সুন্দরবনে ২৫০ টন ইন্দোনেশিয়ার চোরাই কয়লা বোঝাই বাল্কহেড কার্গো জাহাজসহ আটক-৯
ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানিকৃত ২৬০ টন চোরাই কয়লা বোঝাই একটি বাল্কহেড কার্গো জাহাজসহ ৯ জনকে আটক করেছে সুন্দরবনের বনরক্ষীরা। রবিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ভোলা নদীতে কয়লা বোঝাই বাল্কহেড কার্গো জাহাজটি আটক করা হয়। এই কয়লার কোন মালিক পাওয়া যায়নি। আটক ৯ ব্যক্তিসহ কয়লা বোঝাই বাল্কহেড কার্গো জাহাজটি রবিবার সন্ধ্যায় শরণখোলা ষ্টেশন ঘাটে নিয়ে আসা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হচ্ছেন, তরিকুল ইসলাম (৩৪), দুলাল হাওলাদার (৩৪),সুমন তালুকদার (২১), নুরনবী (৩০),এনায়েত করিম (৪০), মো. ওবায়দুল (২২), মামুন (২২), মো. লায়েক মিয়া (৫০),কবির হোসেন (৩০)। আটক ব্যক্তিদের বাড়ী দেশের বিভিন্ন এলাকায় বলে জানায় বন বিভাগ। আটক ৯ ব্যক্তিসহ কয়লা বোঝাই বাল্কহেড কার্গো জাহাজটি রবিবার সন্ধ্যায় শরণখোলা ষ্টেশন ঘাটে নিয়ে আসা হয়েছে।
রবিবার রাতে সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা ফরেষ্ট ষ্টেশন কর্মকর্তা ডেপুটি রেঞ্জার শ্যামা প্রসাদ রায় এতথ্য নিশ্চিত করে জানান, তার নেতৃত্বে বনরক্ষী রারবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের অধিন ভোলা নদীতে নিয়মিত টহলকালে ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানিকৃত কয়লা বোঝাই একটি বাল্কহেড কার্গো জাহাজসহ ৯জনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা মোংলার পশুর নদীর জয়মনি এলাকায় একটি মাদারভ্যাসেল থেকে ২৬০ টন ইন্দোনেশিয়ান কয়লা বোঝাই কওে নির্দ্দিষ্ট গন্তব্যে না গিয়ে অবৈধ ভাবে সুন্দরবনের মধ্যে দিয়ে অন্য কোথাও পাচার করার সময় তাদের আটক করা হয়।
বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরিফুল ইসলাম জানান, বাল্কহেড কার্গো জাহাজে থাকা কয়লার কোন মালিক পাওয়া যায়নি। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ রোকেয়া খানম জানান, রবিবার সন্ধ্যায় সুন্দরবনের ভোলা নদীতে চোরাই কয়লা বোঝাই বাল্কহেড কার্গো জাহাজ ও পচারকারী আটকের ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে বন বিভাগ।
























