1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৯:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সদরপুর এম্বুলেন্স বিকল :অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রার্থীদের ভোগান্তি

ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৭

আব্দুস সালাম মোল্লা ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে দুটি পুরোনো অ্যাম্বুলেন্স। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে গাড়ি দুটির বিভিন্ন অংশে মরিচা ধরেছে, চাকা মাটিতে দেবে গেছে। এতে সরকারি সম্পদের অপচয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।

সরেজমিনে দেখা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরোনো ভবনের মূল ফটকের পাশে খোলা আকাশের নিচে নীল পলিথিনের ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে অ্যাম্বুলেন্স দুটি। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় গাড়িগুলোর রং নষ্ট হয়ে গেছে, বাইরের অংশে ময়লা জমেছে এবং বিভিন্ন স্থানে ক্ষয়ের চিহ্ন স্পষ্ট।

হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অ্যাম্বুলেন্স দুটির মধ্যে প্রথমটি ১৯৯৩ সালে তৎকালীন বি এন পি সরকারের আমলে দ্বিতীয়টি ২০১৪ সালে তৎকালীন আওয়ামী সরকারের আমলে, দ্বিতীয় অ্যাম্বুলেন্সটি ২০১৮ সালের দিকে নষ্ট হয়ে গেলে হাসপাতালটি দীর্ঘদিন অ্যাম্বুলেন্স-সংকটে পড়ে। পরে ২০২২ সালে হাসপাতালে তৃতীয় অ্যাম্বুলেন্সটি জেলা প্রশাসক অতুলপ্রসাদ সরকার মহোদয় উদ্বোধনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে যা বর্তমানে সচল রয়েছে।

অ্যাম্বুলেন্স রোগীদের জরুরি পরিবহন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উপজেলা পর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের দ্রুত জেলা হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে এর প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। এমন পরিস্থিতিতে পুরোনো অ্যাম্বুলেন্স দুটি দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় সেগুলো মেরামত কিংবা বিধি অনুযায়ী নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক কর্মচারী বলেন, যথাসময়ে মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে গাড়িগুলোর ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা কমানো সম্ভব হতো। তবে বর্তমানে অ্যাম্বুলেন্স দুটি মেরামত করে সচল করা যাবে কি না, তা কারিগরিভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার আগেই অ্যাম্বুলেন্স দুটি এ অবস্থায় পড়ে ছিল। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

স্থানীয়দের দাবি, অ্যাম্বুলেন্স দুটি মেরামত করে পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব কি না, তা দ্রুত যাচাই করা হোক। মেরামতের অনুপযোগী হলে সরকারি বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

জনগণের অর্থে কেনা সরকারি যানবাহন যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তাই সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পড়ে থাকা অ্যাম্বুলেন্স দুটি নিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০২:০৫:৫১ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

সদরপুর এম্বুলেন্স বিকল :অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রার্থীদের ভোগান্তি

আপডেট সময় : ০২:০৫:৫১ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
৭

আব্দুস সালাম মোল্লা ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে দুটি পুরোনো অ্যাম্বুলেন্স। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে গাড়ি দুটির বিভিন্ন অংশে মরিচা ধরেছে, চাকা মাটিতে দেবে গেছে। এতে সরকারি সম্পদের অপচয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।

সরেজমিনে দেখা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরোনো ভবনের মূল ফটকের পাশে খোলা আকাশের নিচে নীল পলিথিনের ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে অ্যাম্বুলেন্স দুটি। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় গাড়িগুলোর রং নষ্ট হয়ে গেছে, বাইরের অংশে ময়লা জমেছে এবং বিভিন্ন স্থানে ক্ষয়ের চিহ্ন স্পষ্ট।

হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অ্যাম্বুলেন্স দুটির মধ্যে প্রথমটি ১৯৯৩ সালে তৎকালীন বি এন পি সরকারের আমলে দ্বিতীয়টি ২০১৪ সালে তৎকালীন আওয়ামী সরকারের আমলে, দ্বিতীয় অ্যাম্বুলেন্সটি ২০১৮ সালের দিকে নষ্ট হয়ে গেলে হাসপাতালটি দীর্ঘদিন অ্যাম্বুলেন্স-সংকটে পড়ে। পরে ২০২২ সালে হাসপাতালে তৃতীয় অ্যাম্বুলেন্সটি জেলা প্রশাসক অতুলপ্রসাদ সরকার মহোদয় উদ্বোধনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে যা বর্তমানে সচল রয়েছে।

অ্যাম্বুলেন্স রোগীদের জরুরি পরিবহন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উপজেলা পর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের দ্রুত জেলা হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে এর প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। এমন পরিস্থিতিতে পুরোনো অ্যাম্বুলেন্স দুটি দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় সেগুলো মেরামত কিংবা বিধি অনুযায়ী নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক কর্মচারী বলেন, যথাসময়ে মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে গাড়িগুলোর ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা কমানো সম্ভব হতো। তবে বর্তমানে অ্যাম্বুলেন্স দুটি মেরামত করে সচল করা যাবে কি না, তা কারিগরিভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার আগেই অ্যাম্বুলেন্স দুটি এ অবস্থায় পড়ে ছিল। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

স্থানীয়দের দাবি, অ্যাম্বুলেন্স দুটি মেরামত করে পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব কি না, তা দ্রুত যাচাই করা হোক। মেরামতের অনুপযোগী হলে সরকারি বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

জনগণের অর্থে কেনা সরকারি যানবাহন যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তাই সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পড়ে থাকা অ্যাম্বুলেন্স দুটি নিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।