য বলয়ের মাধ্যমে বদলি বাতিল করিয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় স্বপদে ফিরে এসেছেন সার্ভেয়ার নাজমুল ইসলাম। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত ধারাবাহিক অনিয়ম, বেপরোয়া দুর্নীতি এবং ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি ও তার চক্র কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে। সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য জমি দেওয়া ভুক্তভোগী মানুষের ফাইল আটকে রেখে জোরপূর্বক মোটা অঙ্কের কমিশন আদায়ের এই ঘটনায় জেলাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
অনুসন্ধানী সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সিন্ডিকেটের অন্যতম বড় দুর্নীতির ক্ষেত্র ছিল পায়রা পোর্ট (বন্দর) প্রকল্প। প্রকল্পের আওতাধীন ধুলারসার মৌজার অধিগ্রহণকৃত জমি থেকে সার্ভেয়ার নাজমুল এবং তার সহযোগী আসাদ, মনির, ফারুক ও তখনকার কানুনগো শহিদুল ইসলাম মিলে গড়ে তোলা সিন্ডিকেটটি ভুক্তভোগী ভূমি মালিকদের জিম্মি করে প্রায় কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য করেছেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সার্ভেয়ার নাজমুলের এই বেপরোয়া দুর্নীতির বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হওয়ায় সাবেক বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওসার তাকে শাস্তিমূলক পিরোজপুর ডিসি অফিসে বদলি করেন পরবর্তীতে তিনি ছয় মাসের মধ্যে আবার পটুয়াখালী ডিসি অফিসে ফিরে আসেন পটুয়াখালীতে যোগদান করার পরেই তিনি আবার তার সেই পুরনো সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কার্যক্রম চালাতে থাকে পরবর্তীতে সদ্য সাবেক জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীর আমলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে পটুয়াখালী থেকে প্রত্যন্ত দশমিনা উপজেলা ভূমি অফিসে বদলি করা হয়েছিল। কিন্তু দুর্নীতির এই বরপুত্রকে সেখানে আটকে রাখা যায়নি। বিশ্বস্ত গোপন সূত্রে জানা গেছে, বদলি ঠেকাতে এবং পুনরায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ফিরতে পর্দার আড়ালে এক বিশাল অঙ্কের মিশন শুরু হয়। পটুয়াখালীর কয়েকজন নামকরা ও প্রভাবশালী ভূমি দালালের সাথে গোপন চুক্তি করেন নাজমুল। দালালদের আটকে থাকা বড় বড় কাজ দ্রুততম সময়ে পাইয়ে দেওয়ার জাদুকরী প্রতিশ্রুতিতে তাদের কাছ থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। এই বিপুল অঙ্কের অবৈধ টাকা ঢেলে এক অদৃশ্য প্রভাবশালী বলয় ও রাজনৈতিক তদবিরের মাধ্যমে বদলির মাত্র ১৫/২০ দিনের মাথায় আবারও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ‘ভূমি অধিগ্রহণ শাখায়’ স্বপদে ফিরে আসেন।এই অলৌকিক পুনর্বহালের পর তার ও দালাল সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য আরও বহুগুণ বেড়ে যায়।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ থেকে জানা যায়, সার্ভেয়ার নাজমুল, সার্ভেয়ার আবুল কালাম ও সার্ভেয়ার আসাদ,সার্ভেয়ার মনির ও তখনকার কানুনগো শহিদুল ইসলাম সহো এলএ শাখার কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি শক্তিশালী অনৈতিক সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। এই সিন্ডিকেট প্রকাশ্যে ১২% থেকে ১৫% পর্যন্ত মোটা অঙ্কের ঘুষ দাবি করে আসছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সার্ভেয়ার নাজমুল ও তার সহযোগীদের চাহিদা অনুযায়ী কমিশন বা ঘুষের টাকা না দিলে ফাইলে নানা ধরনের কাল্পনিক ত্রুটি বা আইনি জটিলতার অজুহাত দেখিয়ে মাসের পর মাস ফাইল আটকে রাখা হয়। অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত জমির মালিকদের বাদ দিয়ে ভুয়া ওয়ারিশ বা মধ্যস্বত্বভোগী সাজিয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের পাঁয়তারা করা হচ্ছে বলেও সংবাদে প্রকাশ পায়।
তদন্তে আরও জানা যায়, সার্ভেয়ার নাজমুলের এই দুর্নীতির সাম্রাজ্য রাতারাতি গড়ে ওঠেনি। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তিনি একের পর এক অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের স্বর্গরাজ্য গড়ে তোলেন। তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের ছত্রছায়ায় থেকে কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সাধারণ জমিহারা মানুষের পকেট কেটে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। এই বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থে নাজমুল ও তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা অঢেল সম্পদের পাহাড় গড়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
শুধু তাই নয়, এই সিন্ডিকেটের দুর্নীতির শিকড় আরও গভীরে ছড়ানো বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই চাঞ্চল্যকর অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে পটুয়াখালীর বর্তমান জেলা প্রশাসক চৌধুরী আশরাফুল করিমের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করার জোর প্রস্তুতি চালাচ্ছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।
এই দুর্নীতির বিষদ বিবরণ ও ধারাবাহিক প্রতিবেদন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশের পর স্থানীয় সেবাগ্রহীতাদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ এই শাখাকে “দুর্নীতির অভয়ারণ্য ” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। প্রশাসনের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে, ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর লিখিত অভিযোগ, ক্ষোভ এবং গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার এবং পটুয়াখালীর বর্তমান জেলা প্রশাসক চৌধুরী আশরাফুল করিম বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়েছেন। একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে এই সিন্ডিকেটের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব, দালালদের সাথে যোগসাজশ, আওয়ামী আমলে অর্জিত অবৈধ সম্পদ এবং ফাইল আটকে রাখার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে সার্ভেয়ার নাজমুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্তে দুর্নীতির প্রমাণ মিললে এবার আর পার পাওয়ার সুযোগ নেই জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার পাশাপাশি ফৌজদারি আইন অনুযায়ী কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১১:১৪:২৯ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

অদৃশ্য বলয়ের মাধ্যমে বদলি বাতিল! পটুয়াখালী এলএ শাখায় সার্ভেয়ার নাজমুলের ১৫ দিনের মাথায় প্রত্যাবর্তন

আপডেট সময় : ১১:১৪:২৯ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
৮

দশমিনা উপজেলা ভূমি অফিসে বদলির মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে এক রহস্যময় ও অদৃশ্য বলয়ের মাধ্যমে বদলি বাতিল করিয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় স্বপদে ফিরে এসেছেন সার্ভেয়ার নাজমুল ইসলাম। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত ধারাবাহিক অনিয়ম, বেপরোয়া দুর্নীতি এবং ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি ও তার চক্র কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে। সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য জমি দেওয়া ভুক্তভোগী মানুষের ফাইল আটকে রেখে জোরপূর্বক মোটা অঙ্কের কমিশন আদায়ের এই ঘটনায় জেলাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
অনুসন্ধানী সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সিন্ডিকেটের অন্যতম বড় দুর্নীতির ক্ষেত্র ছিল পায়রা পোর্ট (বন্দর) প্রকল্প। প্রকল্পের আওতাধীন ধুলারসার মৌজার অধিগ্রহণকৃত জমি থেকে সার্ভেয়ার নাজমুল এবং তার সহযোগী আসাদ, মনির, ফারুক ও তখনকার কানুনগো শহিদুল ইসলাম মিলে গড়ে তোলা সিন্ডিকেটটি ভুক্তভোগী ভূমি মালিকদের জিম্মি করে প্রায় কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য করেছেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সার্ভেয়ার নাজমুলের এই বেপরোয়া দুর্নীতির বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হওয়ায় সাবেক বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওসার তাকে শাস্তিমূলক পিরোজপুর ডিসি অফিসে বদলি করেন পরবর্তীতে তিনি ছয় মাসের মধ্যে আবার পটুয়াখালী ডিসি অফিসে ফিরে আসেন পটুয়াখালীতে যোগদান করার পরেই তিনি আবার তার সেই পুরনো সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কার্যক্রম চালাতে থাকে পরবর্তীতে সদ্য সাবেক জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীর আমলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে পটুয়াখালী থেকে প্রত্যন্ত দশমিনা উপজেলা ভূমি অফিসে বদলি করা হয়েছিল। কিন্তু দুর্নীতির এই বরপুত্রকে সেখানে আটকে রাখা যায়নি। বিশ্বস্ত গোপন সূত্রে জানা গেছে, বদলি ঠেকাতে এবং পুনরায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ফিরতে পর্দার আড়ালে এক বিশাল অঙ্কের মিশন শুরু হয়। পটুয়াখালীর কয়েকজন নামকরা ও প্রভাবশালী ভূমি দালালের সাথে গোপন চুক্তি করেন নাজমুল। দালালদের আটকে থাকা বড় বড় কাজ দ্রুততম সময়ে পাইয়ে দেওয়ার জাদুকরী প্রতিশ্রুতিতে তাদের কাছ থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। এই বিপুল অঙ্কের অবৈধ টাকা ঢেলে এক অদৃশ্য প্রভাবশালী বলয় ও রাজনৈতিক তদবিরের মাধ্যমে বদলির মাত্র ১৫/২০ দিনের মাথায় আবারও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ‘ভূমি অধিগ্রহণ শাখায়’ স্বপদে ফিরে আসেন।এই অলৌকিক পুনর্বহালের পর তার ও দালাল সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য আরও বহুগুণ বেড়ে যায়।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ থেকে জানা যায়, সার্ভেয়ার নাজমুল, সার্ভেয়ার আবুল কালাম ও সার্ভেয়ার আসাদ,সার্ভেয়ার মনির ও তখনকার কানুনগো শহিদুল ইসলাম সহো এলএ শাখার কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি শক্তিশালী অনৈতিক সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। এই সিন্ডিকেট প্রকাশ্যে ১২% থেকে ১৫% পর্যন্ত মোটা অঙ্কের ঘুষ দাবি করে আসছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সার্ভেয়ার নাজমুল ও তার সহযোগীদের চাহিদা অনুযায়ী কমিশন বা ঘুষের টাকা না দিলে ফাইলে নানা ধরনের কাল্পনিক ত্রুটি বা আইনি জটিলতার অজুহাত দেখিয়ে মাসের পর মাস ফাইল আটকে রাখা হয়। অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত জমির মালিকদের বাদ দিয়ে ভুয়া ওয়ারিশ বা মধ্যস্বত্বভোগী সাজিয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের পাঁয়তারা করা হচ্ছে বলেও সংবাদে প্রকাশ পায়।
তদন্তে আরও জানা যায়, সার্ভেয়ার নাজমুলের এই দুর্নীতির সাম্রাজ্য রাতারাতি গড়ে ওঠেনি। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তিনি একের পর এক অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের স্বর্গরাজ্য গড়ে তোলেন। তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের ছত্রছায়ায় থেকে কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সাধারণ জমিহারা মানুষের পকেট কেটে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। এই বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থে নাজমুল ও তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা অঢেল সম্পদের পাহাড় গড়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
শুধু তাই নয়, এই সিন্ডিকেটের দুর্নীতির শিকড় আরও গভীরে ছড়ানো বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই চাঞ্চল্যকর অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে পটুয়াখালীর বর্তমান জেলা প্রশাসক চৌধুরী আশরাফুল করিমের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করার জোর প্রস্তুতি চালাচ্ছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।
এই দুর্নীতির বিষদ বিবরণ ও ধারাবাহিক প্রতিবেদন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশের পর স্থানীয় সেবাগ্রহীতাদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ এই শাখাকে “দুর্নীতির অভয়ারণ্য ” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। প্রশাসনের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে, ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর লিখিত অভিযোগ, ক্ষোভ এবং গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার এবং পটুয়াখালীর বর্তমান জেলা প্রশাসক চৌধুরী আশরাফুল করিম বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়েছেন। একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে এই সিন্ডিকেটের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব, দালালদের সাথে যোগসাজশ, আওয়ামী আমলে অর্জিত অবৈধ সম্পদ এবং ফাইল আটকে রাখার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে সার্ভেয়ার নাজমুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্তে দুর্নীতির প্রমাণ মিললে এবার আর পার পাওয়ার সুযোগ নেই জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার পাশাপাশি ফৌজদারি আইন অনুযায়ী কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।